খুলনায় পুলিশ ও বনদস্যুদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে সুন্দরবনের কালু বাহিনীর প্রধান আবু সাইদ ওরফে কালুসহ তিন বনদস্যু নিহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের ৮ জন সদস্য আহত হন।
বন্দুকযুদ্ধের পর অপহৃত চারজন জেলেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন, সুন্দরবনের বনদস্যু কালু বাহিনীর প্রধান আবু সাইদ ওরফে কালু, আজগর আলী ও শহিদুল মল্লিক।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ময়দা পেশা এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দোনলা বন্দুক, দুটি দেশী পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোস্তফা হাবিবুল্লাহ জানান, তিন দিন আগে মুক্তিপণের দাবিতে সুন্দরবন থেকে চার জনকে অপহরণ করে বনদস্যু কালু বাহিনী। অপহরণের শিকার সুন্দরবনের জেলে হাবিবুর ফকির, বাবু, ফরিদুল গাজী ও মজিবুর গাজী কয়রা উপজেলা সদর এলাকার বীনাপানি ও তেঁতুলতলা গ্রামের বাসিন্দা।
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত জেলেদের নিয়ে কালু বাহিনী মহেশ্বরীপুরের ময়দা পেশা এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে কয়রা থানা পুলিশ বেলা ১১ টার দিকে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুপুর ১২টার দিকে বনদুস্যদের পক্ষ থেকে গুলি ছোঁড়া বন্ধ হলে সেখানে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। এ সময় তিন বনদস্যুর লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ওসি তদন্ত জানান, বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে কয়রা থানার এস. আই. আজম, কিশোর, সাইদ, এএসই মোস্তফা, কনস্টেবল কাইয়ুম ও আরিফসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু
