হাওরাঞ্চলের ধানে পাল্টে গেছে আশুগঞ্জের ধানের মোকাম

আপডেট : ০৪ মে ২০১৮, ১১:৫৪
হাওরাঞ্চলের ধানে পাল্টে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের মোকামের চিত্র। উৎপাদন ভালো হওয়ায় প্রাণ ফিরে এসেছে দেশের অন্যতম ধানের এ মোকামে।
 
গত বছর যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিদিন ৫/১০ হাজার মণ ধান আসত, এখন সেখানে প্রতিদিন ৫০/৬০ হাজার মণ ধান আসছে। প্রকৃত মূল্য না পাওয়ায় অনেকটাই হতাশ তারা। অন্যদিকে চাল আমদানি বন্ধসহ সরকারি ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর দাবি মিল মালিকদের।
 
সংশ্লিষ্ট অধিদফতর জানিয়েছে, সরকারিভাবে চালের আমদানি বন্ধ রয়েছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ ধান চালের মোকাম আশুগঞ্জের বিওসি ঘাট এলাকা। প্রতিদিন এখানে কিশোরগঞ্জ, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহসহ দেশের হাওরঅঞ্চলের বিভিন্নস্থান থেকে কৃষকরা নৌকা দিয়ে এ মোকামে প্রতিদিনই নিয়ে আসছেন নতুন ধান।
 
চলতি মৌসুমে হাজার হাজার মণ নতুন ধান মোকামে আসলেও কৃষকদের দাবি উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেকটাই কম মূল্যে তাদের ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। বর্তমানে সেখানে প্রতিমণ ধান ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ তাদের উৎপাদন খরচ পড়েছে মণপ্রতি ৭০০ টাকার মতো।  গত সপ্তাহেও প্রতিমণ ধান তারা ৬৭৫ টাকা বিক্রি করলেও এখন মণপ্রতি ১০০ টাকা কমে গেছে। বিরূপ আবহাওয়ার কারণে ধান কম মূল্যে বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে তারা। এছাড়া পাইকারদের দাবি মিলগুলোতে পর্যাপ্ত চাল মজুদ থাকায় মিল মালিকরা এখন ধান ক্রয়ে আগ্রহী নন।
 
জেলা খাদ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বোরো সংগ্রহ অভিযান শুরু হলে ধানের বাজারদর বাড়বে। সে সাথে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিতে প্রয়োজনে সরকারিভাবে ধানক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিতে আনা হবে।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি