গত ২৮ নভেম্বর দেশে বড় ধরনের দু’টি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি ঢাকায়। উদ্যোক্তা— ১৮ দলীয় জোট। অন্যটি টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে। একই দিনে দুটি বড় দলের অংশগ্রহণে জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ায় সকল মহলের দৃষ্টি এদিকে একটু বেশিই ছিল। তবে তা ভাগাভাগি হয়েছে দুই দিকে, দুই নেত্রীর বক্তব্যের প্রতি। মিডিয়াগুলোকেও এ কারণে বাড়তি চাপ নিতে হয়েছে সংবাদ সংগ্রহ এবং প্রচার করার জন্যে। রাতের ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ এবং পরদিন পত্রিকার পাতাতেও দুই জনসভার চিত্র ও বক্তব্য সমানভাবে স্থান দেয়া হয়েছে।
২৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে আশুলিয়া এবং চট্টগ্রামের বহদ্দার হাটে নিহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক দিবস পালিত হওয়ার কারণে ২৮ তারিখের জনসভার আমেজে কিছুটা ঘাটতি ছিল। কেননা, এতো মানুষের জীবন প্রদীপ এভাবে নিভে যাবে, এতোগুলো দুর্ঘটনা একের পর এক ঘটবে, এতো শ্রমজীবী মানুষ এভাবে মারা যাবে— তার কোনো সহজ ব্যাখ্যা মেলানো যাচ্ছে না। গঠিত অনুসন্ধান কমিটি এসব দুর্ঘটনার পেছনে সে সব কারণ খুঁজে পান না কেন, পুড়ে যাওয়া মানুষ, গার্ডারের নিচে চাপা পড়ে মারা যাওয়া মানুষগুলোর জীবন, পরিবারগুলোর ক্ষতি, শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতি, বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ক্ষতি ইত্যাদি সহজে পূরণ হবার নয়, কেউ তা ফিরিয়েও দিতে পারবে না। ফলে সপ্তাহটি বাংলাদেশের জন্যে দুর্ঘটনাপ্রবণ আতঙ্কের ও শোকেরই গেল। তার মধ্যে রাজনৈতিক জনসভা হওয়ার বিষয়টি অনেক দেশেই হয়তো কল্পনা করা যেতো না, তবে বাংলাদেশ এসব ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম। আমরা অনেক সময় সব দুঃখকে সবাই সমানভাবে ভাগাভাগি করতে জানি না, চাইও না। এটি এক ধরনের বাস্তবতা।
ঢাকার নয়া পল্টনে ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশে ঢাকা এবং ঢাকার বাইর থেকে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেছে। ১৮ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জ্বালাময়ী বক্তৃতাও করেছেন। তবে জোটের মূল বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সংসদের বিরোধী দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। তিনি প্রায় এক ঘণ্টা বক্তৃতা করেছেন। তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা ছিল। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পর্কেও গুরুতর কিছু অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি দেশের জনগণকে দেশ পরিচালনায় তাঁকে আর একবার সুযোগ দেয়ার আহবান জানিয়েছেন। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে তিনি বা তার দল তখন কি করবেন তাও তিনি বক্তৃতায় উল্লেখ করেছেন। তাতে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য, বিদ্যুত্ উত্পাদন, শিল্পোত্পাদন, বেকারত্ব দূরীকরণ, দুর্নীতি দূর করা, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। ১৮ দলের পক্ষ থেকে বেগম খালেদা জিয়া কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন যা ডিসেম্বর মাসে ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা সফল করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সমাবেশে সব চাইতে বেশি উজ্জীবিত নেতা-কর্মী ছিল জামায়াত-শিবিরের। তারা মানবতা বিরোধী অপরাধে তাদের নেতাদের মুক্তির দাবিতে স্লোগান প্রদান করেছে, আটককৃতদের ছবি সম্বলিত ব্যানার তারা বহন ও প্রদর্শন করেছে।
জনসভাটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে-এটি উল্লেখ করার বিষয়। নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণও ছিল স্বত্বঃস্ফূর্ত। তবে রাজধানীর সাধারণ মানুষ তাতে অংশগ্রহণ করেছিল কিনা এমন কোনো তথ্য আমার জানা নেই। ১৮ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ যা করেছেন, তাদের কথা তারা বলেছেন, বেসরকারি কয়েকটি টিভি চ্যানেল তা প্রচার করেছে, বিএনপি-জামায়াতের কর্মী-সমর্থকগণ তা ঘরে বসেই দেখেছেন— এটি একটি উল্লেখ করার দিক।
বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ভাষণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যাপারে স্পষ্টই বলেছেন যে, সরকার এটি না মানলে আগামীতে লাগাতার হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি আসবে, এর আগে ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের উদ্যোগে সারা দেশে রাজপথ অবরোধ করার কর্মসূচি পালিত হবে, তাতে বাধা দেয়া হলে পরিণতি ভালো হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে বর্তমান সরকার দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন। বিষয়গুলো সম্পর্কে এখনই আগাম চূড়ান্ত কোনো মতামত রাখা সম্ভব নয়। তবে ২৮ তারিখের জনসভায় যেক’টি দিক ১৮ দল তথা বিএনপির দিক থেকে তুলে ধরা হয়েছে তার একটি হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তোলা। এই ইস্যুতে ৪ দল তথা ১৮ দল গত দেড় বছর ধরে অনেক কথা বললেও এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। ডিসেম্বর মাস মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাস। এই সময়ে এই ইস্যুতে আন্দোলন জোরদার করা কতোটা সম্ভব হবে তা বলা মুশকিল। তাছাড়া মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে আটক কিছু নেতার মুক্তির দাবি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ১৮ দলের মধ্যে যে ভিন্ন অবস্থান, সাধারণ মানুষের মধ্যে এর ফলে যে দ্বিধাবিভক্ত অবস্থান তা শেষ পর্যন্ত কিভাবে এক সে াতে মিশবে বলা খুব সহজ নয়। তবে ১৮ দল থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে ডিসেম্বর-জানুয়ারির শীত মৌসুমে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে নেতা-কর্মীদের মাঠে নামাতে। জনগণের অংশগ্রহণ না বাড়াতে পারলে শুধু কর্মী-সমর্থকদের অংশগ্রহণ দিয়ে আন্দোলন জোরদার করা সম্ভব নয়। কেননা দীর্ঘদিন আন্দোলন ধরে রাখার বিষয়টি বেশ কঠিন এবং জটিল। তবে এখন আন্দোলনকারী দলগুলো চাইবে ৯ ডিসেম্বর অবরোধ কর্মসূচিকে ঘিরে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামতে। তাতে পুলিশের সঙ্গে সংঘাত হলে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশংকা থাকতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে মাসটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাস। ১০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছিল। সেই সময় জামায়াত-শিবিরের কিছু আটককৃত নেতাদের জেল থেকে ছাড়িয়ে আনার দাবিতে আন্দোলন করবে এমন দৃশ্য ১৮ দলীয় জোটের আন্দোলনকে কতোটা বেগবান করবে তা দেখার জন্য সবাইকে ততোদিন অপেক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে ২৬ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঢাকাসহ সারা দেশে গণসংযোগের কর্মসূচি দেয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি থেকে তখনই কেবল ফসল ঘরে তোলা যাবে যখন জনগণ তাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশের জনগণ এখন রাজনৈতিক অনেক প্রশ্নেই দ্বিধাবিভক্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত। বর্তমান সরকারের উপর অনেকের যথেষ্ট অভিযোগ আছে, হতাশা, ক্ষোভও আছে। কিন্তু যেসব অভিযোগ বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এখন ১৮ দল থেকে করা হচ্ছে, সেগুলো অতীতে বিএনপি বা ৪ দলীয় জোটের শাসনামলে কেমন ছিল সেই স্মৃতিতো এখনো মুছে যায়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দুর্বলতাও নতুন করে বলার কিছু নেই। বিদ্যুত্, কৃষি, দুর্নীতি, যোগাযোগ, ছাত্র-রাজনীতি, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, হানাহানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ২০০১ সালের পর জঙ্গিবাদের ভয়াল রূপ, বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন, হত্যা, খুন ইত্যাদি কী ছিল—তাও নতুন করে বলার কিছু নেই। এসব নিয়ে ১৮ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করছেন সেসব অভিযোগ থেকে তারা কতটুকু ফল পাবে তা সময়েই বলে দেবে। ফলে মানুষ থমকে আছে হিসাব মেলানোর প্রশ্নে, তুলনামূলক আলোচনা, তথ্য-উপাত্তের উপস্থাপনের প্রশ্নে। সে কারণেই আসলে দেশে সরকার বিরোধী কোন আন্দোলন বিরোধী দলগুলো গড়ে তুলতে পারছে না। ১৮ দলের আন্দোলনের ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে তাই আগাম কোনো মতামত দেয়া যাচ্ছে না।
