ঝালকাঠিতে পাঁচ বছরেও ভাঙা ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেই

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৮, ০২:৫৪

ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের সংযোগ সড়কের পূর্ব আশিয়ার গ্রামে ভেঙে পড়া ব্রিজটি ৫ বছরেও নির্মাণ করা হয়নি। ফলে চরম দুর্ভোগে রয়েছে দুই ইউনিয়নের ৬ গ্রামের শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৮ সালে এলজিইডির আওতায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনা ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব আশিয়ার গ্রামের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া সংযোগ কালিজিরা  নদীর ওপরে এ ব্রিজটি নির্মিত হলে দুই ইউনিয়নের মানুষ যাতায়াত শুরু করে। কিন্তু এটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত এটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ না নেয়ায় ব্রিজটির ন্যায় এলাকার মানুষের যাতায়াত মুখ থুবড়ে পরে।

এছাড়া মাদকসেবীরা ব্রিজের খুঁটির এ্যাঙ্গেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় প্রায় ৫ বছর পূর্বে ব্রিজটি আকস্মিক ভেঙে পড়ে। ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের আশিয়ার ও মুড়াশাতা এবং গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের  বালিঘোনাসহ ৫-৬টি গ্রামের মানুষ এ ব্রিজের অভাবে সড়কপথে যাতায়াত করতে পারছে না। সময়মত স্কুল ও কলেজে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। বালিঘোনা গ্রামের কলেজ ছাত্র রবিউল ইসলাম বলেন, ব্রিজের অভাবে মাত্র কয়েক মিনিটিরে পথ অনেক দূর ঘুরে কয়েক কিলোমিটার পথ পায় হেঁটে প্রতিদিন কলেজে যেতে হচ্ছে। সময়মত কোনো ক্লাস করতে পারছি না। দ্রুত এই ব্রিজটি নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা মাসুম শেরওয়ানী বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার কারণে গাভারামচন্দ্রপুর ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। খুবই দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণ করা প্রয়োজন। ওই দুই ইউনিয়নের মানুষ এ সমস্যা সমাধানে শিল্পমন্ত্রীর আমির হোসেন আমু এমপির আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 বিনয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ব্রিজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণের জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করব। ঝালকাঠি সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আ. ছত্তার হাওলাদার বলেন, আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রকল্পে ব্রিজটি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছি।

ইত্তেফাক/নূহু