৬ জেলায় আজ বুধবার বজ্রপাতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় এক ব্যক্তি, গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় কৃষিশ্রমিক, রাজশাহীর তানোরে কিশোরসহ দুইজন, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর ও সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে দুই কৃষক এবং কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ছাত্র মারা গেছেন।
ময়মনসিংহ: সদর উপজেলার চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নে আলাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। এছাড়া ভালুকা ও মুক্তাগাছা উপজেলায় আরো ১২ আহত হয়েছে। আহতদের নামপরিচয় জানা যায়নি।
গাইবান্ধা: ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে মহর আলী (৩৫) নামের এক কৃষিশ্রমিক মারা গেছেন। উপজেলার পশ্চিম ছালুয়া গ্রামে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মহর আলী চর কাবিলপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।
মানিকগঞ্জ: দৌলতপুর উপজেলায় আজ বুধবার সকালে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী শেখ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের কৈল হাসাদিয়া গ্রামের মৃত হাফেজ শেখের ছেলে। বাচামারা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম জানান, ইয়াকুব কৃষি কাজে ব্যবহৃত শ্যালো ইঞ্জিন চালিয়ে ইরি ধানক্ষেতে পানি দিয়ে বাড়ি ফেরার সময়ে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
সিরাজগঞ্জ: কাজিপুরে বজ্রপাতে সমতুল্লাহ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের পানাগাড়ি চরে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পানাগাড়ি চরে নিজের ক্ষেতে কাজ করছিলেন সমতুল্লাহ। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
তানোর (রাজশাহী): তানোরে বুধবার সকালে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে কৃষক ও কিশোর মারা গেছেন। তারা হলেন- উপজেলার কৃষক আনসার আলী (৩০) এবং সোহাগ আলী (১৬)। সোহাগ উপজেলার দুবইল পূর্বপাড়া গ্রামের শামসুদ্দিন আলীর ছেলে আর বাতাসপুর গ্রামের লোকমান আলীর ছেলে আনসার আলী। উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. এনামুল হক বলেছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ওই দুই পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ (নিকলী): উপজেলার ছাতিরচর হাওর থেকে বুধবার দুপুরে ধান আনার সময় বজ্রপাতে মারা গেছেন শাজালাল মিয়া (২৭) নামের এক ছাত্র। তিনি করিমগঞ্জ পলিটেকনিক্যাল কলেজের ছাত্র ছিলেন এবং ছাতিরচর গ্রামের মাইন উদ্দিন মিয়ার ছেলে। নিকলী থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন ভ‚ইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি/এসএস
