প্রিয়, শিক্ষার্থী বন্ধুরা বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। আজকের বিষয় আমাদের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ।
জাতীয় পতাকা : আমাদের জাতীয় পতাকার রঙ গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত। এ সবুজ রঙ বাংলাদেশের সবুজ-শ্যামল গ্রাম ও তারুণ্যের প্রতীক। লাল রঙের বৃত্তটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক। পতাকাটির দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও বৃত্তের অনুপাত যথাক্রমে ৫ ঃ ৩ ঃ ১। অর্থাত্ দৈর্ঘ্য ৫ মিটার হলে, প্রস্থ ৩ মিটার ও বৃত্তটি হবে ২ মিটার ব্যাসার্ধের।
২মার্চ : জাতীয় পতাকা দিবস। ১৯৭১ সালের এইদিনে প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন আ.স.ম আব্দুর রব। প্রথমদিকে ও মুক্তিযুদ্ধের সময় এ পতাকায় লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ বা সোনালী রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র অংকিত ছিল। মানচিত্র খচিত এ পতাকার ডিজাইনার ছিলেন শিব নারায়ণ দাস (বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ৪১০ নং রুমে বসে)। বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ২৩ মার্চ, ১৯৭১। বর্তমান পতাকার ডিজাইনার চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। আমাদের পতাকার সাথে এর মিল রয়েছে জাপান ও পালাউ এর পতাকার।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ : আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত সাভারের নবীনগরে। এর অন্য নাম সম্মিলিত প্রয়াস। এতে ফলক রয়েছে মোট ৭টি এবং উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬.৫ মিটার। এ ফলকগুলো দ্বারা ১৯৫২ হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আন্দোলনের ৭টি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে বোঝানো হয়। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর। উদ্বোধন করা হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮২।
ছন্দে শেখা, আনন্দে মনে রাখা
প্রিয় বন্ধুরা, ‘ছন্দে শেখা, আনন্দে মনে রাখা’ এ বিভাগে আজ থাকছে ‘গ্যাসক্ষেত্রের অগ্নিকান্ড’ নিয়ে ছন্দ। মনে রাখার দারুণ সব ‘ছন্দ ও কৌশল’ আপনারাও ছন্দ লিখে পাঠাতে পারেন এ বিভাগে।
গ্যাসক্ষেত্রে অগ্নিকান্ড
১ম মাগুরছড়া’৯৭: মৌলভির মাগুরছড়ায় আগুন লাগায় USA’র অক্সিডেন! জুন ’97
ব্যাখ্যা : সর্বপ্রথম ১৯৯৭ সালে মৌলভি বাজারের মাগুরছড়া গ্যাসক্ষেত্রে আগুন লাগে ১৯৯৭ সালে। এর দায়িত্বে ছিল USA’র অক্সিডেন্টাল কোম্পানি।
টেংরীটোলা সিলেটি, নায়কো কানাডার/ টেংরিটোলায় আগুন লাগে ’৫-এ!]
ব্যাখ্যা : টেংরীটোলা গ্যাসক্ষেত্রে অবস্থিত সিলেটে। এর দায়িত্বে ছিল কানাডিয়ান কোম্পানী নাইকো। এখানে আগুন লাগে ২০০৫ সালে।
