শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের জটিলতা কাটেনি

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৮, ১৬:২৮
শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল শুক্রবার সপ্তম দিনের মত ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণত শুক্রবার গাড়ির চাপ বেশি থাকে তার ওপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ রুটে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে। ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যেমন দুর্ভোগে পড়েছে ঈদে ঘরেফেরা মানুষেরা তেমনি কোটিকোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। গত ৭ দিনে সরকার প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
 
বিআইডব্লিউটিসি’র এজিএম খন্দকার শাহ খালেদ নেওয়াজ শুক্রবার জানান, এই রুটে গড়ে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন হাজার ছোট বড় যান চলাচল করত। এখন চলছে (আসা যাওয়া মিলে) এক হাজার থেকে বার’শ যানবাহন। শুক্রবার সকাল থেকে গাড়ির চাপ বাড়ছে। এছাড়া ফেরি চলাচল ব্যহত হওয়ায় জনগণের অর্থনৈতিক ক্ষতি ছাড়াও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
 
তিনি আরও বলেন, আমাদের হাতে কিছু নাই। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ফেরি চালাতে না পারলে বসে থাকা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নাই।
 
প্রায় তিন মাস আগে উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানির সঙ্গে পলি পরে নৌরুটের লৌহজং টার্নিং পয়েন্টের মুখে একটি ডুবো চরের সৃষ্টি হয়। মে মাস থেকে এই ডুবোচর নিরসনে ড্রেজিং চলছে। এর মধ্যে তারা বিকল্প পথ তৈরি করে ফেরি চলাচল সচল করেছিল। কিন্তু ৭ দিন আগে শনিবার বিকাল থেকে সেখানেও নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। এতে কখনও ফেরি বন্ধ থাকছে, কখনও সীমিত আকারে চলে। পরে এটিও বন্ধ হয়ে যায়। এরপর মূল চ্যানেলের পাশে ন্যাচারাল একটি চ্যানেলে মেইকিং করে সীমিত আকারে ছোটযান দিয়ে ফেরি চলাচল সচল রাখা হয়। যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে আগামী শনিবার ফেরি সার্ভিসে স্বাভাবিকতা আসবে। কিন্তু যদি কোন কারণে ফেরি সার্ভিসে স্বাভাবিকতা না আসে তাহলে এই রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোটে চাপ আরও বাড়বে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়বে। সব মিলিয়ে এক অস্থিরতায় সময় কাটাচ্ছে এই রুটে চলাচলকারী ঈদে ঘরমুখো মানুষ।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