কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) তিনটি বাসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার বিকালে নগরীর পুলিশ লাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে।
সংঘর্ষ চলাকালে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়াসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে কুবির শিক্ষার্থীরা পুলিশ লাইন এলাকায় প্রায় ১ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে। কুমিল্লা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা এ হামলা চালায় বলে কুবির শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা ক্লাশ শেষে নগরীতে ফিরছিলাম। এ সময় আমাদের গাড়িতে অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, হামলার কারণ জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয়পক্ষকে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ভাঙচুরকৃত গাড়ি পুলিশ লাইনের ভেতর রাখা হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরী জানান, ঘটনার বিষয়ে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে। কি কারণে ঘটনাটি ঘটেছে এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। সোমবার ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
