বিদ্যালয়ের রাস্তা কাদা-পানিতে ভরা

আপডেট : ১৬ মে ২০১৮, ১৮:৩১
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার রায়সা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৭৪ জন শিক্ষার্থীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্কুলটিকে আসা-যাওয়ার দুটি রাস্তাই কাদা-পানি ভরা। এই কাদা-পানির ভেতর দিয়েই ২৭৪ জন শিক্ষার্থীকে স্কুলে যেতে হচ্ছে।
 
দুই বছর ধরে একাধিকবার সড়ক দুটির মাপজোক করা হলেও এর কোন সুরাহা হয়নি বলে জানিয়েছেন চরম ভোগান্তির শিকার শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী।
 
উপজেলা প্রকৌশলী সুপ্রিয় মুখার্জিকে সড়ক দুটির অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি হননি।
 
রায়সা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ইত্তেফাককে জানান, প্রায় দুই বছর ধরে মাঝেমধ্যে সরকারী লোকজন রাস্তা দুটির মাপজোক করে যান। দৃশ্যমান অগ্রগতি এই পর্যন্তই। তিনি জানান, পুরো বর্ষাজুড়ে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। ক্লাশে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যায়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এতে শিক্ষার মানোন্নয়ন সমুন্নত রাখা কিভাবে সম্ভব?
 
খাসকররা ইউনিয়নের একটি গ্রাম রায়সা। খাসকররা বাজার থেকে করিমপুরপাড়া পার হয়েই রায়সা গ্রাম শুরু। সরেজমিনে দেখা গেছে, গ্রামটির বালিশিশিপাড়া, বড়দাড়িপাড়া ও সানবাঁধাপাড়ার প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা কাদা-পানিতে ভরা। চোখে দেখে রাস্তা দুইটিকে আর রাস্তা বলা যায় না। কাদা-পানিতে ধান লাগানো আবাদি জমির মত হয়ে গেছে। গ্রামবাসী তাদের জন্মের পর থেকেই এই রাস্তা দিয়ে কাদা-পানি মেখে চলাচল করে আসছেন। অনেক দুঃখ প্রকাশ করে একজন গ্রামবাসী বললেন, এটা তাদের কপালের ফের। 
 
তবে প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানালেন, জাতীয় সংসদের হুইপ সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দার চুয়াডাঙ্গার সড়ক উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছেন। অথচ রায়সা গ্রামের এই দুইটি রাস্তা জন্মাবধি এখন পর্যন্ত কাদাই থেকে গেছে। তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর গাফিলতির কারনে রাস্তা দুটির কাজ হয়নি অভিযোগ করে হুইপ সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। 
 
ইত্তেফাক/নূহু