[ রা জ নী তি ]

সাম্প্রতিক রাজনীতি ও শ্রমিক শ্রেণীর জীবন-সাম্পান

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:০০
‘আমরা যাইনি মরে আজও তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়, মহীনের ঘোড়াগুলো ঘাস খায় কার্তিকের জোছনার প্রান্তরে।’ পংক্তি দুটি জীবনানন্দের লেখা ‘ঘোড়া’ নামক পরাবাস্তর কবিতার। আমরা বেঁচে আছি বলেই বিশ্বজিতের মতো খেটেখাওয়া নিরীহ টগবগে যুবকের যাতনাময় মৃত্যুর দৃশ্য দেখতে হলো। দেখতে হলো ১১১ জন মজুর শ্রেণীর মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু, এছাড়া আমরা ফ্লাইওয়ারের গার্ডার ধসে পড়লে কিছু নিরীহ মানুষের মৃত্যু দেখে কষ্টে কুঁকড়ে গেলাম। জানতে পারলাম বোটানিক অ্যারোমা ক্রিমের আসল উপকরণ কী কী? বোটানিক অ্যারোমার বিষয়টি এ কারণেই প্রাসঙ্গিক যে, এই ক্রিমের অধিকাংশ ভোক্তা মজুর শ্রেণীর মানুষ। বিশ্বজিত্ দাস ঋষিকেশ দাস রোডের বাসা থেকে পায়ে হেঁটে শাঁখারীবাজারে তার কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। হঠাত্ করেই তিনি ছাত্রলীগ এবং ছাত্রদলের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে যান। এ সময় একটি বোমা বিস্ফোরিত হলে বিশ্বজিত্ জীবন বাঁচানোর জন্য দৌড়ে পার্শ্ববর্তী দোতলা ভবনের টমাস ডেন্টাল ক্লিনিকে আশ্রয় নেন। এতে শেষ রক্ষা হয়নি, তাঁর পেছনে ধেয়ে এসেছে হাঙরের দল। কেউ মেরেছে কিল-ঘুষি, কেউবা লাঠির বাড়ি, একজন তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছে, অন্যজন রড দিয়ে পিটিয়েছে। বিশ্বজিতের পুরো শরীর বেয়ে রক্ত ঝরেছে, সে কাকুতি-মিনতি করে জানিয়েছে; সে কোন দলের কর্মী নয়, বোমাবাজির সঙ্গে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই, কিন্তু দুর্বৃত্তরা তার কোন কথাই কানে তোলেনি অর্থাত্ বিশ্বাস করেনি। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের বিষয়টিও এখানে প্রযোজ্য নয়। মুখ্য হল ব্যক্তির জীবন। কেউ যদি বোমাবাজি করেই থাকে, তা দেখার এখতিয়ার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর, দলীয় ক্যাডার বাহিনীর নয়। বিশ্বজিত্ রাষ্ট্রের একান্ত সাধারণ একজন মানুষ। সত্ভাবে উপার্জন করে সংসারের চাকা সচল রাখতেই তিনি ব্যস্ত ছিলেন। গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের ভয়াবহ বীভত্স রূপ তার অজানা ছিল। যদি বিশ্বজিত্ জানতেন এতটাই যন্ত্রণাক্লিষ্টভাবে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হবে, তবে তিনি ঐদিন বাড়ি থেকেই বেরুতেন না। জন্মই কি এই খেটেখাওয়া মানুষদের আজন্ম পাপ। ঐ একই দিনে অন্য একজন দিনমজুর বিআরটিসি’র একটি দোতলা বাসের নিচে চাপা পড়ে নিহত হন। মাটি কাটার শ্রমিক মংলা প্রামাণিক সকাল সাড়ে আটটার দিকে কাজ পাওয়ার আশায় শাহজালাল (রা.) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের গোলচক্করের পূর্বপাশে এসে বসেন। হঠাত্ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে তিনি প্রাণে বাঁচার জন্য রাস্তা পার হবার চেষ্টা করার সময় বাসের নিচে চাপা পড়েন। জীবিকার সন্ধানে মংলা প্রামাণিক ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি আর কিই-বা করতে পারতেন। এদেশের গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে যে সব মজুর শ্রেণীর মানুষ, তাদের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই অথচ দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে তৈরি পোশাক শিল্পের জানালা বেয়ে। গত অর্থ বছরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের মধ্যে দুই হাজার কোটি ডলার এসেছিল তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে। এই দুই হাজার ডলার রপ্তানি আয়ের পেছনে শ্রমিক মানুষগুলোর কথা কি কেউ কখনও গভীরভাবে ভেবেছে? যে মানুষগুলোর সিংহভাগই নারী। অভাবের তাড়নায় এসব মেয়েরা গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে বাধ্য হয়েই পোশাক শিল্প কারখানায় কাজ নেয়। ছোট ছোট খুপরি ঘরে গাদাগাদি করে তারা বসবাস করে। কাক ডাকা ভোরে ঘুম থেকে জেগে রান্না-বান্না সেরে সকল ৮টার মধ্যে তারা কাজের জায়গায় পৌঁছে যায়। তাদের খাবার হিসেবে জোটে আলু ভর্তা, ডাল আর ডিম। এরা আবার ওভারটাইম করে ঘরে ফেরে বেশ রাত করে। এজন্যই বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যম এবং দেশীয় গণমাধ্যম দুটি বিষয় নিয়ে ভীষণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আর তা হল মালিকদের অতি মুনাফালোভী মনোভাব এবং কারখানাসমূহের কমপ্লায়েন্সের (কর্ম পরিবেশ) অভাব। যে শ্রমিক রাত-দিন খেটে মালিককে মুনাফা যোগান দিচ্ছে, সেই শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা দেবার কোন সদিচ্ছা মালিকের নেই। যে কারণে প্রায়ই পোশাক শিল্প কারখানায় আগুন লাগে এবং সেই আগুনে পুড়ে যায় নগণ্য শ্রমিকের সস্তা জীবন! তাতে কার কি! এ বছরের নয় মাসে দেশে ১৪ হাজার ৯৪২টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুধু পোশাক শিল্প কারখানায় প্রাণহানি ঘটেছে। বাংলাদেশের শিল্প কারখানাগুলোর নিরাপত্তা পরিদর্শনের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন মাত্র ৫০ জন। এসব নিরাপত্তা পরিদর্শকের বিরুদ্ধেও রয়েছে সীমাহীন অভিযোগ। ২০০৯ সালে নিশ্চিন্তপুর গ্রামে চারদিক বাড়ি আর ফসলি জমির মাঝখানে তাজরীন ফ্যাশন্স লিমিটেড নামে গার্মেন্টসটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রবেশের রাস্তাটিও সরু। ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এই কারখানার নিচতলায় অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। এ সময় তিন তলা থেকে নয় তলা পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন ১১৫৯ জন শ্রমিক, সাতজন কর্মকর্তা এবং ১২ জন নিরাপত্তা কর্মী। বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের দেয়া জবানবন্দি থেকে জানা যায়, অগ্নিকান্ডের পর পর কারখানার কলাপসিবল গেইট তালা দিয়ে দেওয়া হয়। শ্রমিকরা বের হতে চাইলে নিরাপত্তা কর্মীরা বলে যে, ভেতরে থাকো, আগুন লাগেনি। শুধু তাই নয়, পিএস (উত্পাদন ব্যবস্থাপক) শ্রমিকদের বলেন, অগ্নি নির্বাপণ মহড়া চলছে। এভাবেই নিরাপত্তা কর্মী এবং কর্মকর্তারা শ্রমিকদের মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ফল হিসেবে আগুনে পুড়ে এবং নিচে লাফ দিয়ে নিহত হন ১১১ জন শ্রমিক। ছাদে যারা যেতে পেরেছিলেন তাদেরকে দমকল বাহিনী নিরাপদে