আমার লেখা

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৩০
বনভোজনের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে তোমার বন্ধুর নিকট পত্র লেখ। পরীক্ষার উপযোগী নিচের পত্রটি তৈরি করে পাঠিয়েছে সাউথ কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়, মাধবপুর এর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজিনা আক্তার ঝুমু । গোবিন্দপুর তারিখ: ০৫.০১.১৩ইং প্রিয় ঋতু, প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভাল আছ। আমিও এক প্রকার ভালই আছি। পরকথা হল, আমি ভেবেছিলাম তুমি আমাদের সাথে বনভোজনে অংশগ্রহণ করবে, কিন্তু করলে না। মাঝে মাঝে তোমার এরূপ খেয়ালিপনা আমাকে অবাক করে দেয়। যা হোক বনভোজন সম্পর্কে তোমাকে লিখছি। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ছিল আমাদের বনভোজনের স্থান পৌষের সোনালি সকালেই আমরা সাতছড়ি পৌঁছে গেলাম। সেখানে একদল শিক্ষার্থীর অফুরন্ত প্রাণের জোয়ারে ভরে উঠল নিস্তব্ধ বনভূমি। আমরা হারিয়ে গেলাম সবুজ পাতার স্নিগ্ধ ভালবাসার ভূবনে। হঠাত্ রমাকান্ত স্যারের কণ্ঠে ভেসে উঠল গান,এবং মাইকে ঘোষণা আসলো ‘তোমরা বনে বাদাড়ে যে যেখানে আছো চলে এসো। এখনি শুরু হবে খেলাধুলার পর্ব। আমরা খেলাধুলায় যোগ দিলাম অনেকে, তার মধ্যে নিশা, তানিয়া, তিবা, এনামুল সাইফূর, মাজারুল অংশ নিলাম খেলায় । ওদিকে রান্না হচ্ছিল পান্না ছিল প্রধান রাঁধুনী। ওর ওড়না পেচিয়ে রান্নার ভঙ্গিদেখে হাসি পেয়েছিল, মনে হয়েছিল বুড়ি পাক্কা রাঁধুনী। অবশ্য বনভোজনের রান্না খুবই চমত্কার হয়েছিল। সকলে পান্নার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। দুপুরের খাবারের পর শুরু হল গান ও নাচের আসর। পান্না ও তানিয়া, নিশা আর তিবা গান গেয়েছে। আর আমি নৃত্য দিয়েছি। আমার নৃত্য দেখে এনামুল, সাইফুলের উপরে হাসতে হাসতে পড়ে গেল। তাতে এনামুলের দাঁতে চোট লাগল। ভীষন ব্যাথা পেল। শীতের বিকেল। ঝুপ করে সন্ধ্যা নেমে এলো। আর নয় এবার ফেরার পালা।খারাপ লাগছিল,যখন আমাদের বাস ফিরে চলছিল ধর্মঘরের দিকে। পত্রের মাধ্যমে আর বেশি কিছু লেখা সম্ভব হল না। সাক্ষাতে আরও মজার ঘটনা বলব। ছোটদের আদর জানাইও এবং তোমার আব্বা-আম্মাকে আমার সালাম দিও। ইতি, তোমারই ঝুমু