এক মণ ধানের দামেও মিলছে না একজন শ্রমিক

আপডেট : ২৪ মে ২০১৮, ১৭:০৪
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে এখন মাঠে পাকা ধান। কিন্তু কৃষি শ্রমিক সংকটে পাকা ধান কাটতে না পেরে সমস্যায় পড়েছে অনেক কৃষক। কৃষি শ্রমিক যে কয়জন পাওয়া যায় তাদের প্রতি জনের মূল্য এক মণ ধান বিক্রি করলেও হচ্ছে না। শ্রমিক মিললেও তাদের জন প্রতি দিতে হচ্ছে সাড়ে ৬শ থেকে ৭শ টাকা। সঙ্গে দিতে হচ্ছে দুই বেলা খাবার। এতে কৃষকের মজুরি ৮শ টাকা পড়ে যাচ্ছে।
 
বর্তমান বাজারে বিভিন্ন ধানের দর ৬শ থেকে ৭শ টাকা মণ। জমি চাষ, সেচ, চার, সার কীটনশক, রোপা শ্রমিক ইত্যাদি অন্য খরচ তো আছেই।
 
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি বেরো মৌসুমে এ উপজেলায় ৬ হাজার ৯শ মেট্রিক টন ধান আবাদ হয়েছে। এতে কৃষকরা ৩৫ হাজার টন ধান পাবেন বলে তারা আশাবাদী। 
 
কৃষকরা জানায়, কম বেশি সব জায়গায় বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। যে কারণে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বেশি টাকা দিয়ে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে।
 
উপজেলার ধোপাকান্দি গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন সরকার জানান, আমি এ মৌসুমে ৬০ বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছি। কিন্তু শ্রমিকের যে দর তাতে সব খরচ মিলে আমাকে লোকসান গুণতে হবে।
 
উপজেলা কৃষি অফিসার আনোয়ার সাদাত জানান, খামার যান্ত্রিকীকরণের প্রকল্প ২য় পর্যায়ের আওতায় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ৫০ শতাংশ ভর্তুকি মূল্যেকৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে। খামার যান্ত্রিকীকরণ ঠিকমতো করা হলে ভবিষ্যতে আর শ্রমিক সংকট হবে না। ইতিমধ্যে উপজেলা ২টি 'কম্বাইন হারভেস্টার' বিতরণ করা হয়েছে। কম্বাইন হারভেস্টার ২টি কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
 
ইত্তেফাক/নূহু