এই শীতে বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই সহজেই শরীর চুলকায়ে, এলার্জি হতে পারে। সাধারণত খাদ্যে এলার্জি, ডাস্ট বা ধুলো-ময়লা থেকে এলার্জি, রং থেকে এলার্জি, নতুন কাপড় থেকে এলার্জি, কসমেটিক প্রসাধন সামগ্রী থেকে এলার্জি। সফট ড্রিংস, ফাস্টফুড, টিনজাত ফুড, জুস থেকে এলার্জি। সাধারণত এলার্জির কারণ জেনে চিকিত্সা নিলে এলার্জি থেকে ভালো থাকা যায়। এছাড়া যাদের খাদ্যে এলার্জি আছে তাদের ইলিশ মাছ, গরুর মাংস, ডিম, বেগুন, চিংড়ি মাছ পরিহার করা ভালো। এছাড়া অনেক সময় সিনথেটিক কাপড় ও ব্যবহার্য প্রসাধন সামগ্রী, সাবান, ডিটারজেন্ট পাউডার, কেমিক্যাল থেকেও এলার্জি হতে পারে। কারণ জেনে চিকিত্সা নেয়া ভালো। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব না হলে এলার্জিক ফুডের পাশাপাশি সিনথেটিক কাপড় পরিহার, হেয়ার ডাই না করা ভালো। আর যাদের এলার্জি খাবার অথবা প্রসাধন সামগ্রী, সিনথেটিক কাপড়, প্লাস্টিক বা রাবারের জুতা পরিহার করেও এলার্জি যাচ্ছে না তাদের অবশ্যই কিছু কিছু ওষুধ সেবন করা বাঞ্ছনীয়। এক্ষেত্রে যেকোন এন্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। তবে এলার্জির তীব্রতা মারাত্মক আকার ধারণ করলে এবং আক্রান্ত স্থান ফুলে লাল হয়ে গেলে বা চাকার মত হলে এবং সাধারণ এন্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধে ভালো না হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিত্সক রোগীর অবস্থা বুঝে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন অথবা ইনজেকশন দেবেন। তবে কোন অবস্থাতেই চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন কোন অবস্থাতেই বাঞ্ছনীয় নয়। কারণ স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে শিশুদের এলার্জি প্রতিরোধে সফট ড্রিংস, বোতলজাত জুস ও ফাস্টফুড খাওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে। পাশাপাশি ত্বকের শুষ্কতা রোধে ভালো মানের কোন ময়েশ্চারাইজার লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা উচিত।
