কক্সবাজারের টেকনাফে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে উত্তেজনার জের ধরে হামলায় ২ জন আহত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে ভাংচুরের ঘটনায় বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
জানা যায়, টেকনাফ বাহারছড়া শামলাপুর বাজারে গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় এক ইউপি মেম্বারের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে টেকনাফ বাহারছড়ায় শামলাপুর বাজারে জুমপাড়ার ভাড়াটে সশস্ত্র সন্ত্রাসী আব্দুল জাব্বারের পুত্র খোরশেদ আলম, ফরিদ আলম গংয়ের হামলায় পশ্চিম পাড়ার আব্দুস সালামের পুত্র শামীম, মৌলভী মাহফুজের পুত্র তোফাইল আহত হয়। এরপর হামলাকারীরা স্থানীয় মৃত হাজী মকবুল আলীর পুত্র নজির আহমদ, মৌলভী ছৈয়দ করিম, আব্দুস সালামের বসতবাড়ি ও শামলাপুর দারুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ মূল্যবান আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা ছৈয়দ করিম ও সুপার আবু ছিদ্দিক জানান, শিবির ক্যাডার কামরুল হাসান খোকনের নেতৃত্বে হামলাকারীরা মাদ্রাসায় ঢুকে বঙ্গবন্ধুর ছবি, চেয়ার, বেঞ্চ ভাংচুর করে ছাউনি উপড়ে ফেলে এবং মাদ্রাসার ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপও ছিনিয়ে নেয়। হামলার পর গুরুতর আহত তোফাইলকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ, কোস্টগার্ড ও বিজিবি ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
মঙ্গলবার দুপুরে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাসান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেন। এই ঘটনায় তিনি জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ প্রদান করে টেকনাফ মডেল থানা অফিসার্স ইনচার্জকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ইত্তেফাক/নূহু
