০০০
আগামীদিনের বাংলাদেশ হবে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী একটি দেশ
বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। বিপর্যস্ত অর্থনীতি, সীমিত সম্পদ, অত্যধিক জনসংখ্যা, ব্যাপক দুর্নীতি বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য। দরিদ্র নিরক্ষর, ক্ষুদ্র কৃষক, শিল্পখাতে প্রাথমিক অবস্থা ও বিশাল বেকারত্ব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাকাকে যেন টেনে ধরে আছে। দক্ষ ও পরিকল্পিত ছাত্ররাই পারে ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে।
সুতরাং নেতা-নেত্রী দুর্নীতির জালে আবদ্ধ হলে চলবে না। বুঝতে হবে আমাদের ৪১ বছরের স্বাধীনতাকে। আমরাই ছাত্র। আমরাই পারি সঠিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে। কিন্তু ছাত্ররা বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় দেশের অর্থনীতি ব্যাহত হতে চলেছে। যেমন ছাত্ররা বর্তমানে মাদক দ্রব্যে আসক্ত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে জড়িত হয়ে তাদের নিজেদের ভবিষ্যত্ উজ্জ্বলময় জীবনকে ব্যাহত করছে। তবুও বর্তমানে বিশ্বের কাছে দেখা যায় যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মান নিম্নমানের নয়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মানব সম্পদ উন্নয়নের সাফল্য অগ্রগতি। অতএব বাংলাদেশকে ভালোবেসে আগামীদিনের উজ্জ্বলময় অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।
মো. সাদেকুল ইসলাম
বিবিএ, ২য় বর্ষ (ব্যবস্থাপনা বিভাগ),
ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ,
ঠাকুরগাঁও।
০০০
সম্পদ ও শ্রমের সঠিক ব্যবহার দেখতে চাই
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যে ভরপুর পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ। প্রাচীনকাল থেকেই এ দেশ বিশ্বের বুকে পরিচিতি লাভ করে এ দেশের গৌরবের স্বাধীনতা ও আতিথেয়তার গুণে। বর্তমানেও এ দেশ তার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিশ্বের শক্তিশালী পরাশক্তি দেশের কাছে হয়ে উঠেছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তা সত্ত্বেও এ দেশ জর্জরিত হাজারও সমস্যায় যা এর উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। দুর্নীতি, দ্রব্যে মূল্যবৃদ্ধি, খাদ্যে ভেজাল, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইন শৃংখলার অবনতি যা জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। গণতান্ত্রিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও তা যেন নাম মাত্রিক গণতন্ত্র। সরকার আসে সরকার যায় যেমনি দেশ তেমনি রয়।
অর্থনৈতিকভাবে এ দেশকে দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী পরাশক্তিতে রূপান্তর করতে হলে এর প্রাকৃতিক সম্পদের যেমন সদ্ব্যবহার প্রয়োজন তেমনি সৃষ্টি করতে হবে উত্পাদনমুখী শিল্প কাঠামো।সরকারি আমলাদের লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দূর করে গড়ে তুলতে হবে দেশকে ভালোবাসার মনোভাব। ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করে জনগণের প্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে এ দেশের মাটি ও মানুষকে ঘিরে।
একটি জাতির উন্নতির পূর্বশর্ত হলো তার জ্ঞান ও শ্রম আর শ্রমকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন হলো পূর্ব পরিকল্পনা। সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া কোন জাতি সামাজিক রাজনৈতিক অর্থনৈতিক কোনভাবেই উন্নতি করা সম্ভব নয়। স্বাধীনতা উত্তর থেকে এখন পর্যন্ত সঠিক পরিকল্পনার অভাবে পরিকল্পনার ‘পরি’ উড়ে গিয়ে শুধু ‘কল্পনাই’ বয়ে যায়। যার ফলে উন্নয়নের অনেক সম্ভাবনা সত্ত্বেও আমরা বহির্বিশ্বের সাথে হাতে হাত রেখে এগিয়ে যেতে পারছি না। তবে আমার বিশ্বাস অদূর ভবিষ্যতে এ দেশ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হবে।
মো. আরিফুর রহমান (নাহিদ)
অর্থনীতি বিভাগ,
সম্মান ৩য় বর্ষ,
সরকারি ব্রজমোহন কলেজ,
বরিশাল।
০০০
মেধা, শ্রম এবং সম্পদের যথার্থ বিকাশ ও সুষ্ঠু ব্যবহারই পারবে সম্ভাবনার এ দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে
বর্তমানে বাংলাদেশের কথা ভাবতে গেলে নিজেকে খুবই লজ্জিত খুবই গরীব এবং আমাদের এ দেশকে পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দশ-পাঁচটা দেশের কাছে খুবই নগণ্য বলে মনে হয়। অথচ মেধা, শ্রম ও সম্পদের অভাব রয়েছে এ দেশের। এ দেশের মেধাবী ব্যক্তিবর্গ যেখানে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে গিয়ে মেধার বিকাশ ঘটাচ্ছে সে সকল দেশের স্বার্থে সেখানে বাংলাদেশ মেধাপাচারের সম্মুখীন হচ্ছে এবং দেশ ক্রমান্বয়ে মেধা শূন্য হয়ে পড়ছে। এ দেশের দক্ষ শ্রমিকরা যেখানে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে শ্রমের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করছে সেখানে এদেশে বসবাসকারী শ্রমিকদের বেতনের অভাবে অনাহারে থাকা থেকে শুরু করে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মরতে পর্যন্ত হচ্ছে। যা এদেশের দক্ষ শ্রমিক ভাইবোনদেরকে শ্রমের প্রতি অনীহা সৃষ্টি করাচ্ছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতা বিশৃংখলা ও স্বেচ্ছাচারিতা যে রকম দেশকে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে বাধা সৃষ্টি করছে ঠিক সেভাবেই দেশের প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও আগামীদিনের শান্তি সমৃদ্ধিশীল এবং আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে মেধা, শ্রম ও সম্পদের সম্ভাবনাময় এ বাংলাদেশের সকলকে বাঙালি জাতীয়তার ভিত্তিতে মিলেমিশে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আর এ লক্ষ্যে মেধাবীদের মেধা বিকাশের সুযোগ, মেধাপাচার বন্ধকরণ, দক্ষ প্রশাসক নিয়োগ কলকারখানার আধুনিকায়নসহ শ্রমিকদের শ্রমবিকাশের সকল প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং এ দেশের প্রাকৃতিক, কৃত্রিম, কৃষি,খনিজ সম্পদসহ সকল সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ক্ষমতার সুষ্ঠু ব্যবহার স্থিতিশীল ও ব্যক্তিস্বার্থহীন রাজনীতির প্রচলন করতে হবে। মেধা, শ্রম এবং সম্পদের যথার্থ বিকাশ ও সুষ্ঠু ব্যবহারই পারবে আগামীদিনের সম্ভাবনাময়ী এ দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
মো. শাহিদুল ইসলাম,
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,
৩য় বর্ষ, ৬ষ্ঠ সেমিস্টার,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
০০০
আগামীদিনে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যত্
দেখতে চাই
অতীত প্রেক্ষাপট এবং বর্তমান পরিস্থিতি আগামীদিনের বাংলাদেশ। নিরাপদ উজ্জ্বল উন্নত অভাব বিজয়ী এবং বেকারহীন বাংলাদেশ। কিভাবে? ব্যক্তি পরিবার সমাজ এবং সরকারের যোগফলের রাষ্ট্রের উন্নতিতে উন্নত মানসিকতা সম্পন্ন লোকবলের প্রয়োজন। যা লাল সবুজের পতাকাবাহী স্বাধীন বাংলাদেশে রয়েছে বলে বিশ্বাস করি।
জনগণ যেখানে শিক্ষিত ও সচেতন হয়েছে সেখানেই সম্ভাবনার কথা আলোচিত হয়েছে এবং এ ধারা চলতে থাকবে।
কারণ দেশের স্বাধীনতার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ এখনও রয়েছেন। বিভিন্ন সমস্যা থাকা সত্ত্বেও সবাই রাজনীতি ও সরকার সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন থাকেন। বর্তমানে দুই তিনটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছলেই রাজনৈতিক কোন্দল শেষ হতে বাধ্য। আর একবার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ রাজনৈতিক নীতিতে প্রবেশ করেন। তাহলে জনগণসহ তারাও নিশ্চিত সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। আগামীদিনে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ দেখতে চাই।
মো. মাছুম বিল্লাহ
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,
এম এ ২য় সেমিস্টার,
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়,
ঢাকা।
