আসন্ন বিদায়ী ২০১২ খ্রিস্টীয় বত্সর নিয়ে এসেছে অর্থনীতির জন্য মিশ্র বত্সর। নানা ধরনের উন্নতি, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেশের অর্থনীতিকে বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নানামুখী বেসরকারি উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে। গত চার বছরে গড়ে ৬.২১% হারে মোট দেশজ উত্পাদনের প্রবৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশ্বিক মন্দা যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপীয় দেশসমূহে ছড়িয়ে পড়ছে, আরব স্প্রীং-এর কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ উত্তাল তখন মোট দেশজ উত্পাদনের প্রবৃদ্ধির হারকে অবশ্যই সন্তোষজনক বলা চলে। এদিকে হলমার্ক কেলেংকারি, ডেসটিনির কেলেংকারির পাশাপাশি বিরাজমান শেয়ার বাজারের অস্থিতিশীলতা আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলতার পরিচায়ক। অন্যদিকে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন মডেলের প্রশংসা দেশের জন্য ইতিবাচক প্রভাব বয়ে আনছে। কেননা উন্নয়নের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কেবল দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতি সাধন করা সম্ভব হবে। আবার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বছরের শেষভাগে এসে অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ পড়ছে। পঁচানব্বই-ছিয়ানব্বইয়ের কথা না ভেবে বরং একবিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকে আমাদের দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আনতে হবে। ব্যাংকিং-শিল্প-কলকারখানা-কৃষি খাতসহ সর্বত্র বাজার ব্যবস্থায় যে ধরনের সহযোগীমূলক উপাদানসমূহের প্রয়োজন তা এদেশে নেই। তারপরও গত দু’দশকে যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তাতে বেসরকারি খাতের অবদান অনেকখানি। একটি দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকলে, তাতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়। অবশ্য দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর এক অশুভ আঁতাতের কারণে যেখানে মোট দেশজ উত্পাদনের প্রবৃদ্ধির হার ৮%-এর উপরে হওয়ার কথা সেখানে এখন পর্যন্ত ৬-৬.৫% হারে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে। অবশ্য চলতি অর্থ বছরে মূল্যস্ফীতির হার ৮.৫%-এর মত। এই উচ্চ মূল্যস্ফীতি রোধের তেমন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হয়নি। এদিকে অর্থমন্ত্রী চলতি খ্রিস্টীয় বছরে অর্থনীতির অবস্থা খুব ভাল ছিল বলে দাবি করলেও তিনি কতটুকু সফল হয়েছেন তার দায়িত্ব পালনে সেটি অনুধাবন করার বিষয় রয়েছে। বৈদেশিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে বৈদেশিক রেমিটেন্স যথেষ্ট মাত্রায় এদেশে বৃদ্ধি পেয়েছে-পাশাপাশি বিশ্বের অন্য দেশসমূহে বৈদেশিক রেমিটেন্স বেড়েছে। তবে এই রেমিটেন্স উত্পাদনশীল খাতে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমরা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছি। প্রায় ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক রেমিটেন্স অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে এসেছে। আনঅফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে দ্বিগুণের বেশি রেমিটেন্স এসেছে।
মোটামুটিভাবে কৃষি খাতে বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষিজাত পণ্যের দামও স্থিতিশীল ছিল। তবে কৃষকেরা অনেক ক্ষেত্রেই মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এই অব্যবস্থা শুধু এক বছরের নয়- দীর্ঘদিনের বঞ্চনার। এই অব্যবস্থা ভাঙ্গার জন্য যে ধরনের ব্যবস্থাপনা দরকার তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সরবরাহজনিত ব্যবস্থাপনার মান উন্নত করা বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়েছে। ধীরে ধীরে দেশ এগুলেও এখন একটি “বিগ পুশ” কৃষি খাতে দরকার। সার্বিকভাবে হোলিস্টিক এ্যাপ্রোচের মাধ্যমে কৃষি খাতের সংস্কার দরকার, কেবল এডহক ভিত্তিতে পরিচালিত কৃষিনীতির বাস্তবায়ন দ্বারা যেটুকু উন্নতি সাধিত হচ্ছে তা মূলত: আমাদের হতদরিদ্র কৃষকদের কারণেই হচ্ছে। Agro-based ব্যবসার জন্যে যে ধরনের লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়োজন তা ব্যবহার করা হয়নি। উচ্চ ফলনশীল বীজ ব্যবহারের কারণে কৃষিজাত পণ্যের প্রবৃদ্ধি বাড়লেও তা দেশের জন্যে দীর্ঘমেয়াদে এক ধরনের ডিপেনভেনসী সিনড্রোম ক্রিয়েট করছে। মাথাপিছু চাষাবাদযোগ্য জমির পরিমাণও কমে আসছে। জনসংখ্যার ঊর্ধ্বগতি রোধকল্পে কোন বিশেষ পরিকল্পনা এ বছর চোখে পড়েনি। অথচ বাংলাদেশ হতে পারত পৃথিবীর অন্যতম উন্নত রাষ্ট্র। আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রীন ব্যাংকিং চালুর প্রয়াস গ্রহণ করেছে। এটি একটি ভাল উদ্যোগ। কিন্তু সমস্যা হলো ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশেনার ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও তার সঠিক বাস্তবায়ন কিন্তু বেসরকারি ব্যাংক ব্যবস্থায় হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির উপর জোর দিয়েছে। তবে যে হারে ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা তথা ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরে নানা ধরনের ক্রাইম বেড়েছে তা প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যর্থ হয়েছে। হলমার্কের কেলেংকারি সাথে কেবল সোনালী ব্যাংক নয় অন্যান্য পাবলিক-প্রাইভেট এবং বহুজাতিকসহ ৩১টি ব্যাংক জড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিচালক নিয়োগ দোষের নয়, কিন্তু নৈতিক মান এবং পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। এই বিষয়টি কেন যে অর্থ মন্ত্রণালয় বুঝে না তা বোধগম্য নয়। এদিকে ডেসটিনি ইউনিপে-২সহ অন্যান্য মাল্টিলেভেল কোপারেটিভ সোসাইটির অপকর্ম বহুদিনের। আসলে সরকারের চেয়ে আমরা যারা রাতারাতি বড়লোক হতে চাই, তাদের সেই অমিত লোভ-ই দায়ী। যারা অন্যায় করেছেন তাদের যেমন শাস্তি হওয়া বাঞ্ছনীয় তেমনি যারা এই অপকর্মের শিকার হয়েছেন তারা যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগে সতর্ক হোন। শেয়ার বাজার স্থিতিশীল করার জন্য সরকার আন্তরিক হলেও যাদের উপর দায়িত্ব অর্পণ করছেন তাদের অবস্থা হচ্ছে যে যায় লংকায় সেই হয় রাবণ। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সাথে যারা প্রবঞ্চনা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
বাংলাদেশে পোশাক শিল্প সবচেয়ে বেশি আলোচিত। বত্সরে প্রায় ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আসে। যে সমস্ত উদ্যোক্তা পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত তাদের অধিকাংশই কষ্ট করে এ খাতের সুনাম বৃদ্ধিতে সচেষ্ট রয়েছেন। অথচ তাজরিন ফ্যাশানের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় মধ্যযুগীয় বর্বরতার চেয়ে নৃশংসভাবে এ খাতের মূল চালিকা শক্তিরা নিহত হচ্ছেন। প্রায় ১২০ জনের বিভীষিকাময় মৃত্যুর পর দেশের সাধারণ মানুষ যেমন দুঃখে ভরাক্রান্ত হয়ে পড়েছিল তেমনি বিদেশি ক্রেতারাও নড়েচড়ে বসেছেন। আসলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর জন্যে যোগ্য ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সুনামের হানি ঘটছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এদিকে আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ হিসাবে কোন কোন শ্রমিক সংঘ এই দুঃখজনক ঘটনাটিকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ারে রূপান্তরে সচেষ্ট রয়েছেন। বাংলাদেশে যেখানে গড়ে মাসিক আয় পোশাক শিল্প খাতে কর্মরত শ্রমিকের প্রায় ৫৫ মার্কিন ডলার সেখানে চীনে হচ্ছে প্রায় ১৯০ মার্কিন ডলার। এমনকি ভিয়েতনাম-লাওসেও গড়ে শ্রমিকের মাথাপিছু আয় হচ্ছে প্রায় ৮০ মার্কিন ডলার ও শ্রীলংকায় প্রায় ৯২ মার্কিন ডলার। এই হতভাগা শ্রমিকদের জানের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব কেবল সরকারের একার নয়, বরং বিজিএমইএ এবং সিভিল-সোসাইটি, মিডিয়া, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার সাথে জড়িত সকলের সম্মিলিতভাবে করা উচিত। শহর এলাকা থেকে দূরে, যেখানে পানির ব্যবস্থা রয়েছে, এমন স্থানে কারখানাসমূহ আগামী তিন বত্সরে প্ল্যান মাফিক স্থানান্তর করা উচিত। এদিকে এবার চামড়া শিল্পে সঠিক ব্যবস্থা না নেয়ায় বিদেশে দুর্নামের ভাগিদার হতে হয়েছে। চামড়া