বেনগাজিতে ইটালির কূটনীতিকের গাড়িতে গুলি
লিবিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজিতে ইতালির এক কূটনীতিকের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। তবে তিনি প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। গুইদো দে স্যান্তিস নামে ওই কূটনীতিক তার বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে বেনগাজি ভ্রমণ করতে বেরিয়েছিলেন। এই সময় অজ্ঞাত এক বন্দুকধারী ওই গাড়িতে গুলি চালায়। ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে বেনগাজিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হামলার ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফার স্টিভেন্স নিহত হওয়ার পর থেকে বেনগাজিতে বিদেশি সরকারের প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিয়ে লিবীয় সরকার বেশ উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।
—বিবিসি
জার্মানিতে নকল টাকা বেড়েছে
জার্মানিতে নকল টাকা বা নকল ইউরোর সংখ্যা বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে একথা। তবে এই নকল টাকার ফলে আর্থিক ক্ষতি তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। ২০১২ সালে জার্মানিতে ৪১,৫০০ নকল টাকার নোট ধরা পড়েছে। পুলিশ, বিক্রেতা এবং ব্যাংক এসব নকল টাকা সনাক্ত এবং বাজেয়াপ্ত করেছে। ‘বুন্ডেসব্যাংক’ বা জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, আগের বছরের তুলনায় গতবছর নকল টাকা ধরা পড়ার হার বেড়েছে ৬ দশমিক এক শতাংশ। নকলবাজরা বিশ ইউরোর মতো ছোট নোট জাল করেছে বেশি। — ডয়চে ভেলে
চীনে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৬ জনে
চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ইউনানে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৯ শিশু রয়েছে। শুক্রবার সকালে ইউনানের ঝাওজিয়াগো নামক পার্বত্য এলাকার গাউপো গ্রামে এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে আরও শতাধিক লোক। ইউনানের প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র জানান, ৪৬টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতজন একই পরিবারের সদস্য। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। — সিনহুয়া
পাকিস্তানে নিরাপত্তার দাবিতে শিয়াদের বিক্ষোভ
পাকিস্তানের কোয়েটা শহরে হাজার হাজার শিয়া মুসলিম তাদের জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে বোমা হামলায় নিহতদের কফিন নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে শহরে দু’টি বোমা হামলায় আশিজনেরও বেশি নিহত হন, যাদের বেশির ভাগই শিয়া এবং এই নিহত কয়েকজনের মরদেহ নিয়েই শিয়ারা প্রতিবাদে নেমেছেন। কোয়েটা শহরের নিয়ন্ত্রণ সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়ার জন্য ও প্রাদেশিক সরকারকে বরখাস্ত করারও দাবি জানাচ্ছেন তারা। -বিবিসি
কেনেডি হত্যা নিয়ে নয়া বিতর্ক
তার মৃত্যুর পর কেটে গিয়েছে প্রায় অর্ধশতক। তাকে হত্যা করার দায়ে লি হাভে অসওয়াল্ড নামে এক ব্যক্তিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল ওয়ারেন কমিশন। তিনি আর কেউ নন, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। তার মৃত্যুকে ঘিরে পানি ঘোলা হয়েছে প্রচুর। আর এবার তাতেই ইন্ধন জাগালো কেনেডিরই নাতি-নাতনির কিছু মন্তব্য। এক মার্কিন দৈনিকে প্রকাশিত হয় তাদের বিশেষ সাক্ষাত্কার। রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র ও তার বোন জানান, তাদের দাদুর হত্যার ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন খুনের ঘটনা নয়। এর পিছনে জড়িয়ে আছে সুপরিকল্পিত কোনও চক্রান্ত।
— আনন্দবাজার পত্রিকা
