বিয়ে করার কথা বলে প্রতারণার অভিযোগে তরুণীর দায়ের করা মামলার পাঁচদিন পর ওই তরুণীকে বিয়ে করেছেন শরীফ মিয়া। বুধবার রাতে সাতগ্রাম ইউনিয়নের মেরাটেক এলাকায় তরুণী পিত্রালয়ে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেনমোহার ধার্য্য করে বিয়ে সম্পন্ন হয়।সাতগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অদুদ মাহমুদ বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, প্রায় এক বছর ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে একই গ্রামের শরীফ নামের যুবকের প্রেমের সম্পর্ক চলতে থাকে। এর মধ্যে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে শরীফ তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে ওই তরুণী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে শরীফকে বিয়ের জন্য ওই তরুণী চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। কিন্তু শরীফ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে এই ঘটনাটি ধর্ষকের পরিবারকে জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে তরুণীর বাড়ীতে হামলা চালিয়ে তরুণী ও তার পরিবারের লোকজনকে পিটিয়ে আহত করে।
এ ঘটনার পর গত ১১ মে নির্যাতিতা তরুণী নিজেই বাদী হয়ে শরীফ মিয়াকে আসামি করে থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
তাই স্থানীয়রা বলছেন, জেলহাজতের পরিবর্তে শরীফ এখন বাসর ঘরে।
ইত্তেফাক/নূহু