শিল্প প্রক্রিয়াকরণের জন্যে আধুনিক ব্যবস্থায় সাভারে অনতিবিলম্বে স্থানান্তর করা উচিত। পোল্ট্রি শিল্পে যে সমস্যা রয়েছে চলতি বত্সরেও তা বিদ্যমান ছিল। পোল্ট্রিজাত পণ্যের দাম বেশ বেড়েছে। ফিশারিজ এবং লাইভস্টকের ক্ষেত্রে তেমন অগ্রগতি হয়নি। স্মল এবং মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজসমূহের ক্ষেত্রে সরকারের উদার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে ব্যাংকগুলোর সামঞ্জস্য না হওয়ায় বেশ সমস্যা হচ্ছে। অথচ দেশে শিল্প ক্ষেত্রের প্রায় নব্বই শতাংশ হচ্ছে এসএমই। এজন্য উদার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে প্রয়োজন হচ্ছে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। গতানুগতিক নিয়মনীতি দ্বারা দেশের সঠিক শিল্পায়ন যেমন সম্ভব নয় তেমনি কর্মসংস্থানও সম্ভব নয়। দেশের শিল্পক্ষেত্রে একটি যোগ্য শিল্পনীতির সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অগ্রযাত্রা সম্ভব।
গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর কারণে পরিবেশগত সমস্যা দেশের অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে গ্রাস করছে। এই সমস্যা মূলত: উন্নত বিশ্ব কর্তৃক তৈরি হলেও এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ইতোমধ্যে সিডর, আইল্যাসহ বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হচ্ছে। এ ব্যাপারে পরিবেশ অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ বেশকিছু প্রশংসনীয় কাজ করেছেন। তবে উন্নত বিশ্ব এখন পর্যন্ত সহায়তা দিতে রাজি নয়।
এদিকে বৈদেশিক রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। এটি একদিক দিয়ে ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে প্রতিবাদ হচ্ছে। প্রায় দু’মাসের অধিককাল ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলারের বিপরীতে টাকার মান উচ্চ রয়েছে। এখন যেখানে এটি প্রায় ৮১.৫০ টাকা সমান হচ্ছে এক মার্কিন ডলার কিন্তু রিয়েল এফেকটিভ এক্সচেঞ্জ রেইট হিসাব করলে এটি প্রায় ৭৫ টাকায় নেমে আসবে। জোর করে টাকার মূল্যমান বেশি রাখার কারণ বোধগম্য নয়। এর ফলে বরং আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়ছে। এদিকে আমদানি হ্রাস পাওয়া দেশের জন্যে ভাল হয়েছে।
বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হলে যে ধরনের ম্যাক্রো এনভায়রনমেন্টের প্রয়োজন তা আমরা চলতি বছরেও ব্যবস্থা করতে পারিনি। ফলে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়নি যাতে পণ্য সরবরাহে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে। নৌপথে পণ্য পরিবহন পৃথিবীর সব দেশে অগ্রগামী হলেও গত সাত বছরে বেশকিছু নৌপথ বন্ধ হয়ে গেছে। যা চলতি খ্রিস্টীয় বছরেও বহাল ছিল। রেলপথে পণ্য পরিবহনে বর্তমান রেলমন্ত্রী বেশ আন্তরিক। কিন্তু আমাদের মধ্যে যে লোভ তাতে যদি অসুরের মত যাত্রীর সর্বস্ব হরণ করেই ক্ষান্ত হই না বরং যাত্রীকে ছুঁড়ে ট্রেন থেকে ফেলে দেয়ার মন-মানসিকতা থাকে তবে কিভাবে উন্নয়ন সম্ভব?
আমাদের দেশে বর্তমানে মাত্স্যান্যায়-এর মত অবস্থা বিরাজ করছে অর্থাত্ পাল যুগের সূচনার পূর্বে বড় মাছ যেমন করে ছোট মাছকে গিলে খায় সেই অবস্থা। ভারতের মনমোহন সিং সরকারের কাছ থেকে আমাদের শেখার আছে। যেই দুর্নীতি করুক, সরকারের যত বড় উচ্চ পদে আসীন হোক, যখন-ই কোন দুর্নীতি করুক বিচার ব্যবস্থার আওতায় চলে যাচ্ছেন। আমাদের দেশেও সে ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গড়তে চেয়েছিলেন- তা প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশের অর্থনীতি উন্নত হবে। হরতাল-ঘেরাও, অবরোধের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে জনকল্যাণের জন্যে নতুন ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। কেননা উপরোক্ত পদক্ষেপ অর্থনীতিকে পেছনের দিকে ধাবিত করে। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মীয় গোঁড়ামি বা উগ্র মতবাদ পছন্দ করে না- তারা শান্তি চায়। তাদের চাহিদা খুব স্বল্প আর সুন্দর ব্যবস্থাপনায় অর্থনীতি তা সরবরাহ করতে পারে।
লেখক :ম্যাক্রো ও ফিন্যান্সিয়্যাল ইকোনোমিস্ট এবং বিভাগীয় প্রধান,
ব্যবসা বিভাগ প্রেসিডেন্সী বিশ্ববিদ্যালয়।
