আজকের লেখার বিষয়বস্তু মাথায় নিয়ে যখন কম্পিউটারে বসেছি তখন জানতে পারলাম বিএনপির ডাকা অবরোধের সময় সিটি করপোরেশনের গাড়ি পোড়ানোর মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আমার স্ত্রী টেলিভিশনে খবরটি দেখে আমার পড়ার ঘরে এসে জানালেন। শুনে তাত্ক্ষণিকভাবে আমার বিশ্বাস করতে মন চাইলো না। আমি উঠে গেলাম টেলিভিশনের কাছে। স্ক্রলে স্বচক্ষে দেখলাম ও পড়লাম। হোঁচট খেলাম কিন্তু খুব বিস্মিত হলাম না। আমাদের রাজনীতিকগণ এ পর্যন্ত নিজেদের যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তার আলোকে এই ঘটনায় বিস্মিত হলে নিজের বোধবুদ্ধির প্রতি অবিচার করা হতো। আমার মুখ থেকে আচমকা বেরিয়ে গেল পুরোনো আপ্তবাক্য ‘যে যায় লঙ্কায়...’। বর্তমান সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবর্তন করায় যারা কিছুটা উত্ফুল্ল হয়েছিলেন আমিও তাদের দলে ছিলাম। অন্তত একজন সুশিক্ষিত প্রশাসন অভিজ্ঞ মানুষের দায়িত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এসেছে দেখে স্বস্তি পেয়েছিলাম। অবশ্য এই মন্ত্রণালয় সার্থকভাবে চালাতে রাজনৈতিক বিচক্ষণতারও প্রয়োজন পড়ে। বিনয়ের সাথে বলবো সে ব্যাপারে আমার মধ্যে কিঞ্চিত্ প্রশ্ন থেকে গিয়েছিল। এরও কারণ আছে। রামুর বৌদ্ধ মন্দির ও বসতি পোড়ানোর ঘটনার পর রামু ঘুরে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় যখন তথ্য প্রমাণ-বিচার বিবেচনার আগেই প্রতিপক্ষের ওপর দোষ চাপিয়ে বক্তব্য দিলেন তখন এর ভেতর সস্তা রাজনীতির গতানুগতিকতা থাকলেও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা খুঁজে পাইনি। এরপর রামুর ঘটনা, জামায়াতের সৃষ্ট অরাজকতা, হরতাল এবং বিএনপির অবরোধ ইত্যাদি বিষয় সামনে রেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় যখন বার বার ‘দমন’ কথাটি বলে আসছিলেন তখন আমার কাছে অগণতান্ত্রিক ও মন্ত্রীর অবস্থান থেকে অ-কৌশলী মনে হয়েছে। কোনো কোনো পত্রিকায় আমার দু’-একটি কলামে সে কথা লিখেছি। যেহেতু কার্যক্ষেত্রে প্রমাণ পাওয়া যায় না তাই সরকারের বিধায়কদের মুখে কথায় কথায় ‘কঠোর হুঁশিয়ারি’, ‘কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’, ‘ছাড় দেয়া হবে না’ ধরনের সরকারি ধমক মানুষকে আর এখন ছুঁয়ে যায় না। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ফখরউদ্দিন আহমদ ‘জিরো টলারেন্স’ দেখানো শব্দটি বলে বলে বেশ পরিচিত করিয়ে ছিলেন। এখন আমাদের বড় বড় নেতা নেত্রীরা সুযোগ পেলেই অবলীলায় শব্দ যুগলের ব্যবহার করেন। মানুষ জানে এসব শব্দের বাস্তব কোনো প্রয়োগ থাকে না। এবার মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্ভবত তার ‘দমন’ শব্দের প্রায়োগিক সত্য প্রমাণের ব্যবস্থা করলেন মির্জা ফখরুলকে গ্রেফতার করে। মন্ত্রী মহোদয়কে সমালোচনা করা কতটা ন্যায়সঙ্গত হচ্ছে এ নিয়ে অবশ্য আমার দুশ্চিন্তা রয়েছে। কারণ বাজারে প্রচলিত কথা আছে যে, সকলকেই নাকি ‘আদিষ্ট’ হয়ে অনেক কাজ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভেতরের রহস্য কি আমরা বলতে পারবো না।
