গত ২১ আগষ্ট দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে বদলি হলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান।
জানা গেছে, গত ৩ জুন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) বাহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক আদেশে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসানকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে ফেনী জেলার সেনাগাজী উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাকে আগামী ১০ জুনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসানের বদলির খবর শুনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে। সেই সঙ্গে ওই কর্মকর্তার বদলী হওয়ায় সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষসহ ইত্তেফাক পত্রিকার সাংবাদিককে অভিনন্দন জানিয়েছে এলাকাবাসী।
বড়ভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ফজলার রহমান বলেন, গতকাল দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভায় সকল চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে বদলি নিয়ে অন্যত্র চলে যেতে বলেছিলাম। তার বদলি হওয়ায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওসমান গনি বলেন, ওই কর্মকর্তার বিভিন্ন অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তাকে ফেনী জেলার সোনাগাজি উপজেলায় বদলি করেছে। তিনি বদলি হলেও তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভা চলাকালীন সময়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান সভায় উপস্থিত না থেকে ইত্তেফাক সংবাদদাতা শামীম হোসেনকে তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করে ও পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
ইত্তেফাক/নূহু
