২০১৩ সাল :নির্বাচন ভাবনা

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১০
সুস্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সরকারের ভূমিকাই মুখ্য। বর্তমানে রাজনীতির যে অস্থির সময় চলছে তার জন্য নিঃসন্দেহে বর্তমান রাজনীতিবিদরাই দায়ী। তাদের ভুল নীতিনির্ধারণের মাসুল প্রতিনিয়ত আমাদেরকেই দিতে হচ্ছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো থাকার পিছনে মূলত কাজ করে আইনের শাসন । তার জন্য প্রয়োজন আইনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর প্রয়োগ। বর্তমানে যার অনেকটাই অনুপস্থিত। যার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে গুম, হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, আত্মহত্যা ও ধর্ষণসহ আরও অসংখ্য অনৈতিক কার্যকলাপ। আইনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর প্রয়োগ থাকলে এ সকল ঘটনা ঘটতো না। অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতিও এর জন্য অনেকটা দায়ী । এককথায় বর্তমানে রাজনীতির সবচেয়ে নষ্ট সময় অতিবাহিত হচ্ছে। খোদ দুই নেত্রী জনসভা ও নানা অনুষ্ঠানে যে গণবিচ্ছিন্ন ও অগণতান্ত্রিক শব্দ ব্যবহার করছেন তা শুনে দেশের মানুষ বিস্মিত। অবশ্য এদিক থেকে সরকার দলীয় লোকজনই বেশি এগিয়ে। সরকারের উচিত অগণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক পথ সৃষ্টি করা । তাতে অন্তত এ সংঘাতময় রাজনীতি থেকে আমরা মুক্ত হতে পারবো। বর্তমান সরকারের অধীনে কিছু নির্বাচন আমরা দেখেছি, সেখানেও দলীয়করণের মহোত্সব লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন যতটা সুষ্ঠু হয়েছে তা মিডিয়ার কল্যাণে। এসব নির্বাচনের সাথে জাতীয় নির্বাচনের তুলনা করা চলে না। বর্তমানে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে কোন বিকল্প নেই তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ দাবি শুধু বিরোধী দলের নয়, আমজনতারও। এ সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন কখনোই হতে পারে না। সুতরাং সরকারের উচিত এ দাবি মেনে নিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ তৈরি করা। যাতে জাতীয় নির্বাচনে দেশের মানুষ সম্পৃক্ত হয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দসই সরকার গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে। মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন সারিয়াকান্দী, বগুড়া। খুন, গুম, অপহরণ, একের পর এক আর্থিক কেলেংকারির মধ্য দিয়ে বিদায় নিতে চলেছে ২০১২ সাল। আসছে নতুন বছর, নির্বাচনের বরণডালা নিয়ে। নির্বাচনের পথ সহজ-সরল হিসেবে যে আসছে না তা বর্তমান সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিবেশ, পরিস্থিতি ও আচার-আচারণে বোঝা যাচ্ছে। অথচ রাজনৈতিক দল, দেশবাসী ও সর্বোপরি নাগরিক হিসেবে আমরা নির্বাচনে আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব এই সহজিকরণ হিসেব কষে প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছি। বাধা হিসেবে দেখা দিচ্ছে রাজনীতি এখন বাণিজ্যিক পণ্য হওয়াতে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমতায় টিকে থাকা এবং ক্ষমতার মসনদে বসার ম্যারাথন দৌড় শুরু হয়েছে। নির্বাচন বিষয়ে বর্তমান বাস্তবতা মিলিয়ে আমরা একাধিক কারণে আশংকিত হচ্ছি, যেমন কার অধীনে নির্বাচন হবে? দলীয় সরকারের অধীনে, না নির্দলীয় সরকারের অধীনে? এ বিষয়ে সার্বজনীন সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেহেতু পারস্পরিক অনাস্থা রয়েছে, সেহেতু সর্বাগ্রে প্রয়োজন নিয়মতান্ত্রিক ফয়সালা। যাতে করে সকল দল ব্যাপক উত্সাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে নির্বাচনের মাঠে নেমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে। অন্যথায় নির্বাচন ফুলেল পথে এসে দেশকে স্থিতিশীল ও অরাজকতামুক্ত করতে পারবে এ আশা দুরাশাতে পরিণত হবে। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর। নতুন বছর ২০১৩ সন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বছর, না সংঘাত-সংঘর্ষের বছর, না তথাকথিত তৃতীয় শক্তির উত্থানের বছর তা হলফ করে কেউই বলতে পারছেন না। সরকারি দল ও প্রধান বিরোধী দল ইতিমধ্যেই মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করে বসে আছে। ইসলামী চরমপন্থি দলগুলো বেপরোয়া ভাব ও কর্মকাণ্ড দেখাচ্ছে। বাম দলগুলো স্বভাবসুলভ ইজম ও নীতিবাক্য আওড়াতে এখনও ব্যস্ত। সুশীল সমাজ মনে হয় খেই হারিয়ে ফেলেছে। সামরিক, বেসামরিক ও কর্পোরেট আমলা এবং দলছুট ও সুযোগসন্ধানী রাজনীতিবিদেরা জোটবদ্ধভাবে নিজেদের ছক আঁটতেই ব্যস্ত আছেন। ফলে জাতি আজ দিশেহারা। উদ্ভূত এই শঙ্কা ও সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কিংবা জাতিকে রক্ষার পথ বাতলিয়ে দিতে সক্ষম একমাত্র ক্ষমতাসীন সরকার ও তার দল (আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তবর্তীকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব মেনে নিয়ে)। কিন্তু সে বোধোদয় কী সরকার বাহাদুর ও তার দলের হবে? জাতির জীবনে সে সুদিন কি আসবে? ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী। সকল তর্ক-বিতর্কের ঊর্ধ্বে সত্য কথা হলো দেশের সাধারণ মানুষ রাজনীতির মার-প্যাঁচ, ভোট-ব্যালট- এর হিসাব-নিকাশ বোঝে না বা তাদের বুঝতে দেয়া হয় না। ভোট হলেই কী আর না হলেই কী? তাতে আমজনতার কি লাভ বা লোকসান হবে? আমাদের দেশে তো জনগণের চাওয়া-পাওয়ার কোন প্রতিফলন দেখা যায় না। অনেকটা বাধ্য হয়েই আমাদের সবকিছু মেনে নিতে হয়, হচ্ছেও। আমাদের প্রস্তুতি থাকা বা না থাকার ওপর দেশের কোন কিছুর বিলম্ব হবে না, এটাই অপ্রিয় সত্য। তাই রাজনৈতিক অবকাঠামো ও রাজনীতিবিদদের মানসিকতা ও নৈতিকতার পরিবর্তন না ঘটালে নির্বাচনব্যবস্থা বা নির্বাচন কোনকিছুতেই স্থিতিশীলতা আসবে না। আমাদের সার্বিক উন্নয়নে সেটাই সবচাইতে বড় বাধা। আমাদের পরিচয়- আমরা স্বাধীন দেশের পরাধীন জনগণ। এস এম ইমরানুল ইসলাম রাজন মোহাম্মদপুর, ঢাকা। দৈনিক ইত্তেফাকের এমন প্রশ্নে আমি লজ্জাবোধ করছি। কারণ গাছে কাঁঠাল রেখে গোঁফে তেল দিলে কী আর লাভ হবে? একদিকে আইন-শৃঙ্খলার ক্রমোন্নতিতে খুন, ধর্ষণ, গুম, দখল, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি, এসিড সন্ত্রাস এবং স্বয়ং পুলিশের উপর চোরাগোপ্তা হামলায় নাগরিক নিরাপত্তা আজ চরমভাবে বিপর্যস্ত। আর পুঁজিবাজার, এমএলএম কোম্পানি ও ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে যেমন করে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে ঠিক তেমনি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করতে জামায়াতের কয়েকশ’ কোটি টাকা পাচার করতে এখন ব্যক্তি ও জাতীয় অর্থনীতিতে বিভাজন চলছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন কোন্ পদ্ধতিতে হবে এ ব্যাপারে সরকার ও বিরোধীদল উভয়ই পক্ষই উদাসীনতার ভাব দেখাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতির অভিভাবক হিসাবে বিষয়টি ফয়সালার জন্য সংলাপের উদ্যোগ না নিয়ে উলটা সুশীল সমাজের উদ্যোগকে তিরস্কার করছে। সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে একই অনুষ্ঠানে থেকেও জননেত্রী ও দেশনেত্রীর মধ্যে জাতীয় সমস্যাদি সম্পর্কে আলোচনা, কুশল বিনিময় এমনকি পরস্পরের মুখ দেখাদেখি না হওয়াটা জাতির জন্য চরম দুর্ভাগ্যজনক। আবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ দ্রুত শেষ না হলে ওরা নির্বাচনে অংশ নেবে, আবারও গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে বেড়াবে। জাতির সেই দুঃস্বপ্ন দেখার আগেই নির্বাচন কমিশনের উচিত অতিদ্রুত সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণপূর্বক নির্বাচনের আইনকে সময়োপযোগীভাবে ঢেলে সাজিয়ে তা বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া। কামরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর মুন্সীগঞ্জ। হ্যাঁ অবশ্যই আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু গোটা জাতির প্রশ্ন নির্বাচন কীভাবে হবে? সরকারি দল ও বিরোধী দল যোজন যোজন দূরত্বে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হওয়ার কথা বলেন। অন্যদিকে মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চান। তাই এই মুহূর্তে জাতির সামনে নির্বাচন প্রশ্নে একটা সমাধান দরকার। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। বিশ্বাস করার কথাও না। তাই আগামী নির্বাচন সর্বদলীয় সরকারের অধীনে হওয়াই বাঞ্ছনীয়। যাতে সরকারপ্রধান থাকবেন বর্তমান বিরোধী দলীয় নেত্রী অথবা বিরোধী দলীয় অন্য কোন সদস্য। এক্ষেত্রে সরকার গঠিত হবে মহাজোটের ৮ জন ১৮ দলীয় জোটের ৭ জন সদস্য নিয়ে। তবে নির্বাচন কমিশন সর্বসম্মতিক্রমে পুনর্গঠিত করে এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনকালে প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা যেতে পারে। তবেই জাতি আকাঙ্ক্ষিত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন পেতে পারে। প্রকৌশলী শাহ আলম খান, সরল বাঁশখালী, চট্টগ্রাম। অস্বীকার করা যাবে না বাংলাদেশের অর্থনীতি অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভালো। কাজেই সদিচ্ছা থাকলে নিজেরাই পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব। সেটাও কোন আকাশ কুসুম কল্পনা নয়। তবে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িকতা অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার এসেছে, আবার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ২০১৩ সালে আসবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। আব্দুল মালেক মিয়া মিরপুর, ঢাকা। ২০১২ সালে বাংলাদেশের কোন অগ্রগতি চোখে পড়েনি। চারদিকে শুধু নৈরাজ্য, হতাশা, দুর্নীতি, অর্থ কেলেঙ্কারি, আস্থা ফেরেনি শেয়ারবাজারে। ধস ছিল শেয়ারবাজারে, দরপতনের মধ্য দিয়েই কেটেছে শেয়ারবাজার। শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় বিশ লাখ। যাদের অনেকেই বড় অংকের বিনিয়োগ হারিয়ে হয়েছেন নিঃস্ব। পদ্মা সেতুর ব্যাপারে ফলপ্রসূ কিছু হয়নি। প্রশাসনে দলতন্ত্রে ক্ষমতার ৪ বছর শেষ করছে বর্তমান সরকার। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, রফতানি খাতের উদ্যোগ সীমিত ছিল। হলমার্ক কেলেংকারি রূপসী বাংলা শাখা থেকে হলমার্কের নথি গায়েব হয়ে যাওয়া, মহাজোট সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পদক্ষেপ পর্যন্ত আয়োজন অপর্যাপ্ত হয়ে রয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে গ্রাহক পর্যায়ে সপ্তমবারের মতো বিদ্যুতের দাম বাড়ছে নতুন বছর ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে। এটা খুব হতাশাজনক বিষয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুত্ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর কারণে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সরকারের জন্য কঠিন হবে। নানা ইস্যুতে ২০১২ সালে ভালো কিছু পায়নি জনগণ। তাই ২০১৩ সাল দেশে নির্বাচনী বছরকে ঘিরে রয়েছে মানুষের নতুন আশা-আকাঙ্ক্ষা। এর জন্য দরকার সুষ্ঠু কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক কর্মকাণ্ড। সরকারকে এ ব্যাপারে অনেক মনোযোগী হতে হবে। আর বিরোধী দলকে তাদের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সঠিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। লাড্লা ধানমন্ডি, ঢাকা। ২০১৩ গোটা জাতির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। এ বছরকে ঘিরে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সরকারের কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল অনেক; কিন্তু সে আশা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১২ ছিল অনেক ঘটনাবহুল একটি বছর; এ বছরে দেশে অনেক ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি। হলমার্ক গ্রুপ সোনালী ব্যাংকের শেরাটন শাখার মাধ্যমে তিন হাজার সাতশত কোটি টাকারও বেশি জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়েছে। সম্প্রতি তাজরীন ফ্যাশনে আগুন লেগে পুড়ে অঙ্গার হয়েছে শত শত শ্রমিক। দেশে শিল্পপ্রতিষ্ঠান সৃষ্টিতে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ নেই বললেই চলে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। চরম ভোগান্তিতে রয়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। সীমিত আয়ের লোকদের অবস্থা খুবই শোচনীয়। সীমিত আয় দিয়ে তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কেউ কেউ সঞ্চয়পত্র ভাঙিয়ে তাদের সংসার চালাচ্ছে। নতুন বছরে আমরা আশা করছি দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। জনগণ এমনটি দেখতে চায়। ২০১৩ সালটি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । মো. লিটন গাজী দক্ষিণ টেংরা, সারুলিয়া, ডেমরা, ঢাকা-১২০৫। ২০১৩ সবার জন্য নিয়ে আসুক সুখ, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি। ২০১৩ আমাদের জন্য তথা গোটা জাতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বছর। নির্বাচন হবে, সে জন্য আমাদের সবাইকে সহনশীল, ধৈর্যশীল ও সহযোগিতার মনোভাব তৈরি করতে হবে। ফারুক আলম, মালিবাগ, ঢাকা। স্বাধীনতার ৪১ বছর পরেও আমরা ঠিক আগের মতই আছি। তেমন পরিবর্তন আসেনি আমাদের। ২০১২ তেমন উল্লেখযোগ্য সফল বর্ষ নয়। তবে ২০১৩ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বর্ষ। যেহেতু নির্বাচনী বছর সেজন্য আমাদেরকে মন-মানসিকতার দিক থেকে পরিবর্তন ঘটাতে হবে। রাজনৈতিক দলসমূহকে আরো উদারতা দেখাতে হবে। তৈরি করতে হবে নির্বাচনী পরিবেশ। নীলুফা আক্তার টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা। সারাবিশ্বে কালপঞ্জিতে আসে নতুন বছর। সমস্ত শোক, দুঃখ, হতাশা আর না পাওয়ার বেদনা ভুলে নব উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠার দিন। নতুন বছর নতুন সোনালি সূর্যের হাসিতে উল্লসিত হোক সারা পৃথিবী। ২০১৩ একটি নির্বাচনী অধ্যায়ের বছর। সেজন্য আমাদের সকলকে সহনশীল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোকে সহিংসতা ত্যাগ করতে হবে। তৈরি করতে হবে নিজেদের মধ্যে ঐক্য। যে দলই আসুক ক্ষমতায় আমরা চাই দেশটি যেন সুস্থ ধারায় পরিচালিত হয়। হোসনে আরা নীলু এনায়েতগঞ্জ লেন,পিলখানা, ঢাকা-১২০৫। বিদায় নিতে চলেছে ২০১২ সাল। আসছে নতুন বছর নতুন অনেক কিছু নিয়ে। তার মধ্যে নির্বাচন অন্যতম। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ঘরে ঘরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। কিন্তু তা বাস্তবে হয়নি। বিনিয়োগের দিক থেকে ভালো হয়নি ২০১২ সাল। ব্যাংকগুলোতে ছিল অর্থের অভাব, ফলে উদ্যোক্তারা চাহিদামত ঋণ পাননি। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস-বিদ্যুত্ চাহিদামত দেয়া হয়নি। ভোগান্তিতে পড়ে আছে মধ্যবিত্ত পরিবার। সরকার দিচ্ছে-দেবো করে অবশেষে জানালেন আবাসিক গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে না। ফলে শিল্প উদ্যোক্তদের উত্পাদন ব্যাহত হয়েছে। নতুন বছর ২০১৩ তে প্রত্যাশা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী ইপিজেড, সাভার। ২০১৩ সালে যেহেতু সরকার পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছেন, সেহেতু এ বছর নির্বাচন হবে এরকম একটি গাণিতিক হিসাব আমাদের সবারই জানা। কিন্তু গণতান্ত্রিক চর্চা এবং রাজনৈতিক শৃংখলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিটি নাগরিক, সামাজিক সংস্থা, রাজনৈতিক দলসমূহ এবং দেশের অভ্যন্তরে প্রতিটি অঙ্গ এবং সংস্থা যদি নিজ নিজ অবস্থানে থেকে মূল্যবোধ, বিবেকবোধ, সঠিক চিন্তার আলোকে কার্যক্রম পরিচালনা করি এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিসমূহ পরিচালনা করি কেবল তাহলে দেশে একটি স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজমান হবে এবং একই সাথে নির্বাচনী আবহাওয়া তৈরি হবে। তাহলেই কেবল দেশ এবং জাতি সামগ্রিকভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করতে পারে। নাছিরউদ্দিন সিদ্দিকী ৩৬১ খন্দকার রোড, শ্যামপুর, ঢাকা-১২০৪। ২০১২ সাল আলোচিত গুম, হত্যা, সন্ত্রাস, ছিনতাই, ধর্ষণ, দুর্নীতিতে কেটেছে। ২০১৩ বছর। দেশের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সাধারণ নির্বাচনের জন্য। দেশ রাজনৈতিক স্থিরতার দিকে ফিরে আসুক- সাধারণ মানুষ সেটা দেখতে চায়। কাউসার আকন্দ মতিঝিল, ঢাকা। স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি মেলেনি। সামনে নতুন বছর ২০১৩ জনগণ অপেক্ষা করছে একটি শুভ বছর হিসেবে দেখতে। তবে পরিবেশ পরিস্থিতি কোথায় নিয়ে দাঁড়াবে সেটাই আজ ভাবনার বিষয়। মোঃ শওকত আলী শাহীন ডিওএইচএস, মহাখালী। নানা ঘটনা ঘটিয়ে চলে যাচ্ছে এই বছর। নব্বইয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫টি নির্বাচন। তার মধ্যে একটি ইলেকশনও হয়নি যার স্বচ্ছতা নিয়ে কমবেশি প্রশ্ন ওঠেনি। এখন ২০১৩ সালে নির্বাচন। সাধারণ মানুষ চায় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন। মো. মজিব উত্তরা, ঢাকা। পুরানো দিনের জঞ্জাল সরিয়ে আবার আসছে নতুন বছর, নতুন দিন। নতুন বছর সবার জন্য মঙ্গল আনুক। আনুক নবচেতনা। পুরানোকে বিদায় জানাই, নতুনকে স্বাগত জানাই। ২০১৩ সাল হিসাব অনুযায়ী নির্বাচনের বছর। বছরটি হোক সবার জন্য সুখময় ও আনন্দের। মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬। বিদায় নিচ্ছে ২০১২। সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে পালাবদল করছে দেশ। আগত ২০১৩ নির্বাচনের বছর। নির্বাচন নিয়ে আমরা শংকিত ও আতংকিত। কীভাবে নির্বাচন হবে তা জনগণ বলতে পারছে না। বিগত ৪টি বছরসহ ২০১২ সালে সমঝোতা হলো না রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কীভাবে সেটাই এখন আমাদের ভাবনার বিষয়। সুষ্ঠু নির্বাচন হবার কোন আলামত পাচ্ছি না আমরা। মোস্তান সিরুন ধানমন্ডি, ঢাকা। ২০১২ সালে অনেক সফলতা ও ব্যর্থতা রয়েছে এদেশের ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় জীবনে। ২০১৩ নির্বাচনের বছর। আমরা ভোট দেবো অবশ্যই। কিন্তু সরকারপ্রধানকে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরী করতে হবে। মাসুম আহাম্মদ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। দরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। মাসুদ আলম উর্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা। চলতি বছর বাংলাদেশে অর্থ কেলেংকারি, হত্যা, গুম, গাড়িতে আগুন, পদ্মাসেতুসহ বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতির কারণে পিআইএর রিপোর্টে সূচকে অবনতি, প্রশাসনের দলীয়করণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, ছাত্রসংগঠনের নৈরাজ্যসহ বিরোধীদলের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা প্রদান ও পালটাপালটি কর্মসূচিতে রাজপথ ছিল অবরুদ্ধ ও উত্তপ্ত। তাই আগামী বছর যদি সরকার ও বিরোধীদল সংলাপে বসে জাতীয় বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি আসন্ন সংসদ নির্বাচন কোন সরকার পদ্ধতিতে হবে সে ফয়সালা যদি না করা হয় তাহলে নির্বাচনের প্রস্তুতি তো দূরের কথা একেবারে লেজে গোবরে হয়ে যাবে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। যা আমাদের কারোরই কাম্য নয়। মিরাজুল ইসলাম মাহির মুন্সীগঞ্জ। বাংলাদেশের সকল জনগণের মতো আমিও আতংকিত- নির্বাচন হবে কি হবে না? সরকার দলের দলীয় নির্বাচনের প্রচেষ্টা এবং বিরোধীদলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনড় অবস্থান নির্বাচনের বিষয়ে জনগণকে শংকিত করে তুলেছে। আমি শান্তিপূর্ণ ও সকলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করি। মোহাম্মদ শামসুদ্দিন আজাদ সেনবাগ, নোয়াখালী। নির্বাচনের জন্য বাঙালিরা সব সময়ই প্রস্তুত। তবে নির্বাচন দিয়ে লাভ কী? যাদেরকে নির্বাচন করি, তারা যদি সংসদে না যায় তাহলে সে নির্বাচনের মানে কী? কেয়ার টেকার সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এই মুহূর্তে আমি নিজেও প্রস্তুত। নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা চাই না, চাই সমঝোতা। দেশের বৃহত্ দুটি রাজনৈতিক দলকে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য এ কাজটা করতেই হবে। নচেত্ তাদেরকে জনগণ ক্ষমা নাও করতে পারেন। তবে আগামী নির্বাচন নিয়ে আমি শংকিত। দেশবাসী আতংকিত। মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী গেন্ডারিয়া, ঢাকা। চীনের নেতা মাও সেতুং বলেছিলেন, ‘বিফলতাই সফলতার জননী’ আবার বলা যায়, অকৃতকার্যতাই কৃতকার্যতার স্তম্ভ। কারণ মানুষের জীবনে এমন কিছু বিষয় আছে যা পূরণ হয় না। চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে দোদুল্যমান আমরা। ঠিক রাষ্ট্রের বেলায়ও তাই। সরকারের ব্যর্থতা ও সফলতা দুই-ই রয়েছে তবে সফলতার চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লা ভারি। গণতন্ত্রের নামে চলছে নানা অনিয়ম। দেশে আমরা ইতিবাচক রাজনীতি দেখছি না। গণতন্ত্র সুসংহত করতে হলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আসছে ২০১৩ বাংলাদেশের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ সময়। সরকার ও বিরোধীদলকে এখন একসঙ্গে বসে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে আরো উদার মানসিকতার পরিচয় দিতে হবে। সৈয়দা নাসরিন সুলতানা নিউইয়র্ক, আমেরিকা। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান ব্যবস্থাই হলো সুষ্ঠু নির্বাচন। কাজেই একজন নাগরিক হিসেবে আমি নিজেও প্রস্তুত রয়েছি ইনশাআল্লাহ। জনগণের মৌলিক অধিকার অবশ্যই রাষ্ট্রকে দিতে হবে। তাই আসন্ন ২০১৩ সনের নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দলকে অংশগ্রহণ করা একান্ত দরকার বলে মনে করি। আলহাজ মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফ্জু) হাউজিং স্টেট, রাজশাহী- ৬২০২। শাসক দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে পারস্পরিক রেষারেষি, আস্থাহীনতা, রাজনৈতিক কোন্দল, পরস্পর বিরোধী বক্তব্য ও মন্তব্য; সংসদ বর্জন প্রভৃতি দেখে যে কোনো নাগরিকেরই নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, নিরপেক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি নিয়ে শাসক দল ও বিরোধী দলের ভাবা উচিত। শাহ মো. হেলাল উদ্দিন হিরু কালিহাতি, টাঙ্গাইল। মহাকালের তুলনায় একটি বছর যথেষ্ট ক্ষুদ্র সময়, তবে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের জন্য মোটেও কম সময় নয়। তাই আমরা ২০১২-এর দিকে তাকিয়ে নিজেকে এবং রাষ্ট্রকে আগামী ২০১৩তে কেমন দেখতে চাই তার একটি ছবি আঁকার চেষ্টা করি। মনে পড়ে যায়, ২০১২ সালে আমরা নির্মমভাবে হত্যা করছি আমাদের প্রিয় ভাই বিশ্বজিেক। আশা করছি, ২০১৩ আমাদের জন্য একটি নতুন এবং গ্রহণযোগ্য সাধারণ নির্বাচন নিয়ে আসবে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে যে অসহিষ্ণুতা এবং নানা ধরনের টানা পোড়েন চলছে তার ইতি চাই, কারণ রাজনীতি এবং মানুষের চাহিদা এক না হলে দেশ এবং দেশের জনগণ অস্থিরতায় আক্রান্ত হয়। আমরা চাই সরকার অবশ্যই তার উদার নীতি অবলম্বন করে সবাইকে নির্বাচনে আনার জন্য এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ওয়াহিদ মুরাদ নেছারাবাদ, পিরোজপুর। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হবে কি হবে না সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বাংলাদেশের জনগণ। নির্বাচন হবে কি না সে বিষয় নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। দেশে ভয়াবহ একটি পরিস্থিতি চলছে। যদি বর্তমান সরকার তাদের নীতি থেকে সরে না আসে তাহলে সামনে দেশে আরো কঠিন থেকে কঠিনতর পরিস্থিতি আসবে বলে মনে হচ্ছে। সাইফুল ইসলাম তানভীর মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট। হ্যাঁ, আমরা সবাই প্রস্তুত যদি বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ও বিরোধী দলসমূহ জনকল্যাণে হিংসা, প্রতিহিংসা সবকিছু ভুলে গিয়ে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর এবং সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পদক্ষেপ গ্রহণে ব্রতী হয়। অন্যথায় আমি বা আমরা কেউই আমাদের মহামূল্যবান ভোটটি পদ্মার জলে ভাসিয়ে দিয়ে ভোটটিকে কলঙ্কিত করবো না। মো. লুত্ফুর রহমান এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ প্রায় সারা বছরই ছিল উত্তপ্ত। জনগণের ভাবনা নতুন বছরে কি আন্দোলন আরো তীব্র হয় কিনা। জাতীয় নির্বাচন হবে। এটা আমাদেরও কামনা। সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের একটি পরিবর্তন আসুক। ফারুক আহমেদ দৈনিক আমাদের রাজশাহী, রাজশাহী। আর ৩ দিন বাকি ২০১২ সালের শেষ সূর্যাস্ত হতে। সারা বিশ্বের ঘটনা নিয়ে হারিয়ে যাবে বছরটি। আমাদের দেশেও তার ব্যতিক্রম হবে না। অনেক ঘটনা নিয়ে চলে যাবে এই বছরটি। ২০১৩ সালে ভলো চাই আমরা। নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ— এটাই কাম্য। নূসরাত ইয়াসমীন টুম্পা এসএসসি পরীক্ষার্থী মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ। চলতি বছর নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে কেটেছে। আমরা চাচ্ছি ২০১৩ নতুন আঙ্গিকে আসবে, দেশে নির্বাচন হবে। দেশের মানুষ স্বস্তি চায়, শান্তি চায়। নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হয় সে কামনা দেশবাসীর সঙ্গে আমারও। রোকসার আন্নুর বিবিএ ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্রী। নির্বাচন সুষ্ঠু দেখতে চায় জনগণ। নির্বাচনে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে চাই। আমরা ভোট দিতে চাই একজন সত্যিকারের মানুষকে। সৈয়দা পারভীন সুলতানা আরাপপুর, ঝিনাইদহ।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন