ভোলার দৌলতখানে শুক্রবার ছেলের হাতে মা নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। নিহতের মেয়ে শনিবার দুপুরে বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
এদিকে মাকে হত্যার পর ছেলে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এসময় পুলিশ তাকে আটক করেছে। পরে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, মৃত আবদুল কুদ্দুস মৌলভীর ৪ মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলে রেজাউল সম্প্রতি বিদেশ থেকে দেশে আসেন। তার স্ত্রী ও সন্তান থাকেন বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। রেজাউল নিজের অংশের জমি বিক্রি করে দেন। তার মায়ের জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। সর্বশেষ শুক্রবার সন্ধ্যায় মাগরিব নামাজ শেষ করে বকুল বেগম (৫০) জায়নামাজে বসে দোয়া পড়ছিলেন। এ সময় রেজাউল (২৮) তাকে ডেকে বলেন, আমি এ ঘর বিক্রি করে ফেলেছি। তুমি ঘর ছেড়ে চলে যাও। এ সময় তার মায়ের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রেজাউল তার মায়ের গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে রেজাউলের হাতে থাকা ছুরি তার নিজের বুকে ঢুকিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান। রেজাউলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুলিশ প্রহরায় ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন।
দৌলতখান থানা ওসি এনায়েত হোসেন জানান, বকুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের মেয়ে আমেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি
