কলারোয়ায় শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে কোদাল হাতে নিয়ে রাস্তা থেকে ইটভাটার কাদা-মাটি অপসারণ করলো। ইটভাটায় মাটি আনা-নেয়ার কাজে ব্যবহূত ট্রাক্টর আর ইঞ্জিন ট্রলির বেপরোয়া চলাচলে নাকাল স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষ। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পিচ্ছিল হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগীরা জানান, চলন্ত ট্রলি থেকে মাটি পড়ে পিচঢালা রাস্তা যেমন মাটি-কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে তেমনি ইটের সোলিং রাস্তা ও মাটির রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। এসকল যানবাহন চলাচলে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকলেও টাকা দিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দেদারছে চলাচল করছে দিনরাত। যেন দেখার কেউ নেই। এতে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনাও।
কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ইটভাটার কাজে নিয়োজিত মাটিবাহী যানবাহন থেকে পড়ে যাওয়া মাটির কারণে রোদ্রের সময় রাস্তা যেমন ধুলাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে ঠিক তেমনি সামান্য বৃষ্টিতেই সেই রাস্তা হয়ে ওঠে কর্দমক্ত। তখন পিচের পাকা রাস্তায় শুধু যানবাহন নয় হেঁটে গেলেও পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এমনই একটি চিত্র দেখা গেছে উপজেলার সোনাবাড়িয়া বাজারের পার্শ্ববর্তী সোনাবাড়িয়া হাইস্কুল সংলগ্ন পিচের পাকা রাস্তায়। গত সোমবারের সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে জনগুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তার উপর পড়ে থাকা ইটভাটার মাটিতে কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়ে পথচারী, স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা।
ইটভাটার মালিকদের চরম দায়িত্বহীনতা আর উদাসীনতায় ওই পরিস্থিতি সৃষ্টিতে স্থানীয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এগিয়ে না আসলেও মহতি উদ্যোগের হাত বাড়ায় স্কুল শিক্ষার্থীরা। তারা নিজেরা হাতে কোদাল নিয়ে রীতিমত রাস্তা থেকে কাদা-মাটি অপসারণ করে। উপযোগী করে তোলে যাতায়াতের।
ইত্তেফাক/নূহু
