রবীন্দ্রনাথ তার সময়ের তুলনায় এক শতাব্দী এগিয়ে ছিলেন: ড. আতিউর

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৩৮

রবীন্দ্রনাথের গভীর জীবনবোধ সম্পন্ন চিন্তা-ভাবনা আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ তার চিন্তা ও দর্শনের পেছনে ছিলো গভীর দৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে বিশেষত পূর্ব বাংলার মানুষের জীবন ও সংগ্রামকে খুব কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা। তাই তার লেখা ও বক্তৃতায় মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিষয়গুলো সবসময় মূল মনোযোগের জায়গায় থেকেছে। এ কারণে আজ বহু বছর পরে মূল ধারার উন্নয়ন ভাবনায় যে বিষয় গুলো সামনে আসছে সেগুলো নিয়ে রবীন্দ্রনাথ এক শতাব্দী আগেই ভেবেছেন, কাজ করেছেন। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) কোলকাতায় আইসিসিআর মিলনায়তনে ‘ওয়ার্কিং টুয়ার্ডস আওয়ার সাসটেইনেবল ফিউচার’ শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ কনটেম্পোরারি ম্যানেজমেন্ট এন্ড রিসার্চ (আইআইসিএমআর) আয়োজিত এ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কণিকা চ্যাটার্জি এবং পেপারকাপের প্রতিষ্ঠাতা শমরিতা গুহ।

সেমিনারের সভাপতি অধ্যাপক ড. কণিকা চ্যাটার্জি বলেন, শিশুরা টেকসই উন্নয়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাগীদার, আর তাই তাদের চাওয়া-পাওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে হবে। স্বাগত বক্তব্যে আইআইসিএমআর-এর সভাপতি অধ্যাপক অরূপ চৌধুরী বলেন, টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক নীতি সিদ্ধান্ত গুলোকে অবশ্যই গবেষণা ভিত্তিক হতে হবে।

আরও পড়ুন: মুক্তির একদিনের মধ্যেই অনলাইনে ‘কলঙ্ক’ ফাঁস!

ড. আতিউর আরও বলেন, রবীন্দ্র ভাবনা মূলত দুটি শতাব্দীর সম্মিলিত ফলাফল। তিনি দুটি মহাযুদ্ধের বেদনা ও হতাশার অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছেন। এমন একটি সময়ে তিনি ভেবেছেন এবং লিখেছেন যখন পশ্চিমা বিশ্ব দুর্বার বিশ্বায়ন ও শিল্পায়নের পাশাপাশি বল্গাহীন পুঁজিবাদের অবধারিত নেতিবাচক ফলাফল অবলোকন করছিলো। অন্য দিকে তার নিজের দেশে ‘বাংলার রেনেসাঁ’র ফলে স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য নব আকাঙ্ক্ষার উন্মেষ ঘটছিলো। 

ইত্তেফাক/অনি