কর অবকাশ সুবিধা চায় ট্যানারি মালিকরা

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০১৮, ২০:২৩
সাভারের চামড়া শিল্প নগরীর ব্যবসায়ীদের শতভাগ কর অবকাশ সুবিধা দেয়ার দাবি জানিয়েছে চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ব্যবসায়ী নেতারা। একই সঙ্গে ওই স্থানকে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ঘোষণা এবং চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার কেমিক্যাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাসের দাবি জানিয়েছেন তারা।
 
রবিবার রাজস্ব ভবন সভাকক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় বাংলাদেশ ট্যানারি এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, সাভারের চামড়া শিল্প নগরী স্থাপনের আগে উদ্যোক্তাদের বলা হয়েছিল, কর অবকাশ সুবিধা দেয়া হবে। এখনও সেটা করা হয়নি। স্থাপনা নির্মাণের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হচ্ছে। এতে উদ্যোক্তাদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। একটি কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ৩১ ধরনের কেমিক্যাল লাগে। ১৫৫টি ট্যানারির মধ্যে এসব কেমিক্যাল বন্ডের আওতায় আছে মাত্র ৩০টি প্রতিষ্ঠান। বাকিগুলোকে শুল্ক-কর দিয়ে আনতে হয়। শুধু এ কারণে অনেক ট্যানারি বন্ধের পথে। এ সমস্যা সমাধানে সাভারের চামড়া শিল্প নগরীকে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ঘোষণা করা যেতে পারে। 
 
প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। সভায় কোল্ডস্টোরেজ, পোল্ট্রি, বিস্কুট, এগ্রো প্রসেসিং, সার ব্যবসায়ী, বীজ ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা নিজ নিজ সংগঠনের বাজেট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
 
লেদার গুডস এন্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি নাসির খান বলেন, এ শিল্পের মাত্র ২০ শতাংশ পণ্য আমদানি করতে হয়। আমদানি প্রাপ্যতা দিতে বন্ড কমিশনারেট সময়ক্ষেপণ করে।অনেক ব্যবসায়ী পণ্য আমদানি করলেও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস নিচ্ছে না। এ কারণে রফতানিমুখী শিল্পের সংখ্যা ১৪০ থেকে কমে ২০টি দাঁড়িয়েছে। 
 
এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বলেন, সাভারে ট্যানারি শিল্পকে সফল করতে সুবিধা দিতে হবে।বন্ডের অসুবিধাগুলো দ্রুত দূর করা হবে।এ শিল্পের যারা বন্ড সুবিধা পায় না,তাদের ন্যূনতম শর্ত পালন সাপেক্ষে লাইসেন্স দেয়া যায় কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। 
 
ইত্তেফাক/এমআই