গত শুক্রবার নিদাহাস ট্রফির লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে মাঠে ক্রিকেটারদের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মাঠে ক্রিকেটাররা যে আচরণ করেছে তা যে অগ্রহণযোগ্য ছিল বোর্ড মনে করছে।
বিসিবির এক বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা মনে করি ম্যাচের গুরুত্ব বিবেচনায় যে চাপ তৈরি হয়েছিল তাতেই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই টানাপোড়েনের সময় দল যে ধরনের আচরণ করেছে পেশাদারিত্বের দিক থেকে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে ছিল না। বাংলাদেশ দলের সদস্যদের সবসময় ক্রিকেটের স্পিরিট বিবেচনায় নিজেদের দায়িত্বের কথা মনে রাখতে হবে।এজন্য ক্রিকেটারদের সতর্ক করে দিয়েছে সংস্থাটি।
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যকার অতীতের সুসম্পর্ক ও সহযোগিতামূলক মনোভাবের কথাও উল্লেখ করে বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, আমরা নিদাহাস ট্রফির একটা জমজমাট সমাপ্তির আশা করছি। এটা খুব প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ও সর্বজনগ্রাহ্য হয়েছে। এজন্য এসএলসি প্রশংসার দাবি রাখে। এই প্রতিযোগিতায় এসএলসির সঙ্গে সহযোগী হতে পারায় বাংলাদেশ দল গর্ববোধ করছে।
ওই দিন বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ ওভারে ইসুরু উদানা পর পর দুটি বাউন্সার দেন। লেগ আম্পায়ার দ্বিতীয় বাউন্সারকে নো-বল দেখিয়েছিলেন। কিন্তু মূল আম্পায়ার সেটা অগ্রাহ্য করেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় বলে রান আউট হয়ে যান মুস্তাফিজুর রহমান। ঠিক তখন হঠাৎ করে মাঠের পাশে নেমে আসেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। একটু পরেই মাঠে জড়ো হন আরো ক’জন। মাঠে মাহমুদউল্লাহ উত্তেজিত কণ্ঠে কথা বলছেন আম্পায়ারদের সঙ্গে। এ অবস্থায় মাঠ থেকে ব্যাটসম্যানদের চলে আসার ইঙ্গিত দেন সাকিব।
কিন্তু ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ ব্যাট করতে পাঠান মাহমুদউল্লাহকে। এরপরই যেন মধুর প্রতিশোধ নেন মাহমুদউল্লাহ। চার বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ১২ রান। চার, দুই এবং...ছক্কা! এক বল বাকি রেখেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন রিয়াদ।
ইত্তেফাক/কেআই
