পঞ্চগড়ের ৪টি সীমান্তে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের বাঙালিদের মিলনমেলা। সদর উপজেলার অমরখানা ও মাগুরমারী সীমান্তে এবং তেতুলিয়া উপজেলার সুকানি ও ভুতিপুকুর সীমান্তে রবিবার তাদের মিলিত হতে দেখা যায়।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্তির পর অনেকের আত্মীয়-স্বজন উভয় দেশে থেকে যায়। ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তে কাটাতারের বেড়া নির্মাণ করায় অনেকেরই যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। পাসপোর্ট করে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ভারত বা বাংলাদেশে যাতায়াত করে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই দুই বাংলার মানুষ এই বিশেষ দিনটিতে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পান।
পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল আল হাকিম মো. নওশাদ জানান, প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে সীমান্তে বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকদের মিলনমেলা হয়ে থাকে। দুই দেশের নাগরিকরা যাতে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পায় এজন্য আমরা বিএসএফ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এই মিলন মেলার আয়োজন করে থাকি।
ইত্তেফাক/আরকেজি
