মহানগরী ঢাকার ইতিহাস গৌরবময়। এক সময় পৃথিবীর সেরা শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা ছিল একটি। ঢাকাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে বাংলার তথা পূর্ববঙ্গের ইতিহাস। শুধু তাই নয়, ঢাকাই একমাত্র শহর যেটি পৃথিবীর ইতিহাসে কয়েকবার রাজধানীর মর্যাদা অর্জন করেছে। কিন্তু কালচক্রে সেই তিলোত্তমা নগরী বিশাল জনসংখ্যার চাপ ও অপরিকল্পিত নগরায়নে বহুবিধ সমস্যার একটি মেগাসিটিতে পরিণত হয়েছে। যে শহরের উপর দিয়ে একদা ১৩টি খাল-নদী বহমান ছিল এখন তার মাত্র কয়েকটির সামান্য কিছু অবশিষ্ট আছে। চারপাশের নদীগুলোর (বুড়িগঙ্গা, বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ) অবস্থাও কাহিল। ভূমিদস্যু ও অবৈধ দখলদারদের দৌরাত্ম্যে এসব নদীর অনেকাংশ পরিণত হয়েছে খাল-ড্রেনে। নগরীর কেন্দ্রবিন্দুতে বেগুনবাড়ী খাল আর হাতিরঝিল এলাকাটি পরিণত হয়েছিল একটা অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত জায়গা এবং সন্ত্রাসী ও দুর্বৃত্তদের অভয়ারণ্যে, যেখানে দিনের বেলায়ও মানুষ যেতে ভয় পেতো।
অথচ এই খাল-ঝিলটির ছিল একটা সমৃদ্ধ ইতিহাস। তখন রামপুরা-হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী-ধানমন্ডী খাল (বর্তমানে লেক) আর কল্যাণপুর-ইব্রাহিমপুর খাল হয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তীর্ণ নিচু-জলাভূমির মাধ্যমে তুরাগ ও বালু নদীর মধ্যে সংযোগ ছিল। প্রকাশ, সে সময় এই পথ দিয়ে পালতোলা নৌকা চলতো। অনেক ইতিহাসবিদদের মতে, পর্তুগীজরা এই নদীপথে ঢাকায় এসে তেজতরি বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় তাদের বসতি গড়েছিল। ঢাকার রাজাধিরাজ ‘ভাওয়াল রাজা’ও এই পথে ঢাকায় আসা-যাওয়া করতেন বলে প্রকাশ। তাঁর হাতির পালের বিচরণভূমি ছিল হাতিরঝিলের জলাভূমিতে, যে নামে আজো ঝিলটির পরিচিতি। তখন এই বিস্তীর্ণ ঝিলে ছিল বিভিন্ন ধরনের পশু-পাখির অভয়ারণ্য। এ সবকে কেন্দ্র করে সে সময় এর আশপাশে গড়ে ওঠে শ্বাশত বাংলার বিভিন্ন পেশাজীবী সম্প্রদায়ের বসতি। মগবাজার, মধুবাগ, উলন, দাসপাড়া, রামপুরা, মেরুল বাড্ডা, বেগুনবাড়ী ইত্যাদি নামে এসব সমপ্রদায়ের লোকজনের ছাপ রয়েছে। এখানে বাস করতো মাউত, ঢুলী, ধোপা, মালি, মগ, জেলেসহ বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন, যারা নগর ও নগরবাসীর বিভিন্ন কাজে সেবা প্রদান করতো। প্রায় প্রতিবছর বন্যা হতো এবং বন্যার পানিতে নগরীর ময়লা-আবর্জনা ধুয়ে-মুছে যেতো। তখন নগর অভ্যন্তরে ছিল না জলাবদ্ধতা, আর খাল-নদীগুলোই ছিল প্রাকৃতিক সুয়্যারেজ লাইন।
ঢাকা নগরীর প্রথম (১৯৫৯ সালের) মাস্টার প্ল্যানে এসব খাল-নদী পরিবেষ্টিত বিস্তীর্ণ এলাকাটির সংরক্ষণে সুপারিশ ছিল। কিন্তু তা অনুসৃত হয়নি। বেশিরভাগ খাল-নদী ও নিচু ভূমি ভরাট হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে খাল-নদী ভরাট করে বক্স কালভার্টও নির্মিত হয়েছে। অবশ্য এর আগে ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলে নগরীর উত্তর-দক্ষিণ বিভিন্ন সংযোগ সড়ক নির্মাণ (মিরপুর রোড়, সাতমসজিদ রোড়, গ্রীন রোড়, বিমান বন্দর সড়ক, টঙ্গি ডাইভারশন রোড) করতে গিয়ে খাল-ঝিলের উপর ছেদ পড়ে। বেগুনবাড়ী খালের ওপর দিয়ে যায় রেললাইন। সে সময় যদি এসব খাল-নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণ করে সংযোগ সাধন করা হতো, তাহলে ঢাকার অবয়ব অনেকটা ভেনিস শহরের মত হতো ! না, বিদেশি শাসকরা তা করেননি। অতঃপর তেজগাঁও শিল্প এলাকা সম্প্রসারিত হয় হাতিরঝিলের জমিতেও। রামপুরা খালের মুখে নির্মিত হয় বিটিভি ভবন। যার ধারাবাহিকতায় শিল্পপতি জহুরুল ইসলামের ইস্টার্ণ হাউজিং হাতিরঝিলের জমি দখল করে গড়ে তোলে ‘মহানগর হাউজিং’ এবং রামপুরা বেসিনের জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় বনশ্রী আর আফতাব নগর। ১৯৮৮ সালের বন্যার পর নগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে রামপুরা খালে স্লুইস গেট আর পাম্পিং স্টেশন বসিয়ে আরো সর্বনাশ ঘটানো হয়, তখন বেগুনবাড়ী খাল ও হাতিরঝিল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পান্থপথের পূর্বমুখি সম্প্রসারণে হাতিরঝিলের বুক চিরে রামপুরা সড়ক পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থাও গৃহীত হয়েছিল।
এরশাদ সরকারের পতনের পর হাতিরঝিলের ওপর দিয়ে নির্মিতব্য ঐ সড়কের দরপত্র বাতিল করা হয়। অতঃপর চেষ্টা চলে বিভিন্নভাবে জায়গাটির সমন্বিত পরিকল্পিত উন্নয়নে। ঢাকার দ্বিতীয় মহাপরিকল্পনার (DMDP) প্রস্তাবনার আলোকে প্রথম হাতিরঝিল এলাকার জন্য DAP প্রণীত হয়। কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহলের বাধার কারণে তখন হাতিরঝিল এলাকার DAPটি বাস্তবায়িত হয়নি। এর মধ্যে প্রকল্পের পশ্চিমে বেগুনবাড়ী খালের মধ্যে নির্মিত হয়ে যায় ‘বিজিএমইএ’ ভবন। হাতিরঝিল এলাকার জমিতে সমপ্রসারিত হয় ইস্টার্ণ হাউজিং-এর ‘মহানগর হাউজিং’ প্রকল্পটি। শুধু তাই নয়, কয়েকটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান হাতিরঝিলের জলাভূমিতে চমকপ্রদ হাউজিং নির্মাণের বিজ্ঞপ্তিও জারি করে বসে। সর্বশেষ গুলশান-হাতিরঝিল প্রকল্পের প্রবেশমুখে ‘পুলিশ প্লাজা’ নির্মাণের নামে জমিও বরাদ্দ করা হয়। ঐ সময় ঢাকা সিটি করপোরেশন হাতিরঝিল এলাকার ওপর দিয়ে জেনারেল এরশাদের পরিকল্পনার অনুসরণে পূর্ব-পশ্চিমে একটি এলিভেটেড নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসে।
হাতিরঝিল এলাকাটি নিয়ে এভাবে নানামুখি ষড়যন্ত্র দেখে নগরীর সুশীল সমাজ সোচ্চার হয়ে ওঠে। এনিয়ে মিডিয়ায় প্রচণ্ড আলোচনা-সমালোচনার মুখে ২০০৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকা শহরে সুশাসন ও উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সভায় আমার প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে এই অবহেলিত, নোংরা ও দুর্গন্ধময় বিশাল জায়গাটির পরিকল্পিত উন্নয়নে বিশদ সমীক্ষা পরিচালনা ও যথোপযুক্ত সুপারিশ প্রণয়নে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) দায়িত্ব প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুসারে বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল সমগ্র এলাকাটির উপর বিস্তারিত জরিপ ও সমীক্ষা পরিচালনা করে তাদের সুপারিশ দাখিল করে। যার ভিত্তিতে ৩০২.৮৭ একর জায়গার সমন্বিত পরিকল্পিত উন্নয়নে প্রণীত হয় উন্নয়ন প্রস্তাবনা (DPP)। ২০০৭ তারিখে একনেক সভায় এই প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। প্রকল্প এলাকায় বেশিরভাগ জমি খাস বা বিভিন্নভাবে সরকারি মালিকাধীন হলেও প্রভাবশালী স্বার্থান্বেষী মহল প্রকল্পটির বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে বসে। প্রকল্পটিকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে হাতিরঝিল প্রকল্পের উভয় পাড়ে দু’টি ‘জনতার মঞ্চ’ বানিয়ে রাজউক তথা সরকারের সমালোচনা করা হয়। অতঃপর স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে রাজউকের বিরুদ্ধে ৭৮টি মামলা রুজুসহ অসংখ্য রিট ও কনটেম্পট কেস হয়, যাতে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধিসহ কয়েক দফায় প্রকল্পটির কাঠামো সংশোধন করতে হয়।
মূলত সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। রাজউক, ঢাকা ওয়াসা ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) সমন্বিত এই প্রকল্পটির বিভিন্ন অংশের বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। বুয়েট প্রকল্পটির উপদেষ্টা-পরামর্শক হিসাবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগ প্রকল্পটির বাস্তবায়নে প্রধান সহায়ক ভূমিকায় আছে। একথা সত্যি যে, সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা ছাড়া এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন অসম্ভবপর ছিল। ফলে অনেকটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়। রামপুরা অংশে নির্মাণাধীন দু’টি ‘U-Loop’ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কিছু কাজ ব্যতীত প্রকল্পটির সকল উন্নয়নমূলক কাজ শেষ। তাছাড়া প্রকল্প এলাকায় দৃষ্টিনন্দন একটা Amphitheaterও গড়ে তোলা হবে।
সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে যেকোন কাজের বাস্তবায়ন সম্ভব তার জ্বলজ্যান্ত উপমা হাতিরঝিল সমন্বিত প্রকল্পটি। পশ্চিমে বিমানবন্দর সড়ক ও সোনারগাঁও হোটেল, উত্তরে পান্থপথ-বেগুনবাড়ী-তেজগাঁও শিল্প এলাকা ও গুলশান, দক্ষিণে ইস্কাটন-মগবাজার-মধুবাগ উলুন এবং পূর্বে প্রগতি সরণি ও বিটিভি ভবন জুড়ে এই বিস্তীর্ণ প্রকল্প এলাকাটি অবশ্যই সবার মন জুড়াবে। দীর্ঘদিন পর নগরবাসীর জন্য একটা উন্মুক্ত জায়গার সৃষ্টি হলো, যেখানে মন খুলে বিচরণ করা যাবে, চিত্তবিনোদন হবে। প্রকল্পের দৃষ্টিনন্দন ও নয়নাভিরাম অবকাঠামোগুলো (১৭ কি:মি: সড়কপথ, ৪টি ব্রিজ, ৩টি ভায়াডাক্ট, ৪টি ওভারপাস, ৮ কি:মি: ফুটপাত, পরিকল্পিতভাবে রোপিত সারিবদ্ধ বৃক্ষরাজি, সবুজ চত্বর ও বেষ্টনি, Viewing Deck, Water Taxi Terminal, Foot Bridge ইত্যাদি) সকলকে এখানে বারবার আনতে আকৃষ্ট করবে। খুব শীঘ্রই গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক দু’টিও পরিকল্পিতভাবে হাতিরঝিলের সাথে সংযুক্ত হতে চলেছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো- হারিয়ে যাওয়া রূপকথার সেই ঝিলটি আজ নবরূপে একটি আধুনিক লেক হিসাবে আবির্ভূত হওয়া, যেখানে স্বচ্ছ পানিতে এখন আবার হাঁস চরে বেড়াচ্ছে, নৌকা বইবে, শীতের অতিথি পাখি আসবে। অচিরে আবার শুরু হবে নগরীর অভ্যন্তরে নৌকা বাইচের প্রতিযোগিতাও। ধারণ হবে বৃষ্টির পানি অর্থাত্ Rain Water Harvesting-এর মাধ্যমে সার্বিক পরিবেশের উন্নয়নসহ ড্রেনেজ ক্যাপাসিটি বাড়বে। গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের অবহেলিত জায়গাটিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজনের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যায়। একদা যেখানে যাওয়ার জন্য প্রবেশপথ ছিল না সেখানে আজ সুবিন্যস্ত ও আলোকোজ্জ্বল সড়ক ও মুক্ত হাওয়ার ছড়াছড়ি। ফলে রাতারাতি এই জায়গায় জমির মূল্য লক্ষ থেকে কোটি টাকায় উন্নীত হয়ে যায়। প্রকল্পটির আঙ্গিক আরো সুন্দর হতো, যদি প্রকল্প অভ্যন্তরে বেগুনবাড়ী খালের ওপর অনাহূতভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ‘বিজিএমইএ’ ভবনটি গুঁড়িয়ে দেয়া যেতো এবং গুলশান-হাতিরঝিলের প্রবেশমুখে কিম্ভূতকিমাকার ‘পুলিশ প্লাজা’ ভবনটি অন্যত্র সরিয়ে দিয়ে সেখানে সংযোগটি পর্যাপ্ত পরিমাণে চওড়া করা হতো ! এতে ভবিষ্যতে অবৈধ নির্মাণ রোধসহ প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যও বন্ধ হবে।
ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে এ ধরনের আরো অনেক রূপকথার জায়গা কালচক্রে বেহাত হয়ে গেছে ও হতে চলেছে। হাতিরঝিল প্রকল্পের Re-Development-এর ন্যায় এসব জায়গাগুলো স্বার্থান্বেষী মহলের দখল-নিয়ন্ত্রণ থেকে উদ্ধার করে তার সমন্বিত পরিকল্পিত উন্নয়নের প্রয়োজন। সে সাথে আরো প্রয়োজন এসব স্থাপনা তদারকি, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য এক বা একাধিক উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করা। প্রবাদ আছে- ‘আমরা বাঙালিরা অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারি’, কিন্তু তার রক্ষণাবেক্ষণ বা যথাযথভাবে পরিচালনা করতে পারি না ! আশাকরি সদাশয় সরকার এই বিষয়টি দেখবেন। হাতিরঝিলকে আর বেহাত হওয়ার সুযোগ দিবেন না।
পরিশেষে যে বিষয়টি না বললে নয়, তা হলো বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিভিন্ন বাস্তবায়নকারী সংস্থার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও উন্নয়নমূলক কাজে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। হাতিরঝিল প্রকল্পটি সাবেক সরকারের আমলে গৃহীত হয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বাস্তবায়ন শুরু হয়ে বর্তমান সরকারের আমলে সমাপ্ত হয়। নিঃসন্দেহে এটি সমন্বিত প্রয়াসের একটি উত্তম উদাহরণ। বিশেষ করে সামরিক-বেসামরিক পেশাজীবীদের দক্ষতা বিনিময় ও সমন্বয়ের বিষয়টি খুবই উল্লেখযোগ্য। আমাদের দেশে বৃহদায়তন বা জনগুরুত্বপূর্ণ যেকোন উন্নয়ন প্রকল্প এভাবে গৃহীত ও বাস্তবায়ন হওয়া উচিত। এতে যেমন উন্নয়ন কাজে গুণগতমান বৃদ্ধি পাবে, তেমনি পারস্পরিক অভিজ্ঞতার বিনিময়সহ দেশের উন্নয়ন অধিকতর সমৃদ্ধ হবে। আজ বহুল আলোচিত হাতিরঝিল প্রকল্পটির শুভ উদ্বোধন হচ্ছে।
++লেখক :প্রধান প্রকৌশলী, রাজউক
