প্রেমের টানে খুলনা থেকে আসার পর রাজশাহীতে গণধর্ষণের শিকার নারীর মায়ের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে আপোস করার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা শনিবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওসিসি থেকে মেয়েকে বুঝে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। মেয়েটি থানায় মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তার মায়ের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসি হুমায়ুন কবির।
উল্লেখ্য, নগরীর চন্দ্রিমা থানার মুসরইল এলাকায় দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে (৩৫) গত ২ মে থেকে রামেক হাসপাতালের ওসিসি হেফাজতে দেয় পুলিশ। সেখানেই তার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। ওই নারী নিজে থানায় গিয়ে ধর্ষণের কথা জানালে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ তাকে ওসিসিতে পাঠায়।
চন্দ্রিমা থানার ওসি বলেন, গত শুক্রবার রাতে মেয়েটির মা ঢাকা থেকে রাজশাহী আসেন। তাকেও মামলা করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজি হননি। তিনি বলেন, এর আগেও মেয়েটি বাড়ি থেকে চলে গিয়ে এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। পরে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই নারীকে তার মায়ের হেফাজতে দেয়া হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ধর্ষকদের মধ্যে কয়েকজন স্থানীয় প্রভাবশালী পরিবারের ছেলে। তারা সবাই স্কুল ও কলেজের ছাত্র। পরিবারের সদস্যরা পুলিশের মাধ্যমে ধর্ষিতার মাকে ম্যানেজ করে লাখ টাকায় আপোস রফা করে নিয়েছে। তবে ওই নারীর মা কত টাকা পেয়েছেন তা সূত্রটি জানাতে পারেনি। এ ব্যাপারে মেয়েটির মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত ২ মে সকালে ওই নারী চন্দ্রিমা থানায় গিয়ে জানায়, সে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। চার যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে।
ইত্তেফাক/নূহু
