কক্সবাজার শহরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় শুরু হয়েছে রাখাইন সম্প্রদায়ের জলকেলি উৎসব। মঙ্গলবার দুপুরে বৌদ্ধ মন্দিরস্থ কেন্দ্রিয় জলকেলি উৎসবের প্যান্ডেলে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাখাইন ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ক্যথিং অং। এরপরই রাখাইন পল্লীর ২০টি প্যান্ডেলে সানন্দে শুরু হয় জলকেলি উৎসব।
জানা যায়, ১৩৭৯ মগীসনকে বিদায় জানিয়ে ১৩৮০ মগীসনকে বরণ করার জন্য রাখাইন সম্প্রদায় প্রতিবছর নববর্ষ পালন করে থাকে। রাখাইন ভাষায় এ উৎসবকে বলা হয় মাহা সাংগ্রাই পোয়ে। এর বাংলা আভিধানিক অর্থ মৈত্রিময় জলকেলি উৎসব। ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত এই জলকেলি উৎসব চলবে। নববর্ষে রাখাইন বয়ষ্ক নারী-পুরুষরা উপবাসও করে থাকেন। এ সময় প্রাণী হত্যা, মিথ্যা বলাসহ কমপক্ষে ৮টি দুষ্কর্ম থেকে দূরে থাকতে হবে।
শহর ছাড়াও চৌফলদন্ডী, মহেশখালী, টেকনাফ সদর, হ্নীলা চৌধুরী পাড়া, রামু, পানিরছড়া, চকরিয়ার মানিক পুর, পেকুয়াসহ রাখাইন অধ্যুষিত এলাকা গুলোতে জুড়ে জলকেলি উৎসব শুরু হয়েছে।
১৩ এপ্রিল বুদ্ধের মূর্তিকে স্নান করানোর মাধ্যমে সামাজিক এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মূলত ১৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে মূল উৎসব। যা চলবে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত।'
কক্সবাজার পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন বলেন, রাখাইনদের জলকেলি উৎসব উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও মাঠে রয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