উদ্ধার করে। প্রশ্ন হলো, কেন, কার প্ররোচনায় তারা এ কাজটি করলেন? মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘটনাটিকে নাশকতামূলক বলে চিহ্নিত করেছেন। পুলিশের তদন্ত কমিটি এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা এ বক্তব্যের সত্যতা পেয়েছে। আগুনে পুড়ে নিচে লাফিয়ে পড়ে ১১১ জন শ্রমিকের মৃত্যুর পর আমেরিকার বড় চেইন শপ ওয়ালমার্ট একটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। অতি সম্প্রতি এই ঘটনায় ওয়ালমার্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইক ডিউক নিউইয়র্কে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। ম্যানহাটনে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রমিক এবং নাগরিক অধিকারের সদস্যবৃন্দ এ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকালে তারা ‘কারখানা জেলখানা নয়’ এবং নিহতদের স্বজনদের আহাজারির ছবিসহ নানা প্লাকার্ড বহন করছিলেন। ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মালিক দেলোয়ার হোসেনের অমার্জনীয় অবহেলাকে দায়ী করেন। কমিটি তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩০৪ (ক) ধারায় (অবহেলার জন্য মৃত্যু) মামলার সুপারিশ করেছে। কমিটি স্বরাষ্ট্র ও শ্রম মন্ত্রণালয় এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে, যারা পোশাক শিল্প কারখানাসমূহের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, জরুরি অবতরণের সিঁড়ি ইত্যাদি বিষয়ের তদারকি করবেন। ২৪ তারিখ শনিবার রাত পৌনে আটটার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর বহদ্দারহাট জংশনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তত্ত্বাবধানে নির্মাণাধীন ফ্ল্যাইওভারটি দ্বিতীয়বারের মতো ভেঙে পড়ে। এ সময় ফ্লাইওভারের তিনটি গার্ডার বিকট শব্দে ধসে পড়লে এর নিচে চাপ পড়ে তাত্ক্ষণিকভাবে নিহত হন ৭ জন ব্যক্তি। আরো অন্তত ৫০ জন গার্ডারের নিচে চাপা পড়েছিলেন, তাদের মধ্যে কারো কারো মৃত্যু হয়েছে, অনেকে বেঁচে আছেন হাত-পা ভেঙে। এই ফ্লাইওভারের নিচে বাজার বসেছিল। বাজার করতে এসেছিলেন নিম্নবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ। এর আগে এ বছরের জুন মাসেও একটি গার্ডার ভেঙে পড়েছিল। সে সময়ের তদন্ত কমিটি গার্ডার রক্ষায় যে পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার কথা বলেছিলেন, সে-সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি বলেই আবার দুর্ঘটনা ঘটল। বোটানিক এ্যারোমার মালিক আসাদুজ্জামান লিটন গত কয়েক বছর যাবত্ বিভিন্ন নামে ফেয়ারনেস ক্রিম বাজারজাত করে আসছে। একটি ড্রামের মধ্যে আটা, ময়দা ও নানা ধরনের গুঁড়ার সঙ্গে মার্কারি, হাইড্রোকুইনন, স্টোরয়েড জাতীয় দ্রব্য এবং সুগন্ধী মিশিয়ে টিউবে বা কৌটায় ভরা হতো। এরপর ফেয়ারনেস ক্রিম, ব্লাক ডায়মন্ড ক্রিম, নাইটকুইন ক্রিম ও জেন্টস স্পট আউট ক্রিম নামে তা বাজারে বিক্রি হতো। এ দেশে অহরহই দুর্ঘটনা ঘটে মানুষের অমূল্য প্রাণ-নিভে যায়। প্রতিটি দুর্ঘটনার সঙ্গে-সঙ্গেই জোরে-শোরে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কমিটি তদন্ত শেষে রিপোর্ট পেশ করেন, কিন্তু রিপোর্টের সুপারিশের বাস্তবায়ন তেমন হয় না। বাস্তবায়ন হলে দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে প্রলেতারিয়েত বা মজুর শ্রেণীর মানুষের মৃত্যুর সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হত না। