হোমনা উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের তেভাগিয়া গ্রামে খালে ব্রিজ না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোতে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতে হচ্ছে উপজেলার পূর্ব-উত্তরাঞ্চলের এলাকাবাসীর। সাঁকোর স্থলে ব্রিজ নির্মাণে তাদের দাবি দীর্ঘ দিনের হলেও তা পূরণ হচ্ছে না।
তেভাগিয়া গ্রামের বাসিন্দা হোমনা ডিগ্রি কলেজের প্রবীণ শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান (৫৮) বলেন, আমরা ছোট বেলায় দেখেছি উপজেলার পূর্ব-উত্তরাঞ্চলের মানুষ খেয়া পার হয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করত। পরে ২০/২৫ বছর আগে গ্রামের লোকজন চাঁদা তুলে খালের ওপর কাঠের সাঁকো তৈরি করে। এরপর প্রতি বছরই সাঁকোটি মেরামত করতে হয়।
রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক মো. এমদাদ ভূইয়া জানান, বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় সাঁকো পার হয়েই ঘনিয়ারচর, দত্তেরকান্দি, কলাগাছিয়া, জয়নগরসহ প্রায় ৮/১০টি গ্রামের শিক্ষার্থীদের কষ্ট করে প্রতিদিন কলেজে আসতে হয়। সাঁকোর দুই পাশে আধা কিলোমিটার করে মোট এক কিলোমিটার সড়ক কাঁচা হওয়ায় কোনো সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করে না। ফলে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন পাঠান জানান, সাঁকোর স্থলে ব্রিজ নির্মাণ হলে এবং এর দুই পাশের কাঁচা সড়কটুকু পাকা হলেই পূর্ব-উত্তরাঞ্চলের ২০/২২টি গ্রামের মানুষ অল্প সময়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারবে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. জহিরুল হক জানান, ব্রিজ নির্মাণ এবং সড়ক পাকা করতে সার্ভে রিপোর্ট তৈরি করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলেই কাজ করা যাবে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
