বাঁশখালী পৌরশহরের প্রধান সড়কের সংস্কার কাজ চললেও অভ্যন্তরীন সড়কগুলোর অবস্থা নাজুক। স্থানীয় অলি মিয়ার দোকান থেকে পশ্চিম দিকে চলাচলের রাস্তা, জমসেদ মুন্সি সড়ক দিয়ে লস্কর পাড়া যাওয়ার রাস্তা, মিয়ার বাজার থেকে হারুন বাজার সড়কের বাকি অংশ, দারোগা বাজার থেকে জালিয়াখালী বাজার সড়কগুলোর খারাপ অবস্থা চোখে পড়ে সরেজমিনে। সড়কগুলো প্রায় ১ যুগ ধরে এ অবস্থায় রয়েছে।
এগুলোর মধ্যে আস্করিয়া সড়কটি সাবেক পৌর মেয়র শেখ ফখরুদ্দিন চৌধুরী, কার্পেটিংয়ের টেন্ডার নিয়ে কার্পেটিং না করে বালি ও ইটের গুড়া দিয়ে কোনোরকম কাজ করে বিল উত্তোলন করেছে বলে এলাকার ভোক্তভোগীরা জানান।
দারোগা বাজার থেকে ফরেস্ট অফিস সড়ক, বাঁশখালী আদালত থেকে লোহাগাড়া সড়ক, বাঁশখালী থানার সামনে মহাজন পাড়া সড়ক, কেবল মহাজন পাড়ার সড়ক ও বড়ুয়া পাড়া সড়ক দিয়ে বেশিরভাগ রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
এসব সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়া করে এবং এই রাস্তাগুলো দিয়ে গাড়ি চলাচলের সময় নানা দুর্ঘটনা ঘটে।
এলাকার ভুক্তভোগীরা জানান, বাঁশখালী পৌরসভার মেয়র গত ১ বছরে উনার ওয়ার্ডেই রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সীমাবদ্ধ রেখেছেন। চলিত বর্ষায় এই সড়কগুলো দিয়ে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে জানান স্থানীয় পথচারীরা।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী পৌরসভার মেয়র মুক্তিযোদ্ধা সেলিমুল হক চৌধুরী বলেন, আমি ঢাকা এলজিইডি ভবনে রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য ১০ কোটি টাকার প্রকল্প পাঠিয়েছি। ইতিমধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা পাস হয়েছে। শিগগিরই রাস্তাগুলোর উন্নয়ন কাজের টেন্ডার দেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
