কালবৈশাখী ঝড়ের ১মাস পরেও রাস্তা থেকে সরানো হয়নি গাছ

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৮, ১৯:৩৯
নীলফামারীর জলঢাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের প্রায় ১মাস পরেও সরানো হয়নি রাস্তার মাঝখানে পড়ে থাকা গাছ। এতে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারনে-চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। 
 
উল্লেখ্য, গত ১০ মে রাতে জলঢাকা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। ওই ঝড়ে গোটা উপজেলা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এতে কয়েক হাজার ঘরবাড়ীসহ নষ্ট হয় ভুট্টা ও ধানক্ষেত। ব্যাপক ক্ষতি হয় গাছপালার, এর মধ্যে উপজেলার প্রধান রাস্তাগুলোতে জেলা পরিষদের অনেক পুরনো প্রায় ১০টি বড় গাছ পড়ে যায়। সেই গাছগুলো ঝড়ের ১মাস পরেও সরানো হয়নি রাস্তার মাঝখান থেকে। 
 
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ছোলেমানের চৌপতি থেকে টেংগনমারি বাজার রংপুর যাওয়া রাস্তাটির গোলনা বাবু বাজার এলাকায় রাস্তার মাঝখানে এখনো পড়ে আছে ২টি বিশাল আকারের বটগাছ। এ করনে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিভিন্ন সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ জনগণসহ বর্তমান ধান ও ভূট্টা ব্যাবসায়ীরা। 
 
এ ব্যাপারে ওই এলাকার ভূট্টা ব্যাবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ব্যাবসার মৌসুম। রাস্তাটি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন গাড়ি ভাড়া বেশি যাচ্ছে। এতে ব্যাবসা করে লাভ-লস কিছুই বুঝতেছি না।
 
কথা হয় গোলনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ঝড়ের পরদিনে আমি লোক দিয়ে ডাল কেটে আংশিক চলাচলের ব্যাবস্তা করেছি এবং কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। এখন এটা তাদের বিষয়।
 
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার বলেন, গাছগুলো সরানোর জন্য আমি অনেক আগেই বলেছি, এখন আবারও জেলা পরিষদকে গাছ সরানোর বিষয়ে চিঠি দিব। এ ব্যাপারে নীলফামারী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদিনকে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
 
ইত্তেফাক/নূহু