এবার টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে আওয়ামী লীগের জনসভার প্রসঙ্গে কিছু কথা। ২৮ তারিখ উক্ত সভাটি ঢাকার বাইরে করে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে। ঢাকায় পাল্টাপাল্টি কোনো সভা ঐ দিন বা পরের দিন করাটি মোটেও শোভনীয় হতো না। তাতে সংঘাতের আশংকা থাকতো। তাছাড়া এ ধরনের পাল্টাপাল্টি সভা করার মাধ্যমে রাজনৈতিক অপরিপক্বতারই বেশি প্রকাশ ঘটে। অতীতে সরকার এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে এ ধরনের সভা করার বিস্তার নজির রয়েছে যেগুলো জনগণের দিক থেকে খুব একটা সমর্থন পায় না। ধনবাড়ির জনসভায় তিনি তার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির আনীত অভিযোগটি বরং ফিরিয়ে দিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেত্রীর দিকেই সে ক্ষেত্রে তিনি বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন, ২৭ কোটি বই বিনামূল্যে বিতরণ, ১২ বিলিয়নের ওপর রিজার্ভ বাড়ানো, ৭৮ লক্ষ মানুষের সরকারি-বেসরকারি চাকরির ব্যবস্থা করা, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা ইত্যাদি দিক তিনি তার ভাষণে উল্লেখ করেছেন। তিনি মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারে তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা আবারও উল্লেখ করেছেন। এসবই তার উক্ত ভাষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
ঢাকায় ১৮ দলীয় জোটের, টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে সরকারি দলের জনসভায় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগ ছিল, ১৮ দল আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণাও দিয়েছে এসবই এক ধরনের বাস্তবতা। অন্য বাস্তবতাটি হচ্ছে বিএনপি তথা ১৮ দল যেভাবে, আওয়ামী লীগও একইভাবে জনসভা দুটোকে নির্বাচনী প্রচারণা ও প্রতিশ্রুতিতেও সমৃদ্ধ করে তুলেছে। নির্বাচনের এক বছর সময় বাকি আছে এমন অবস্থাতেই উভয় দল অর্থাত্ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নির্বাচনী প্রচারণা ও প্রতিশ্রুতিতে নেমে পড়েছে এটি গভীরভাবে লক্ষ্য করার বিষয়। এই রাজনৈতিক দিকটি বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে যে কথাই বলা হোক বা ভাবা হোক না কেন বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে ১৯৯৬-এর ১৫ ফেব্রুয়ারি বা ২০০৭ সালের জানুয়ারির পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার যেসব আশংকা আমাদের সুধী সমাজ থেকে করা হচ্ছে তা বোধ হয় না শেষ পর্যন্ত ঠিক হবে। কেননা দেশে তেমন নির্বাচন করার দায় আওয়ামী লীগ নেবে এমনটি শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য থেকে এখনো পর্যন্ত উদ্ধার করা যাচ্ছে না। বরং তিনি কয়েকবারই উল্লেখ করেছেন যে, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে, তাতে তিনি বা তার দল পরাজিত হলেও তিনি তা মেনে নেবেন। বিষয়টি বিরোধী জোট গভীর পর্যবেক্ষণে রাখছে, তারা যতই তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু নিয়ে কথা বলুন না কেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা মিললে, পরিবেশ সৃষ্টি হলে কে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে রাজনীতিতে ভুল করতে যাবে? তাতে তো আম এবং ছালা হারানোর আশংকাই থাকবে। এ ছাড়া যে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করার পায়তারা হচ্ছে বলে বেগম খালেদা জিয়া আশংকা করছেন তা সত্যি সত্যি ঘটলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়েই তাতে সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তেমন পরিস্থিতি আওয়ামী লীগ সৃষ্টি করতে যাবে এটি নিয়ে কারো আশংকা থাকতে পারে, বাস্তবে কতটা সম্ভব তা বলা মুশকিল। তবে বাংলাদেশ রাজনীতিতে বড় দুই দলের বাগযুদ্ধ চলছে, চলবে। এটি কেউ বন্ধ করতে পারবে না। কেউ কারো চাইতে এক বিন্দু পরিমাণ ছোট এমনটি কেউ মানতে চায় না। সামন্ত মানসিকতা থেকেই দুই দলের নেতৃবৃন্দের কথাবার্তা, আচার-আচরণ ও মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। জনসভায় উচ্চারিত বক্তৃতার অনেক কথাই শোভনীয় নয়, তারপরও উচ্চারিত হচ্ছে, আমরাও শুনছি, কর্মী-সমর্থকরা তাতে উজ্জীবিত হচ্ছে, তবে গণতন্ত্রের রাজনীতিকতাকে বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা ও কৌশলকে আত্মস্থ করার শিক্ষা বা তাগিদ পাচ্ছে না। এখানেই মস্তবড় সমস্যা। সেই সমস্যার আপাতত সমাধান নেই সত্য, তবে দেশের রাজনীতিকে এর মধ্যে থেকেই এগিয়ে নিতে সচেতন মহলকে কাজ করতে হবে।
লেখক : অধ্যাপক, ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