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৪১ বছর অতিক্রম করেছে। চলছে বিজয়ের মাস। এ বছর বিজয়ের মাসের শ্লোগান হচ্ছে “বিজয় থেকে বিজয়”। স্বাধীনতার পর বারবার ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। এর মধ্যে ৯ বছর শুধুমাত্র সামরিক সরকার ক্ষমতায় ছিলেন। সে সময় বাদ দিলে অন্য সময়ে এদেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের কথা জোরেশোরে বলা হয়। বলা হয় জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের কথাও। কিন্তু বাস্তব ভীষণ নির্মম। যে সাধারণ মানুষের ভোটে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, সেই মানুষের সব সময় অপাংক্তেয় থেকে যান। তারা যদি কখনও কোন রাজনৈতিক দলের নেতার কাছে কোন কাজের জন্য যান, তখন সেই ব্যক্তির অবস্থান নির্ণীত হয়, তিনি দলের সক্রিয় কর্মী কিনা। যদি কর্মী না হন, তবে তিনি তার ন্যায্য নাগরিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হন। দেশের উন্নতি হচ্ছে, তাতে কোন সন্দেহ নেই; তবে সেই উন্নতি কিছু নির্ধারিত ব্যক্তির উন্নতি, সমষ্টির নয়। সমষ্টির জীবন-সাম্পান নানা দোলাচলে নাভিশ্বাস। এই সমষ্টি বলতে নিম্নবিত্ত, নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষকে বোঝানো হয়েছে। টমাস মান বলেছিলেন, ‘রাজনীতি আমাদের বিধিলিপি’। মূলত রাজনীতির প্রত্যক্ষ অভিঘাতের ফলেই অপ্রত্যক্ষভাবে দেশ পরিচালিত হয়। বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহ। নেতৃত্বের গুণাবলীর প্রধান দু’টি বিষয় হলো: প্রথমত—একজন নেতাকে সত্ হতে হবে, দ্বিতীয়ত- জনগণের প্রতি ভালবাসা থাকতে হবে বাকি গুণাবলী নেতার যদি নাও থাকে, তবে তার সহযোগিদের থাকলেও চলবে। যেমন: জ্ঞান, প্রজ্ঞা, দক্ষতা, দূরদর্শিতা ইত্যাদি। আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের খানিকটা হলেও সত্ এবং জনগণের প্রতি ভালবাসা থাকতে হবে। শুধু ক্ষমতার প্রতি ভালবাসা থাকলেই চলবে না। নেতৃত্বের এসব গুণাবলী যদি আমাদের নেতাদের মাঝে প্রত্যাবর্তন করে, তবে বিশ্বজিতের খুনিরা বিচারের মুখোমুখি হয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে, শিল্প কারখানায় আগুন লাগবে না, শ্রমিকরা তাদের জীবন-মান এবং জীবনের নিরাপত্তা ফিরে পাবে। ফ্লাইওভারের গার্ডার ভেঙে নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটবে না, মংলা প্রামাণিককে বাস চাপা দেয়া ড্রাইভারের বিচার হবে, বোটানিক অ্যারোমা নামক অস্বাস্থ্যকর ক্রিম উত্পাদনকারীকে সমুচিত শিক্ষা দেয়া হবে। আর যদি তা না হয় তবে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট তাঁর সেনাপতি জেনারেল সেলুকাসকে যে কথাটি বলেছিলেন, সেই উক্তিটি দিয়েই শেষ করব: ‘সত্যি সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ’। লেখক: গবেষক, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল, ইন্টারন্যাশনাল পেন বাংলাদেশ সেন্টার E-mail: [email protected]