মাদক সেবনের অভিযোগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুল পাঠান সেতুর কক্ষ থেকে দুই ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে হল প্রশাসন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদদীন হলের ৩২১ নং কক্ষ থেকে তাদের আটক করা হয়। ওই কক্ষটি সিলগালা করে দিয়েছে হল প্রশাসন।
আটককৃতরা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক শাহরিয়ার মাহমুদ রাজু, কবি জসীম উদদীন হল ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রমজান হোসাইন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পি জে হার্টগ হল’র (আন্তর্জাতিক হল) মালি সুমন লাল দে। এদের মধ্যে সুমনকে এর আগেও মাদকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হল থেকে আটক করা হয়েছিল। আর চলতি বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুল পাঠান সেতুর নাম ছিল।
এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, এই কক্ষটি ব্যবহার করে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকের চালান হয় বলে আমরা জানতে পারি। পরবর্তীতে হলের শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের তথ্যের ভিত্তিতে কক্ষটিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক শেষে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে এবং কক্ষটি সিলগালা করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক সাহেব আলী সাংবাদিকদের জানান, ওই কক্ষটি থেকে একটি ব্যবহৃত মদের বোতল, একটি বিয়ারের বোতল ও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, যে অভিযোগ দিয়েছে সে অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এর কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি। এটা ষড়যন্ত্র হতে পারে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী ইত্তেফাককে বলেন, হল প্রশাসন উপস্থিত থেকে কয়েকজনকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইত্তেফাক/ইউবি
