বরিশাল নগরীর মাত্র ৯টি বহুতল ভবনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। বাকি শতাধিক ভবনের বাসিন্দাদের ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসের সংশি¬ষ্ট সূত্র।
সূত্র জানায়, এরমধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা চালু রেখেছে মাত্র ৪টি প্রতিষ্ঠান। বরিশাল সিটি করর্পোরেশনের প্রধান মূল্যায়ন কর্মকর্তা আবুল মাসুদ মামুন গত শুক্রবার বাসসকে জানান, ৬ তলার অধিক উঁচু ভবনগুলোকে বহুতল ভবন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই ভবন নির্মাণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে অনাপত্তিপত্র গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিয়মানুযায়ী অনাপত্তিপত্র পাওয়ার ৩০টি শর্তের মধ্যে উল্লে¬খযোগ্য হচ্ছে সাধারণ সিঁড়ি পথের ব্যবস্থা, জরুরী নির্গমনের পথ, ছাদের ওপর ১০ হাজার গ্যালন পানি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্যাংকে পানি সংরক্ষণ, ২০ হাজার গ্যালন পানি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ভূগর্ভস্থ ট্যাংক, ফায়ার স্পোক ডিটেক্টর, অগ্নিনির্বাপক প্ল¬াটফর্ম এবং অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রাংশের যথাযথ মজুদ।
এ বিষয়ে জেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক মো. লুত্ফর রহমান জানান, জেলায় মাত্র ৪টি ভবন মালিক উল্লে¬খিত শর্ত পূরণ করে অনাপত্তিপত্র নিয়েছে। ওই ভবন ৪টি হচ্ছে নগরীর নির্মাণাধীন ডেসটিনি টাওয়ার (২৫ তলা), আবাসিক হোটেল অ্যাথেনা ও গ্রান্ড পার্ক এবং ফকির কমপ্লেক্স। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক মো. লুত্ফর রহমান আরো জানান, অনাপত্তিপত্র পাওয়ার জন্য বেশকিছু ভবন মালিকের আবেদন মহা-পরিচালকের দফতরে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
