চুনারুঘাটে পঞ্চম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর ধর্ষক গ্রেফতার

আপডেট : ২০ মে ২০১৮, ১৭:২৭
 
চুনারুঘাটে জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে ৫ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামি উজ্জল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় সীমান্ত এলাকা ছয়শ্রী গ্রাম থেকে চুনারুঘাট থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান একদল পুলিশ নিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন। উজ্জল উপজেলার পৌর শহরের বন্যা আশ্রয়ণের সিরু মিয়ার পুত্র।
 
ধর্ষণের অভিযোগে মেয়েটির পিতা বাদী হয়ে ২ সন্তানের জনক লম্পট উজ্জল মিয়া (৩৫) ও তার স্ত্রী মাফিয়াকে (২৫) আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। ওই কিশোরী হাজী ইয়াছিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী।
 
জানা গেছে, দারিদ্র্যের কারণে তার পিতা পরিবার পরিজন বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্রে বাস করতেন। পাশের কামরায় বাস করত ধর্ষক উজ্জ্বল মিয়া। ঘটনার পর ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল উজ্জল।
 
কিশোরীর বাবা করাতকল মিস্ত্রী মোঃ মুছা মিয়া জানান, ৩ মে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বোরো ধান উঠানো শ্রমিক হিসেবে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন যান। পড়ালেখার কথা চিন্তা করে মেয়েটিকে পাশের ঘরে ধর্ষকের স্ত্রী মাফিয়া ও বোন আফিয়ার কাছে রেখে যান। এ সুযোগে উজ্জল মিয়া মেয়েটিকে জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে মেয়েটি ধর্ষকের স্ত্রী মাফিয়াকে বিয়ষটি অবগত করে। এ সময় মাফিয়া বিষয়টি কাউকে বলতে মানা করে। এরই মধ্য মেয়েটির বাবা বাড়ি এসে তার কন্যাকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। মেয়েটি বাবাকে সবকিছু জানায়।
 
ঘটনাটি জানাজানি হলে ও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকায় আলোচনার ঝড় ওঠে। গত ১৪ মে স্কুল ছাত্রীর বাবা মুছা মিয়া ২ জনকে আসামি করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
 
এ ঘটনার পর আসামি উজ্জ্বল আত্মগোপন করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
 
ইত্তেফাক/নূহু