রংপুরের তারাগঞ্জ থানার ডাঙ্গিরহাট ইউনিয়নের নেকিরহাট সৈয়দপুর গ্রামে তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। আশংকাজনক অবস্থায় ওই ছাত্রী এখন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযুক্ত ধর্ষকের নাম জাহেদুল ইসলাম। সে একই গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ওই ছাত্রী বৃষ্টি পড়ার কারনে বাড়িতে পালন করা হাঁস-মুরগী পাশের ক্ষেত থেকে নিয়ে আসছিল। এ সময় বৃষ্টি আরো জোরে এলে মেয়েটি ঐ ধর্ষকের বাড়ির বারান্দায় দাঁড়ায়।
পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে ধর্ষক ঐ ছাত্রীকে নিজের ফাঁকা ঘরে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটিকে তার পরিবারের লোকেরা খুঁজতে এসে ওই বাড়িতে পায়। তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
ধর্ষণের শিকার ঐ ছাত্রী জানান, "বৃষ্টিতে তোমার সারা শরীর ভিজে গেছে এই কথা বলে আমাকে ঘরের ভিতরে নিয়ে খারাপ কাজ করে।"
শিশুটির অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনের কারনে শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক। তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে ৩ ঘন্টা ধরে অপারেশন করার পর তার রক্ত পড়া বন্ধ হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। বর্তমানে শিশুটিকে পোষ্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
এ খবর লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের হয় নি।
ইত্তেফাক/নূহু
