'দীর্ঘ বছর ধরে দাবি থাকলেও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি সরকার। তাই সংরক্ষণের অভাবে বিলুপ্ত প্রায় পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি' এমনটি মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার। তিনি বলেন, 'দীর্ঘ সময় পার হলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিও। চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার ফলে পাহাড়ে বৈসাবি উৎসবে কোন আনন্দ নেই।' পাহাড়ে বৈসাবি উৎসবে পাহাড়ের মানুষের মনে আনন্দ উল্লাস নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আজ সোমবার সকালে রাঙ্গামাটি পৌরসভা চত্বরে বিজু, সাংগ্রাইং, বৈসুক, বিহু, বিষু (বৈসাবি) চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঊষাতন তালুকদার এমপি এসব কথা বলেন। এসময় বিজু, সাংগ্রাইং, বৈসু, বিহু, বিষু উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও আদিবাসী ফোরামের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আহবায়ক প্রকৃতি রঞ্জন চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সদস্য বাঞ্চিতা চাকমা। এছাড়া আদিবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অরুন কান্তি চাকমা, রাঙ্গামাটি চাকমা সার্কেলের যুব রাজ আর্য্য দেব ত্রিভুবন রায় সহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
IMG0
এ আগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠেিদর প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু-সাংগ্রাইং-বৈসুক-বিহু অর্থাৎ বৈসাবি উৎসব পৌরসভা প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার সহ অন্যান্যরা। পরে রাঙ্গামাটি শহরে একটি বিশাল র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী চাকমা, মারমা, খুমী, ম্রো ও চাক, বম, খিয়াং, তঞ্চঙ্গ্যা, গুর্খা, অহমিয়া, পাংখোয়া ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। এসময় র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে গিয়ে শেষ।
ইত্তেফাক/এসএস
