স্বর্ণ আমদানি করে প্রস্তুতকারকদের কাছে বিক্রির বিষয়ে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে মতামত চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ডেড ওয়্যার হাউসের আওতায় আমদানির বিষয়ে সম্প্রতি ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এভাবে আমদানি করলে লাভ-লোকসান কী হবে সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগে মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে।
স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসুর সভাপতিত্বে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সভা হয়েছে। এসব সভায় স্বর্ণ আমদানিতে জুয়েলারি মালিকদের অনুমোদন অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানি করে তাদের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করার প্রস্তাব করা হয়। এতদিন স্বর্ণ আমদানিতে ব্যাংককে যুক্ত করার বিপক্ষে মত দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এবার অন্যান্য ব্যাংকের কাছে মতামত নিয়ে তা সরকারের কাছে পাঠাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অনুমতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা বিদ্যমান নিয়মেও স্বর্ণ আমদানি করতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত কোন ব্যবসায়ী বাণিজ্যিকভাবে স্বর্ণ আমদানী করেছেন বলে বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য নেই। এরপরও দেশের বাজারে স্বর্ণের ঘাটতি নেই।
গত বছরের মে মাসে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনার মামলাকে কেন্দ্র করে স্বর্ণ আমদানি নীতিমালার বিষয়টি জোরেসোরে আলোচনায় আসে।
