জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া বলেছেন, আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট হবে সর্ববৃহৎ, জনকল্যাণমুখী ও ব্যবসা বান্ধব। ব্যবসায়ী ক্ষেত্রে শুল্ক নির্ধারণে সমতা আনয়নে ঘাটতি পূরণে চেষ্টা করা হচ্ছে।
শুক্রবার বিকেলে বেনাপোল কাস্টম হাউস ক্লাবে আমদানি-রফতানিকারক, বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের সাথে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেনাপোল কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ এ সভার আয়োজন করে।
তিনি বলেছেন, ব্যক্তি পর্যায়ে আয়করের সীমা আড়াই লাখ টাকার পরিবর্তে সাড়ে তিন লাখ টাকা, বিদেশ ভ্রমণ কর প্রত্যাহার করা যায় কিনা তা বিবেচনাধীন আছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান আরো বলেছেন, এ বাজেটেও মূল্যসংযোজন করের ফ্লাট রেট ১৫ শতাংশ না হয়ে বর্তমানে বিদ্যমান বিভিন্ন সেবার জন্য ভিন্ন ভিন্ন হার করা হবে। আমদানি-রফতানিকারকরা যদি সঠিকভাবে রাজস্ব প্রদান করেন তাহলে রাজস্ব ঘাটতি হবে না। পরস্পর সৌহার্দ্য সম্প্রীতি বজায় রেখে ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ তৈরি করে রাজস্ব বৃদ্ধি করতে হবে।
প্রাক-বাজেট ও আলোচনা সভার মূল পর্বে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের উদ্ভাবন, সংস্কার, অর্জন ও পরিকল্পনা নিয়ে তথ্য উপস্থাপন করেন জয়েন্ট কমিশনার আ আ ম আমীমুল ইহসান খান এবং কাস্টম হাউজের পক্ষে বাজেট প্রস্তাব পেশ করেন অতিরিক্ত কমিশনার মো. জাকির হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে ২১টি প্রস্তাব পেশ করেন।
বেনাপোল কাস্টম কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক নীতি ও আইসিটি) মো. ফিরোজ শাহ আলম, সদস্য (কর-নীতি) কানন কুমার রায়, মো. সদস্য (মূসক নীতি) রেজাউল হাসান।
সভায় বক্তব্য রাখেন যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান, যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টকুন, বেনাপোল পৌর সভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা, বেনাপোল প্রেসক্লাবের সভাপতি মহসিন মিলন, ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের বন্দর সাব কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান প্রমুখ।
ইত্তেফাক/আরকেজি
