নিদাহাস ট্রফিতে গত শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দেখা পায় বাংলাদেশ। ভারতের কাছে প্রথম ম্যাচ হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পায় তারা। লিগ পর্বের ফিরতি লেগে আগামীকাল বুধবার ফের ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে যাওয়াই প্রধান লক্ষ্য মাহমুদুল্লা-মুশফিকদের। কলম্বোর রানাসিংহে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।
ঘরের মাটিতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে বছর শুরু করে টাইগাররা। এরপর শ্রীলঙ্কার টেস্ট ও টি২০ সিরিজ হারে বাংলাদেশ। ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের হতে নিদাহাস ট্রফিতে খেলতে নামে বাংলাদেশ। এখানেও নিজেদের প্রথম ম্যাচে হোঁচট খায় টাইগাররা। ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হেরে যায় তারা। তবে পরের ম্যাচেই শ্রীলঙ্কাকে রেকর্ড স্কোর গড়ে হারায় মাহমুদউল্লাহর দল।
লঙ্কানদের বিপক্ষে পাঁচ উইকেটের দুর্দান্ত জয়ের ফাইনালে উঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্য নিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচকে প্রাধান্য দিবে বাংলাদেশ বলে জানান লিটন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর লিটন বলেন, ‘ফাইনাল খেলার লক্ষ্য নিয়ে এই টুর্নামেন্টে খেলতে আসি আমরা। তবে আমরা এখন পরের ম্যাচই নিয়ে ভাবছি।’
হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও, পরের ম্যাচেই বাংলাদেশকে হারায় ভারত। এরপর গত রাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফিরতি লেগের ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয়। তাই দলটির ফাইনাল খেলার পথে এখন অনেকটাই এগিয়ে। লিগ পর্বে নিজেদের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারালেই প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে ওঠবে ভারত। ফাইনালে উঠার কাজটি শেষ ম্যাচেই সম্পন্ন করতে চায় দলটি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের পর এমনটাই বললেন ম্যাচ সেরা ভারতের শারদুল ঠাকুর, ‘এখন পয়েন্ট টেবিলে আমরা সবার উপরে। শেষ ম্যাচে জিতলে আমাদের ফাইনাল নিশ্চিত হবে। এই সুযোগ পরের ম্যাচেই কাজে লাগাতে চাই আমরা।’
বাংলাদেশ : মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, লিটন কুমার দাস, আবু হায়হার রনি, আবু জায়েদ রাহী, আরিফুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান ও নাজমুল ইসলাম অপু।
ভারত : রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, সুরেশ রায়না, মানিশ পান্ডে, দিনেশ কার্তিক, দিপক হুদা, ওয়াশিংটন সুন্দর, যুজবেন্দ্রা চাহাল, অক্ষয় প্যাটেল, বিজয় শংকর, শারদুল ঠাকুর, জয়দেব উনাদকট, মোহাম্মদ সিরাজ ও ঋসভ পান্থ।
ইত্তেফাক/কেআই
