নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু'পক্ষের মধ্যে টেঁটা যুদ্ধে নারীসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরাঞ্চলের চরদীঘলদী ইউনিয়নের অনন্তরামপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন- মোসারিমা (৪০), মজিবুর (৫০), দাইয়ান (৩২), মমিন মিয়া (৩২), মোক্তার হোসেন (৩২), নাজিম উদ্দিন (৩০), রিতা (১৮), আলী হোসেন (৪২), দেলোয়ার (৪০), ইসমত আকন্দ (৪০), মোহাম্মদ আলী (২২), বিল্লাল মিয়া (৩৫), শাহিনুর (৪০), আতাবর (৫৫), মালেক মিয়া (২৫), হাবিব মিয়া (৪৫), হানিফা (৪০), শুক্কুর আলী (২৩), মোবারক (১৮), শ্রীফর আলী (৩৪) ও গোলজারকে (২৬)। তারা সকলে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চরদীঘলদী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মিয়া চাঁন গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। সম্প্রতি আলমগীরের সমর্থক জাফর ও মিয়া চাঁনের সমর্থক আওলাদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধ বাধে। এরই জের ধরে আজ মঙ্গলবার সকালে অনন্তরামপুর বাজারের একটি চা স্টলে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের সমর্থকরা টেঁটা বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে অন্তত ৩৫ জন আহত হন। পরে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় ১৮ জনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ও ১৫ জনকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইলিয়াছ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, দু'পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। আজ মঙ্গলবার সকালে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে এ সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসএস
