আগামী দিনের বাংলাদেশ

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:১৫
বিশ্বের মানচিত্রে আমাদের দেশ ক্ষুদ্র ও দরিদ্র হলেও জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদে নজিরবিহীন বিশ্বের মানচিত্রে আমাদের দেশ ক্ষুদ্র ও দরিদ্র হলেও জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদে নজিরবিহীন। আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করে ও প্রাকৃতিক সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। তেল, গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথরসহ চিংড়ি, ইলিশ এবং তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এছাড়াও আমাদের রয়েছে দক্ষ জনশক্তি, যা ঠিকমত কাজে লাগিয়ে প্রচুর রেমিটেন্স অর্জন সম্ভব। আবার কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখা যায়। কিন্তু এত সম্ভাবনার পথে বাধা কিসের? এর অন্তরালে রয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা। সুতরাং দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করে এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন সম্ভব বলে আমি মনে করি। মো. আকরাম হোসেন আইন বিভাগ (মাস্টার্স) ৩২৪/মাদার বখ্শ হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকায় তামিল ছবির স্যুটিং দেখে মনে হলো আগামী বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে আমি কি মিথ্যা বলছি, ঢাকাই তামিল ছবির স্যুটিং হয়নি! কেন গত কাল টিভিতে দেখলাম চাপাতি দিয়ে বিশ্বজিেক কোপাচ্ছে ভিলেনরা। আচ্ছা নায়ক কি বিশ্বজিত্ ছিল! নায়িকা কে ছিল! আচ্ছা নায়ক তো মরে না, বিশ্বজিত্ কেন মরলো, হয়তো পরিচালক নায়কের নায়িকা দেয়নি তাই। আচ্ছা পরিচালক কে ছিল। কে আবার আওয়ামী লীগ-বিএনপি। ও সরি এটা তামিল ছবি না, বাস্তব! এটা তো বাংলাদেশ! তাইতো বলি নায়ক কেন মরলো, সরি দশর্ক! আমি একটি টেলিভিশনে মেক করি তাই সবসময় মনে হয় ছবির মধেই আছি। আসলে ওরা ডিজিটাল, এখন আর ওদের লগিবৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ মারতে ভাললাগে না, তাইতো ওরা এখন চাপাতি দিয়ে দিনে দুপুরে কোপিয়ে মানুষ মারে, তবে ওয়া স্বাধীনতার পরে! আর আমাদের পুলিশ সেই তো বলে তদন্ত করে দেখতে হবে আগে, তার পর বলা যাবে কে মেরেছে কাকে মেরেছে কখন মেরেছে, অথচ বাংলাদেশে মিডিয়াগুলো হত্যাকারীদের ছবি ছাপিয়ে বলছে এরা কারা! আমরাও চিনি কিন্তু বলবো না, কারণ বুকে ভয় করে! ওরা যে স্বাধীনতার পরের শক্তি! আজ মামলা হলো বিএনপি মহাসচিবের নামে কারণ তিনি গাড়ি পুড়িয়েছেন বা গাড়ি ভাঙতে হুকুম দিয়েছে তবে ভাল কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে হুকুম দিয়েছিলেন তার প্রতিফলন কি বিশ্বজিত্-এর রক্ত নয় , তাহলে কে করবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে মামলা। আমি করবো কিন্ু্ত দশর্ক আমার যে ভয় করে! কারণ ওরা যে স্বাধীনতার পরের শক্তি! ওদের মানুষ মারা চলে! কিছু হয় না। এটাও কিছু হবে না। হে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধারা তোমরা দেখ আজ বাংলাদেশে রক্ত দিয়ে হোলি খেলা হচ্ছে, আর এজন্য কি তোমরা স্বাধীন করেছিলে? তাহলে তোমরা ভুল করেছ, আমারও ভুল হয়েছে এদেশে জন্ম গ্রহণ করে, আমরা মুক্তি চাই কালকে তামিল ছবির স্যুটিং দেখে খুবই ভয় পেয়েছি ঘুমাতে পারিনি, মানুষ হয়ে একজন মানুষকে এভাবে মারে দেশ কি জাহিলিয়াতের যুগ থেকে খারাপ হতে যাচ্ছে! ওদের বিবেক একটু কাঁদলো না পা ধরে মাফ চেয়েও রক্ষা পায়নি বিশ্বজিত্ অথচ সেই ছিল নিরপরাধ মানুষ ! সত্যি কথা কি বিশ্বজিত্ ছিল হিন্দু আর স্বাভাবিকভাবে এদেশে হিন্দুরা নৌকায় ভোট দেয় সেই নৌকার লোকেরাও মেরে ফেললো বিশ্বজিেক। তবে চুপ বলা যাবে না আমার ভয় হয় কারণ ওরা মুক্তিযুদ্ধের পরের শক্তি! মুখে বলে! বাস্তব ঢাকায় তামিল ছবির সুটিং ! এই যদি অবস্থা হয় তাহলে পাঠকই বলুন আগামি বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে। জে জিয়া আইসিএমএ(চলমান), আইসিএমএবি। নবীন আর প্রবীণের সমন্বয়ে গড়তে হবে দেশ... দেশের প্রকৃত অবস্থা আজ তাদের অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তাদের চিন্তাভাবনা হতে হবে আধুনিক আর উদার মানসিকতার। সবার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে চলার শিক্ষা আজ তাদের নিতে হবে। উন্নত দেশ যেমন মালয়েশিয়ার দিকে তাকিয়ে শিখতে হবে তারা কিভাবে তাদের দেশ পরিচালনা করছে। যেখানে দেশের স্বার্থে সবাই দলমত ভুলে যায়, যেখানে কেউ অন্যের উপকার করতে না পারুক অন্তত কোনো অপকার করতে চায় না। আর বর্জন করতে হবে আমাদের দেশের নোংরা, কুলশিত ও হিংসাত্মক রাজনীতি। যেখানে সামান্য কারণে মানুষ মানুষকে খুন করতে দ্বিধাবোধ করে না। যেখানে নির্বাচনে না জিতলে সংসদে যাবো না আর যদি কোনো রকমে জিতে যায় তাহলে আমরা একাই সব এমন মাসিকতা নিয়ে চলে এই ধরনের নোংরা রাজনীতি বর্জন করতে হবে। সবক্ষেত্রে দলীয়করণের রাজনীতি দূর করতে হবে। মেধা আর যোগ্যতাই হতে হবে সব কিছুর মানদণ্ড। তা না হলে শুধু দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সব কিছু হলে এই দেশ একদিন মেধাশূন্য হয়ে পড়বে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে কেন ছেলে শিশুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। কারণ আজকের এই ছেলেরাই ভবিষ্যত্ নেতৃত্ব দিবে। আগামী দিনের অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নবীন আর প্রবীণের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে হবে আমাদের স্বপ্নের সমৃদ্ধশালী সুখী বাংলাদেশ। যেখানে থাকবে না কোনো হানাহানি, আর আইনের চোখে হবে সবাই সমান। তবেই এদেশ বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত খেতাব চোরের খনি থেকে হীরার খনিতে পরিণত হবে। বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত এই চোরের খনি উপাধী আমরা বর্তমান প্রজন্ম এবং ভবিষ্যত্ প্রজন্ম বহন করতে চাই না। এই অপবাদ ঘুচিয়ে আমাদের প্রিয় স্বদেশকে সকলে মিলে গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যত্ প্রজন্মের কাছে আমরা থাকব প্রশ্নবিদ্ধ! মু. পারভেজ আইসিএমএ(চলমান) আইসিএমএবি দুর্নীতি ও অসুস্থ ধারার রাজনীতি পরিহার না করলে বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ অন্ধকার ত্রিশ লক্ষ শহীদের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। এই স্বাধীন দেশের কাছে আমাদের প্রত্যাশাও ছিল অনেক। কিন্তু দেশের বর্তমান রাজনীতি ও দুর্নীতির কারণে যারপনাই আমরা হতাশ হচ্ছি। একবিংশ শতাব্দীতে এসে আমরা দেখছি অপরাজনীতির কালো থাবায় এদেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কোনো দেশ তখনি উন্নতির শিখরে পৌঁছায়, যখন সেদেশে কোন দুর্নীতি থাকে না, রাজনৈতিক দলগুলো নিঃস্বার্থভাবে সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে। কিন্তু তা না করে আমাদের দেশের প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দল অসুস্থ ধারার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে এবং দেশের মন্ত্রী-এমপিরা ক্ষমতার মোহে রমরমা দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ভুলে গেছে তাদের নৈতিক দায়িত্ব কি? দুর্নীতি ও অসুস্থ ধারার রাজনীতি পরিহার করে এখনই সতর্ক না হলে বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ অন্ধকার। মো. আলাউদ্দিন এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০১৩, বিজ্ঞান-বিভাগ নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন