অভিনব কায়দায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অত্যাধুনিক ডিভাইস বিক্রির সময় দুই প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে রংপুর জিলা স্কুলের মাঠ থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- পীরগাছা উপজেলার কইকুরী ইউনিয়নের বলিহার গ্রামের মৃত. আজিজার রহমানের ছেলে লাবলু মিয়া (৩৫) এবং কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট থানার সিঙ্গিমারী সিনাইগেট এলাকার ব্র্যাক ব্যাংকে কর্মরত সন্তোষ কুমারের ছেলে সুকুমার রায়। এদিকে আটককৃতদের কাছ থেকে প্রশ্ন ফাঁসের বিভিন্ন তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কোতোয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নের বিনিময়ে তারা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন। শিক্ষার্থীদের মূল সনদ নিজেদের জিম্মায় রাখতেন। টাকা পাওয়ার পর সনদ ফিরিয়ে দেয়া হতো। হোয়াটস অ্যাপে পাঠিয়ে দেয়া হতো প্রশ্নপত্রের লিঙ্ক। ‘এমএলএম পদ্ধতি’তে চালানো হয়েছে এ প্রতারণা। এমনকি এটিএম কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড সাদৃশ্য বিশেষ প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে প্রশ্ন ফাঁসের কাজে !
আটককৃত লাবলু বলেন, ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের শর্ত দেয়া হয়েছিল, কেউ যদি প্রশ্ন কেনার জন্য আরও পাঁচজনকে এনে দিতে পারে তাহলে তাকে টাকা ছাড়াই প্রশ্ন দেয়া হবে।
প্রশ্ন ফাঁসের নতুন অস্ত্র
কেবল এমএলএম পদ্ধতিতেই জালিয়াতি নয়। এটিএম কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড সাদৃশ্য বিশেষ প্রযুক্তিকেও বানানো হয়েছে প্রশ্ন ফাঁসের অস্ত্র! দেখে মনে হবে ক্রেডিট কার্ড। এটি মানিব্যাগে ভরে পরীক্ষার হলে ঢুকে পড়লে হয়তো কেউ সন্দেহই করবে না। কিন্তু এর সঙ্গে যখন যুক্ত হবে এয়ারপিস, যেটির মাধ্যমে কানে কানে বলে দেবে প্রশ্নের উত্তর।
ইত্তেফাক/এসএস
