আলমডাঙ্গার সন্তান দু'জন এ্যাডিশনাল আইজি সফিকুল ইসলাম ও অপরজন মীর শহিদুল ইসলামের মাদক বন্ধে পুলিশকে দেওয়া নির্দেশ পুরোপুরি সফলতা পাচ্ছে না। মাদক সম্রাজ্ঞী মিনি ও তার স্বামী আলাউদ্দিন এই সফলতার পথে বড় বাঁধা হয়ে দেখা দিয়েছে। মিনি ধরা-ছোঁয়ার বাইরে অবস্থান করে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার রাতে মিনির পরিবারের ৩ সদস্যসহ ৬ জনকে আটকের পর মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে মিনির পুরোপুরি হাত রয়েছে বলে তারা পুলিশকে জানিয়েছে। পুলিশ হন্যে হয়ে এখন মিনি ও আলাউদ্দিনকে খুঁজছে।
IMG0
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান ইত্তেফাককে জানান, মাদক ব্যবসা বন্ধে মিনি ও তার স্বামী আলাউদ্দিন বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা কুষ্টিয়ার একটি এলাকায় আস্তানা গেড়ে আলমডাঙ্গার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে। তাদের আস্তানার খবর ইতোমধ্যে পুলিশ জানতে পেরেছে। খুব দ্রুত এই দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করতে পুলিশ সক্ষম হবে।
আলমডাঙ্গার সন্তান এ্যাডিশনাল আইজি সফিকুল ইসলাম ও মীর সহিদুল ইসলাম দু'দফায় বাড়ি এসে পুলিশকে মাদক বন্ধে কড়া নির্দেশ দিয়ে যান। এরপর থেকে চলে মাদকের বিরূদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান। প্রায় শ'খানের মাদক ব্যবসায়ীকে জেল হাজতে যেতে হয়। মাদকসেবীরাও বাদ পড়ে না। তবে উপজেলার সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী মিনি ও তার স্বামী আলাউদ্দিন শহর ছেড়ে অজানা কোথাও চলে যায়। মিনির পরিবারের মোট ১১ সদস্য জামিনে বেরিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গোপনে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যেতে থাকে।
গতকাল রাতে থানার সেকেন্ড অফিসার জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে স্টেশনপাড়া থেকে ইয়াবা ও মদসহ মিনির মেয়ে আলো, তার স্বামী রুবেল, সেলিম, সমেজ, পল্টু ও আরতীকে আটক করে। আকটকৃতরা তাদের মাদক ব্যবসার পেছনে মিনির নেতৃত্ব রয়েছে বলে স্বীকার করে। এরপর থেকেই পুলিশ হন্যে হয়ে মিনিকে খুঁজছে।
ইত্তেফাক/নূহু
