জরাজীর্ণ নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবন

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৮, ০৩:০১

তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি জীর্ণ হয়ে পড়েছে। এদিকে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী এখনো বিনা বেতনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৪ সালে নিম্নমাধ্যমিক স্বীকৃতি পাওয়ায় সাতজন শিক্ষক ও দুজন কর্মচারী বেতনভুক্ত হয়েছেন। বাকিরা অবৈতনিকভাবে আশায় বুক বেঁধে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ২০০৩ সালে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক পর্যায়ে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে ইটের গাঁথুনি আর টিনের ছাউনি দিয়ে নির্মিত হওয়ার পর থেকে তার কোনো অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। একদিকে নিচু জায়গা অপরদিকে টিনের ছাউনির জরাজীর্ণ অবস্থা।

বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমন, নবম শ্রেণির মিম, অষ্টম শ্রেণির ফাইমা আক্তার রিয়া, সপ্তম শ্রেণির তামিম হাসান, ষষ্ঠ শ্রেণির জান্নাতুল শাফাসহ কয়েকজন জানান, বর্ষা মৌসুমে তিন/চার মাস ক্লাসরুম পানিতে তলিয়ে থাকে। কালবৈশাখী ঝড়ের মৌসুমে উপরের ছাউনি ভেঙে পড়েছে। ফলে প্রতি মুহূর্তে তারা ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাধু তপন কুমার জানান, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুত্ফুল্লাহ ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এসে বিদ্যালয়টি দেখে সরকারি অনুদান হিসাবে তিন বান টিন বরাদ্দ দিয়েছিলেন। এছাড়া  আর কোনো সরকারি অনুদান আমরা পাইনি। তিনি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক পর্যায়ের এমপিওভুক্ত এবং একটি ফ্যাসিলিটিজ ভবন বরাদ্দের দাবি জানান।

তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিয়ার রহমান জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিও বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা বিনা বেতনে চাকরি করছেন। সরকার ছাড়লে স্কুলটি এমপিও করার চেষ্টা করা হবে।

ইত্তেফাক/নূহু