দর্শকের মনে তখন হতাশা!
১৪ ওভার ৩ বলে ১৫১ রানের মাথায় সৌম্য সরকারের উইকেটটি হারানোর মাধ্যমে ৩য় উইকেট হারালো বাংলাদেশ। মাঠে মুশফিকের সঙ্গে জুটি বাঁধতে এলেন মাহমুদুল্লাহ্।
১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের রান ১৫৯। জেতার জন্য দলের রানরেট প্রয়োজন ছিল ১০.৭। ১৫ ওভারে দলর রানরেট ছিল ১০.৩৫। এরপর মাহমুদুল্লাহর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ওই ওভারেই দলের রানরেট গিয়ে দাঁড়ায় ১০.৯-এ।
১৭ ওভার শেষে দলের রান ১৮৮। দলের রানরেট ১১.০৫। মুশফিকের ব্যক্তিগত রান ৪৬, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ২০।
মাহমুদুল্লাহর ব্যাটিংয়ে যখন জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে দর্শক ঠিক তখন ১৭ ওভার ৩ বলে ১৯৩ রানের মাথায় মাহমুদুল্লাহ মাঠ ত্যাগ করলেন। মাঠে নামলেন সাব্বির রহমান।
১৮ ওভার শেষে মুশফিকের ব্যক্তিগত রান ৫৪। সাব্বিরের ০। দলীয় রান ১৯৬।
এরপর সাব্বিরও মুশফিককে মাঠে রেখে দলকে কিছু না দিয়ে চলে গেলেন মাঠ ছেড়ে। মাঠে এলেন মেহেদী হাসান। মুশফিক একাই এখন যেন দলের কাণ্ডারী। তার দৃঢ় ব্যাটিংয়ে দলীয় রান ১৯ ওভার শেষে ২০৫। মুশফিকের ব্যক্তিগত ৬২, মেহেদীর ০।
জেতার জন্য দলের প্রয়োজন আর মাত্র ৯ রান।
শেষ ওভারের প্রথম বলে ২ রান নিলেন মুশফিক। দলীয় রান দাঁড়ালো ২০৮। পরের বলে একটি ৪ হাঁকিয়ে দলকে লক্ষের খুব কাছাকাছি নিয়ে গেলেন মুশফিক। তৃতীয় বলে একটি ডাবল এবং চতুর্থ বলে অনেকটা হেসেখেলে টেনশন ছাড়া ১ রান নিয়ে দলকে জয় উপহার দিলেন মুশফিক।
নিদাহাস ট্রফি টি-টোয়েন্টি সিরিজে শনিবার সন্ধায় বৃষ্টির কারণে ১৫ বিলম্বে অনুষ্ঠিত টস জিতে ফিল্ডিং নেয় বাংলাদেশ। তবে বৃষ্টিভেজা মাঠ থেকে বোলাররা কোনো সুবিধা আদায় করতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১৪ রান করে শ্রীলঙ্কা।
ইত্তেফাক/নূহু
