পূর্বধলায় এমপির এপিএসসহ তিন ব্যক্তি আটকের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

আপডেট : ২৫ মে ২০১৮, ২২:৩২

নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের (বীর প্রতীক) এর ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস), পূর্বধলা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক সেলিম জাহাঙ্গীর ও পূর্বধলা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমীন খান পাঠান শওকতসহ তিন ব্যক্তিকে ডিবি পুলিশ আটক করে। এ ঘটনায় শুক্রবার দলীয় নেতাকর্মীরা সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে ডিবির ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানায়।

জানা যায়, নেত্রকোনা ডিবি পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমীন খান পাঠান শওকত, পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সেলিম জাহাঙ্গীর, গিরিয়াশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুল আওয়াল তালুকদারকে তাদের বাসা থেকে আটক করে থানায় নিচ্ছিল। পথে পুলিশ নূরুল আমীন খান পাঠান শওকতকে ছেড়ে দেয়া হয় এবং অন্য দুইজনকে থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে শুক্রবার সকালে থানা পুলিশ  ওই দুইজনকেও থানা থেকে ছেড়ে দেয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে দলীয় নেতাকর্মীরা নেত্রকোনা-পূর্বধলা সড়কের চৌরাস্তায় ভোর ৬টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে। অবরোধকারীরা টায়ারে আগুন ধরিয়ে, সড়কের মাঝে ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। জারিয়া-ময়মনসিংহ রেল পথে পূর্বধলা স্টেশনে ঢাকা থেকে জারিয়াগামী বলাকা কমিউটার ট্রেন আটকিয়ে রাখে। এ সময় তারা নেত্রকোনা ডিবির ওসি আমীর তৈমুর ইলী, এসআই শরিফুল ইসলামের প্রত্যাহার দাবি করে।

নেত্রকোনা সদর সার্কেল এএসপি মো. ফখরুজ্জামান জুয়েল দুপুরে অবরোধস্থলে পৌঁছে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিলে অবরোধকারীরা তাদের কর্মসূচী প্রত্যাহার করে। এদিকে ডিবির এসআই শরিফুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে।

নেত্রকোনা ডিবির ওসি আমীর তৈমুর ইলী তিনজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদেরকে আটক করা হয়েছিল। উপরের নির্দেশে পরে একজনকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকী দুইজনকে থানা পুলিশের কাছে দেয়া হয়। কেন তারা ওই দুইজনকে ছেড়ে দিয়েছে এ বিষয়টি আমার জানা নেই।

এ ব্যাপারে পূর্বধলা থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, আটককৃত দুই ব্যক্তির বিরদ্ধে থানায় কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু