ঘরের মাঠে ছোট বাউন্ডারির কারণে টসে জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। তাদের এই পরিকল্পনা ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে চলতি পাঞ্জাবের সামনে আসরের দলীয় সর্বোচ্চ ২৪৫ রানের পাহাড় দাঁড় করিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
জয়ের ধারায় ফিরতে রেকর্ড গড়তে হতো স্বাগতিক পাঞ্জাবকেও। আর সে চ্যালেঞ্জে খেলতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২১৪ রান করে দলটি। ফলে ৩১ রানে হার মানতে হয়েছে তাদের।
লোকেশ রাহুল ও রবীচন্দ্রণ অশ্বিন ঝড় তুললেও বড় লক্ষ্যের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। রাহুল ২৯ বল থেকে দুটি চার ও সাতটি ছক্কার মারে করেন ৬৬ রান। শেষ দিকে অশ্বিন ২২ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কার মারে ৪৫ রান করেন। এর বাইরে ২০ বল থেকে তিন ছক্কায় ৩৪ রান করেন অ্যারন ফিঞ্চ। কলকাতার আন্দ্রে রাসেল তিনটি ও প্রাসিদ কৃষ্ণ দুটি করে উইকেট নেন।
এর আগে কিংস অধিনায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিনের আমন্ত্রণে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে কলকাতা। শুরুতেই ঝড় তোলেন সুনীল নারিন। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত সূচনা পায় কেকেআর। উদ্বোধনী জুটিতে ৩২ বলে ৫৩ রান যোগ করেন ক্রিস লিন এবং নারিন। ১৭ বলে ২৭ রান করে ফিরে যান লিন।
দ্বিতীয় উইকেটে আরো বেশি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন নারিন এবং রবিন উথাপ্পা। মাত্র ৩৭ বলে ৭৫ রান যোগ করেন এই দু’জন। দলীয় ১২৮ রানের মাথায় সাজঘরের ফেরার আগে ৯ চার এবং ৪ ছক্কার মারে ৩৫ বল থেকে ৭৫ রান করে আউট হন নারিন। একই ওভারে সাজঘরে ফেরেন ১৭ বলে ২৪ রান করা উথাপ্পাও।
কলকাতার ইনিংসের বাকি পথ এগিয়ে নেন অধিনায়ক দিনেশ কার্তিক এবং ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৩১ বলে ৭৪ রানের জুটি গড়েন এই দু’জন। রাসেল ১৪ বলে ৩১ এবং কার্তিক খেলেন ২৩ বলে ৫০ রানের ইনিংস।
শেষদিকে শুভমান গিল এবং জ্যাভন সেয়ারলেসের ব্যাটে ২৪৫ পর্যন্ত পৌঁছায় কলকাতার ইনিংস। ইনিংসের শেষ বলে স্ট্রাইক পেয়ে ছক্কা মারেন সেয়ারলেস, ৮ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন গিল। কিংসদের পক্ষে অ্যান্ড্রু টাই ৪টি উইকেট নেন।
এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতার অবস্থান এখন চতুর্থ স্থানে।
ইত্তেফাক/কেআই