তবে আমাদের মত ছাপোষা মানুষ—যারা সংঘাতের রাজনীতি থেকে মুক্তি পেতে চাই, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা চাই, যুদ্ধাপরাধীদের সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হওয়া দেখতে চাই, চাই না কোনো উছিলায় জামায়াতের জঙ্গীরা মাঠে দাপটে বেড়াক, জামায়াত বন্ধু বিএনপি যুদ্ধপরাধী রক্ষায় জামায়াতের আদেশ (নাকি অনুরোধ) পালনে রাজনৈতিক অরাজকতা তৈরির আরো সুযোগ পেয়ে যাক; এমন ভাবনার মানুষেরা বিএনপি মহাসচিব গ্রেফতার দেখে কিছুটা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।
আমাদের ক্ষমতাপ্রিয় রাজনীতিকদের প্রতি সাধারণ জনগণের যথেষ্ট ভীতি রয়েছে। কারণ নিজ স্বার্থে তারা প্রতিদিন জনগণের কাঁধে কাঁঠাল রেখে কোষ খুলে খান। নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় জনগণের নাম ভাঙ্গান আবার প্রয়োজনে অকম্পিত হাতে জনগণের কলজে খুবলে নেন। রাজনীতিতে তো আন্দোলন সংগ্রাম থাকবেই। প্রয়োজনে গরম গরম কর্মসূচিও রাজনৈতিক দলগুলো গ্রহণ করবে। তবে তা হতে হবে জনকল্যাণমুখী। কিন্তু দুর্ভাগ্য এই যে, আমাদের বড় বিরোধী দলগুলোর সকল আন্দোলনের লক্ষ্য থাকে সিংহাসনমুখী। আর সেখানে পৌঁছার শক্ত সাঁকো হচ্ছে জনগণ। কিন্তু জনগণের মন তুষ্ট করে সাঁকো পাড়ি দেয়ার ধৈর্য কারো থাকে না। ক্ষমতার মসনদ পাওয়ার জন্য অস্থিরচিত্ত রাজনীতিকরা দ্রুত পুলসিরাত পেরুনোর জন্য নির্দ্বিধায় জনগণের কাঁধে পা রেখে তাদের ক্ষত-বিক্ষত করে মোক্ষে পৌঁছার কসরত্ করেন। আর বরাবরের মত জনগণকে মূর্খ বিবেচনা করে নিলর্জের মত মিথ্যা বক্তব্য রাখতে থাকেন।
বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। দলটির সাংগঠনিক বয়সও নিতান্ত কম নয়। কিন্তু দলটিকে যারা ভালোবাসেন সেই অসংখ্য কর্মী-সমর্থকদের দুর্ভাগ্য হচ্ছে দল পরিচালনার জায়গায় বারো ঘাট থেকে আসা নানা রুচি, প্রজ্ঞা ও নৈতিকতা ধারণ করা মানুষের ভিড় বেড়েছে। এদের অনেকেই গণতন্ত্র বোঝেন না। দুর্নীতি আর সুবিধাবাদের সাথে সখ্যতা অনেক বেশি। দেশপ্রেমের চেয়ে ব্যক্তিপ্রেম, গোষ্ঠীপ্রেম আর ক্ষমতাপ্রেম অনেক প্রকট। এসব কারণে বিএনপি নেতৃত্বের মধ্যে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি করার এত সময় নেই। আত্মবিশ্বাসও নেই। বিএনপি নেতৃত্ব মনের দিক থেকে যদি আরেকটু আধুনিক হতে পারতেন এবং গণতান্ত্রিক বোধ লালন করতেন তাহলে বুঝতেন একটি ঐতিহ্যিক গণতান্ত্রিক দল হলেও এ সময়ের আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব শুধু ঐতিহ্যের খোলসটিই জড়িয়ে রেখেছে। মেধা ও মননে তাদেরই মত। ঊনিশ-বিশ বৈ কিছু না। এ যুগের আওয়ামী লীগকেও জনগণের দল বলার উপায় নেই। কঠিন দলতন্ত্রের বলয়ে বন্দি। নয়তো এবার জনগণের বিপুল সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করার পরও এতটা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কেমন করে? দলবাজি, অঞ্চলপ্রীতি আর আত্মীয়প্রীতির অচলায়তন ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে পারলো না কেন? সরকার পরিচালনায় এত ছন্দপতন ঘটছে কেন?
বিগত নির্বাচনোত্তর সময়ে সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত ছিল বিএনপি। বিএনপি নেতারা তাদের সরকারের আমলের সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মহাভারত নিয়ে নিজেরা যত সাফাই গান না কেন মানুষের দুঃসহ অভিজ্ঞতা মুছে ফেলতে পারেননি। তাই আওয়ামী লীগের চার বছরের শাসনে মানুষ বিরক্ত হলেও এত তাড়াতাড়ি বিএনপি নেতা-নেত্রীদের পূত-পবিত্র ভাবতে পারবে না। তাই সরকারের ব্যর্থতাকে পুঁজি করে বিএনপি পরিচালকরা নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথে হেঁটে নিজেদের অনুকূলে জনমত তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু তেমন মানসিক গড়ন তাদের কোথায়! নিজেদের নিকট-অতীত এবং জনমানস মূল্যায়ন করলে তারা গত্বাঁধা সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারতেন। বিএনপি নেতৃত্বের বোঝা উচিত ছিল আওয়ামী লীগ যাদের বিপুল ভোট পেয়েছিল তারা নতুন ভোটার। এদের মিছিল পরবর্তী নির্বাচনে আরো বড় হবে। যন্ত্রযুগে বেড়ে ওঠা এই তারুণ্য অনেক বেশি আধুনিক। এদের অধিকাংশকে দলীয় অন্ধত্বের আফিমে বুঁদ করে ফেলা কঠিন। তাই বিএনপির অপশাসন এবং যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-বন্ধুত্ব তারা পছন্দ করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইস্তেহারে থাকা যুদ্ধাপরাধী বিচারের প্রতিশ্রুতি তাদের আকৃষ্ট করেছে। সরকার গঠন করার পর আওয়ামী লীগের নানা ব্যর্থতা, উন্মত্ত ছাত্রলীগের রাশ টানতে না পারা, দলবাজি এই তারুণ্যকে আহত করেছে। শুধু যুদ্ধাপরাধী বিচারের আয়োজন এদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। এই সত্যটি অনুধাবন করে বিএনপি ঘুরে দাঁড়ানোর পথ তৈরি করতে পারতো। বুঝতে হবে বিকল্প না থাকায় আওয়ামী লীগ এই প্রজন্মের সমর্থন পেয়েছিল। এ সত্য আওয়ামী লীগ নেতারা না বুঝতে চাইলেও বিধ্বস্ত বিএনপি নেতাদের বোঝা উচিত ছিল। দস্যু রত্নাকরও তো বাল্মিকী হতে পেরেছিলেন। তাই নিয়মতান্ত্রিক পথে হেঁটে এবং নিজ আদর্শ ও আচরণে সংস্কার এনে বিএনপির নতুন অবয়বে আবির্ভূত হওয়া উচিত ছিল। বোঝা উচিত ছিল জামায়াতে ইসলামীর ভোটারদের চেয়ে আধুনিক-মনস্ক নতুন ভোটারদের শক্তি অনেক বেশি। এই বিবেচনায় জামায়াত-বন্ধুত্ব ত্যাগ করে দলকে নতুনভাবে উপস্থাপনের মত বিপ্লব করতে পারতো। যুদ্ধাপরাধী বিচারে পূর্ণ সমর্থন দিতে পারতো।
বিএনপি এই সরকারের আমলে নিজ সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই হোক বা শুভবুদ্ধির জন্যই হোক হরতাল-অবরোধের সংস্কৃতি থেকে কিছুটা সরে এসেছিল। এদেশের সাধারণ মানুষ একারণে বিএনপির রাজনীতিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা শুরু করে। কিন্তু নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসতেই অস্থিরতা দেখা দিল বিএনপির মধ্যে। সরল অঙ্কে বার বার ভুল হতে থাকলো। জামায়াত আবার শক্ত বাঁধনে বেঁধে ফেললো। বিজয়ের মাসে জামায়াত বেপোরোয়া হয়ে উঠলো যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে। গণদাবি নয়, এ ছিল জামায়াতের গণবিরোধী দাবি। অমন দাবি নিয়ে রাজপথ গরম করার জন্য জামায়াত সভা করতে চাইলো। সভা করতে দিলে সরকারের কতটা মহাভারত অশুদ্ধ হতো জানি না, তবে এই ইস্যুতে হুট করে ডাকা জামায়াতের হরতালে বিএনপি নৈতিক সমর্থন জানিয়ে নিজের সামান্য অর্জনকেও যে অবহেলায় বিসর্জন দিল এটি বুঝতে বিশেষ বুদ্ধির প্রয়োজন হয় না।
যে সময় হরতাল ও রাজনৈতিক নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মনোভাব তৈরি হয়েছে তখন গণবিরোধী ইস্যুর হরতালে বিএনপির এই সমর্থন দলটির যেটুকু ক্ষতি করলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির খোলসে বিজয়ের মাসে জামায়াতী হরতালের রেশ ধরে বিএনপির অবরোধের ডাক অতঃপর হরতাল ইতিহাসে বিএনপির বড় রকমের রাজনৈতিক ভুল হিসেবে চিহ্নিত হবে। জনগণকে নেতারা যতটা বোকা ভাবেন জনগণ যদি ততটা বোকা না হন তবে এভাবে মানুষ বিচার করবেন: ১. কিছুকাল আগে ভুয়া ভোটার তালিকায় জালিয়াতির নির্বাচন প্রস্তুতির কুখ্যাতি ছিল বিএনপির। তাই দলটির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি কতটা গণদাবি তাতে যেহেতু জনমনে প্রশ্ন রয়েছে তাই জনকল্যাণ নয় নিজ ক্ষমতার পথ তৈরির দাবিতে জনগণের ওপর অবরোধ-হরতাল চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। ২. অবরোধের দিন জনগণকে গাড়ি বের করতে নিষেধ করে এক ধরনের ভীতি তৈরি করেছেন বিএনপি নেতৃত্ব। জনগণের নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন করে তাদের গৃহবন্দি করে অবরোধের সাফল্য প্রমাণ করতে চেয়েছেন। ছাত্রদল, যুবদল বন্ধু শিবির ক্যাডারদের নিয়ে নৈরাজ্য চালিয়েছে। যা সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে। ৩. এতকিছুর পরও এই গণবিচ্ছিন্ন অবরোধ পালনের জন্য বিএনপি নেতারা জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে উপহাস করেছেন। ৪. অবশেষে চরম বীভত্স আচরণ করেছেন অবরোধ-উত্তর সন্ধ্যায় বিএনপি মহাসচিব। তিনি বিএনপি- জামায়াতের নৈরাজ্যকে মিডিয়ার সামনে ‘গণঅভ্যুত্থান’ বলে এদেশের গণঅভ্যুত্থানের গৌরবের ঐতিহ্যকে লাঞ্ছিত করেছেন। ৫. বিজয়ের মাস, স্কুলগুলোতে পরীক্ষা চলছে, তা ছাড়াও নির্বাচনের প্রায় এক বছর বাকি তাই মাঠ গরমের আন্দোলন জানুয়ারি থেকে করলে বিএনপির কী এমন ক্ষতি হতো? এই তড়িঘড়ি হরতাল-অবরোধ যে জামায়াতকে সহযোগিতা করতে আর যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে এ সত্য সাধারণ মানুষের মন থেকে তাড়ানো কঠিন হবে। আমরা বিএনপি নেতৃত্বকে অনুরোধ করবো বাস্তবতা ও যুক্তি দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যাতে গ্রহণ করেন। দলটিকে ক্রমে আত্মহননের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন উগ্র আর ক্ষমতার জন্য উদগ্র নেতারা। আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বলতায় বিএনপি যতটুকু এগিয়েছিল তার চেয়েও বেশি পিছিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করছে। আওয়ামী লীগের বর্তমান নেতৃত্বের যে মনোভাব তাতে আমাদের আশংকা ভারসাম্যহীন রাজনীতি জাতির ভাগ্যাকাশে আরো জমাট মেঘের সৃষ্টি করবে। সচেতন মানুষের ভয়টি সেখানেই।
লেখক :অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
