দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির চেষ্টাকালে স্কুলছাত্রী উদ্ধার

আপডেট : ১৪ মে ২০১৮, ১৭:৪৫
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির চেষ্টাকালে এক স্কুলছাত্রীকে স্থানীয় একটি এনজিওর সহায়তায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় মিতু বেগম (২৩) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার উত্তর আড়া গ্রামের আইয়ুবের মেয়ে।
 
উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্রী জানায়, সে নাটোর জেলা সদরের দিঘাপতি এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে। দারিদ্র্যের কারণে লেখাপড়া ছেড়ে কাজের খোঁজে স্থানীয় এক মহিলার সঙ্গে সে ঢাকার মিরপুরে এক বাসায় আসে। ওই বাসা থেকে বাইরে বের হলে তার পরিচয় হয় গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাবলুর সাথে। বাবলু তাকে ভালো বেতনে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ফুঁসলিয়ে গত রবিবার বিকেলে দৌলতদিয়ায় নিয়ে আসে।
 
স্কুলছাত্রী আরো জানায়, পাটুরিয়া আসার পর বাবলু তাকে মিতুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় এবয় দৌলতদিয়ায় যেতে বলে। দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর কাছাকাছি পৌঁছুলে মিতুর সাথে ওই স্কুলছাত্রী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বাকবিতণ্ডা শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয় একটি বেসরকারী সংস্থার কর্মীদের নজরে আসে। তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার ও মিতুকে আটক করে।
 
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, মানব পাচার আইনে আটককৃত মিতু বেগমতে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সোমবার উদ্ধার হওয়া কিশোরী ও গ্রেফতার মিতুকে রাজবাড়ীর মূখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/নূহু